
তসলিমা নাসরিন আমার চোখে একজন গ্রেট মানুষ।
অন্যায় ভাবে ভাবে তাকে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। পঁচিশ বছর হয়ে গেল! আজও কেউ তাকে দেশের আনার ব্যবস্তা করেনি। আমার ক্ষমতা থাকলে তাকে আমি লাল গালিচা সংবর্ধনা দিয়ে দেশে ফিরিয়ে আনতাম। তার লেখায় দেশের প্রতি ভালোবাসা ফুটে উঠে।
দুনিয়ার চোর, ডাকাত, বদমাশ, ধর্ষনকারী আর দূর্নীতিবাজ এই দেশে বহালতবিয়তে আছে। কিন্তু একজন সাহসী নারী, একজন লেখক দেশের বাইরে। তাকে দেশে আসতে দেওয়া হচ্ছে না। জন্মদিনের শুভেচ্ছা বোন। এক আকশ ভালোবাসা আপনার জন্য। আজকের বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে সচেতন মানুষ জানে, তসলিমা নাসরিন সময়ের প্রয়োজনে জন্মায়। এখনও আমাদের আপনাকে প্রয়োজন।
প্রিয় বোন দেখুন, ফেসবুক টাইমলাইন ভরে যাচ্ছে। আপনাকে নিয়ে লিখছেন। কত মানুষ আপনাকে ভালোবাসেন। এমন সৌভাগ্য প্রতিটা প্রতিবাদী মানুষের হয় না। তসলিমা নাসরিন খুবই স্পষ্ট করে সত্য কথাটাই বলছেন। সুনীলে কবিতার ভাষায় বলতে হয়- সত্য পৃথিবীতে খুব বেশি নেই। যারা তসলিমা নাসরিনকে প্রতিনিয়ত আক্রমন করে তাদের অস্তিত্ত এই পৃথিবীতে থাকবে না, থাকেও না। তসলিমা নাসরিন থাকবেন। যারা সক্রেটিসকে হেমলক পান করিয়ে হত্যা করেছিল, তাদের নাম কে জানে? কিন্তু সক্রেটিস বেঁচে আছেন। যারা তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে আজে বাজে কথা বলে, তারা অবশ্যই নর্দমার কীট।
আমাদের দেশের কবি সাহিত্যিকরা আজ চুপ।
তসলিমা নাসরিনের নাম নিলে অথবা তাকে নিয়ে কিছু লিখতে তাদের মান যাবে যেন। যদি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ, প্রানবন্ত এবং মুক্তমনা সাহিত্যিক আমাদের দেশে থাকতো তাহলে অবশ্যই আজ তারা তসলিমা নাসরিককে নিয়ে লিখতো পজেটিভ কোনো লেখা। সাধারন মানুষ লিখছে অথচ বুদ্ধিজীবিগন চুপ করে আছে। আজ যদি শেখ হাসিনা তসলিমা নাসরিনে পক্ষে দুই এক লাইন পজেটিভ কিছু বলতো- তাহলে তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে লেখার ধুম পড়ে যেতে। যত সব চাটুকার আর দালালের দল। লেখকরাই সব থেকে বড় দালাল হয়, চাটুকার হয়। এ যুগের বেশির ভাগ লেখক ধান্দাবাজ। তেলবাজ।
যোগ্য মানূষকে তার প্রাপ্য সম্মান টুকু দিতে হয়।
তিনি লেখক। তিনি লিখে গেছেন। আপনার যদি তার লেখা ভালো না লাগে সেটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে তার লেখা ভালো লাগে। আমার বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে দেশে ফিরিয়ে আনবেন। সেই অপেক্ষায় আমি আছি। আর মনে প্রানে চাই তসলিমা নাসরিন ভালো থাকুক। সুস্থ থাকুক। বহু বছর বেঁচে থাকুক। আমৃত্যু তার কলম চলুক।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


