
বিয়ে করেছেন ভালো কথা।
বিয়ের পর স্বামী স্ত্রী দুইজনই চাকরি করছেন সেটা ভালো কথা। কিন্তু সন্তান হয়ে যাওয়ার পর মায়েদের আর চাকরি করা ঠিক না। সন্তান হবার পর মা যদি চাকরি করেন তাহলে সন্তানের খুব কষ্ট হয়। স্বামী তো চাকরি করছেন'ই। বাসায় যতই দাদী, চাচী, নানী অথবা কাজের লোক থাকুক। মায়ের আদর-ভালোবাসা অন্য কেউ দিতে পারে না। হুম, সন্তান হওয়ার আগ পর্যন্ত চাকরি করা যেতে পারে। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে চাকরি বাদ দেন। প্লীজ।
মা বাসায় না থাকলে সন্তানের কষ্টের শেষ নেই।
যে মা সারা দিন চাকরি করে বেড়ায়, সেই সন্তানের কষ্টের শেষ নেই। সেই সন্তানের খাওয়া-দাওয়া, গোছল, ঘুম এবং লেখা-পড়া কিছুই ঠিক ভাবে হয় না। মানসিক বিকাশ সুন্দরভাবে হয় না। চাকরিজীবি মায়ের সন্তানদের কষ্ট দেখে- আমার খুব কষ্ট হয়। এখন, একজন চাকরিজীবি মা হয়তো বলবেন, এত লেখাপড়া শিখেছি কিসের জন্য? তাহলে আমি বলব, আপনার বিয়ে করার'ই দরকার ছিলো না। বাচ্চা নেওয়া তো দূরের কথা। সংসারে অভাব না থাকলে মেয়েদের চাকরি করাই ঠিক না। তবে সন্তান যদি বড় হয়ে যায় তাহলে ভিন্ন কথা।
সবার আগে সন্তান।
অনেক মা আছেন, সন্তান হওয়ার পর যত ভালোই চাকরি হোক না কেন, সন্তাননের মুখের দিকে তাকিয়ে চাকরি ছেড়ে দেন। তার কাছে সন্তান আগে। এই সন্তানকে পৃথিবীতে এনেছেন। সন্তানের ভালো মন্দ সব দেখার দায়িত্ব আপনার। প্রতিটা মুহুর্ত সন্তানের দেখভাল করতে হয়। একটু অন্যমনস্ক হলেই সন্তান বিপথে চলে যেতে পারে। এই সমাজে একজন শিশুর ভালো হওয়া, মানবিক হওয়া অতি কঠিন। তাই একদম ছোট থেকেই সন্তানের প্রতি বাবা মায়ের পুরো মনোযোগ দিতে হবে।
অবশ্য কিছু মেয়ে থাকেই বাহির মুখি।
তাদের ঘরে ভালো লাগে না। নানান উছিলায় তারা বাইরে যাবে। বিয়ের আগেও যাবে, বিয়ের পরও যাবে। তাদের ঘরে মন টিকেই না। আমি মনে করি, যে সমস্ত মেয়েরা মনে করে- চাকরিটাই সব তাদের বিয়ে করার দরকার নেই। সন্তান দরকার নেই- তারা চাকরি করে বেড়াক। হয়তো কেউ কেউ বলবেন, আমার মন ছোট। এই আধুনিক যুগে আমি মেয়েদের ঘরে বন্দি করে রাখতে চাই। এক সময় ময়মুরুব্বিরা বলতেন, মেয়েদের দু'টা ঘর আঁতুড় ঘর, আর রান্না ঘর।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১০:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



