
১। গাছ যদি একবার শক্ত হয়ে যায়, ডাল যদি একবার শক্ত হয়ে যায় সেটাকে বাঁকানো যায় না। অতএব, সন্তানকে যা শাসন করার করবেন, সেটা ছোট থেকে। ছোটবেলায় আহ্লাদ দেবেন আর বড় হওয়ার পর শাসন করবেন। সেটা হবে না। আদর এবং শাসন দুটোই করতে হবে ছোটবেলা থেকে, তাহলেই সন্তান মানুষ হবে।
২। এটা শেষ পর্যন্ত একটা খেলা।
'ক্রিকেট' দেশ ও জাতির উন্নয়নের হাতিয়ার নয়। দেশকে গৌরবান্বিত করার জন্য খেলা ছাড়াও আর অনেক মাধ্যম আছে। ইউরোপ আমেরিকার বায়ার'রা নিশ্চয় আমাদের ক্রিকেট খেলা দেখে গার্মেন্টস পোশাকের অর্ডার দেয় না। সৌদি মালয়েশিয়া নিশ্চয় আমাদের ক্রিকেটারদের দেখে শ্রমিক নেয় না। খেলাধুলা দিয়ে যদি জাতির উন্নতি হত তাহলে ব্রাজিল হত পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র।
৩। রবীন্দ্রনাথের এই কবিতাটা আমার ভীষন প্রিয়-
শুধু বিঘে দুই ছিল মোর ভুঁই আর সবই গেছে ঋণে।
বাবু বলিলেন, "বুঝেছ উপেন, এ জমি লইব কিনে।'
কহিলাম আমি, "তুমি ভূস্বামী, ভূমির অন্ত নাই।
চেয়ে দেখো মোর আছে বড়ো-জোর মরিবার মতো ঠাঁই।'
একসময় কবিতাটা মূখস্ত ছিল।
৪। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা কয়েকটি চরিত্রের মধ্যে একটি 'ফেলুদা'। ফেলুদা'তে দেখা যায় আরেক চরিত্র 'সিধু জ্যাঠা'। সিধু জ্যাঠা চিরকুমার। বিয়ে-শাদী করে নি। প্রচুর টাকার মালিক। সে তার টাকা কাজে লাগায় বই কিনে। দিন রাত বই পড়েন। সে এক জীবন্ত তথ্যকোষ। প্রচন্ড জ্ঞানী। ফেলুদা বিভিন্ন তথ্যের জন্য সিধু জ্যাঠার কাছে যান। সিধু জ্যাঠা সাহায্য করেন। এক গল্পে দেখা যায় সিধু জ্যাঠা ফেলুদাকে বলছেন, গোয়েন্দাগিরিতে নামলে আমি তোমাকেও হারিয়ে দিতে পারতাম। ফেলুদাও সায় দেন তাতে।
৫। বাংলা ভাষায় এ যাবতকালের শ্রেষ্ঠ শিশু সাহিত্যিক কে– এই প্রশ্ন করা হলে সুকুমার রায়কে নিয়ে কোন সংশয় থাকবে বলে মনে হয় না। ‘আবোল তাবোল’ ছড়ার বইয়ের মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে 'ননসেন্স রাইমিং' ধারার সূচনা করেন, যা বিশ্বসাহিত্যের অঙ্গনে নিজস্ব জায়গার দাবিদার।
প্রেসিডেন্সী কলেজে পড়ার সময় ননসেন্স ক্লাব গড়ে তুলে আবোল তাবোল ছড়া নামে একটি নতুন ধারার সূত্রপাত করেন। সৎ পাত্র, কাঠ-বুড়ো, রামগরুড়ের ছানা, খিচুড়ি, কাতুকুতু বুড়ো সহ আরও অনেক বিখ্যাত কবিতা এসময়ের সৃষ্টি। পরে উচ্চশিক্ষার্থে বিলেত গমন করেন। সেখান থেকে ফিরে এসে মন্ডা ক্লাব (Monday Club) নামে একই ধরণের আরেকটি ক্লাব খুলেছিলেন।
আজ ছড়াকার, সাহিত্যিক, রম্যরচয়িতা সুকুমার রায়ের জন্মবার্ষিকী। আবোল তাবোল ছড়াকার সুকুমার রায়ের ১২৬তম জন্মবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা।
৬। শেষ নবী মহম্মদ ১৪ টি বিয়ে করেছেন।
মহানবী ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছরের খাদিজাকে বিয়ে করেন।
মহানবী ৫১ বছর বয়সে সাওদাকে বিয়ে করেন।
মহানবী ৫২ বছর বয়সে মাত্র ৬ বছরের শিশু আয়শাকে বিয়ে করেন।
মহানবী ৫৪ বছর বয়সে হাফসাকে বিয়ে করেন।
মহানবী ৫৫ বছর বয়সে জয়নবকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন বিধাব।
মহানবী ৫৫ বছর বয়সে উম্মে সালমাকে বিয়ে করেন।
মহানবী ৫৮ বছর বয়সে সাফিয়াকে বিয়ে করেন।
মহানবী ৫৭ বছর বয়সে মেরীকে বিয়ে করেন।
তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে দুজন ছিলেন, খলিফাদের কন্যা। স্ত্রীদের অধিকাংশই ছিলেন সুন্দরী ও গুণবতী। একজন ভাল রাধুনীও ছিলেন। কয়েকজন ছিলেন বুদ্ধিমতি। একজন ছিলেন ধনী। তবে হাদিসে সুন্দরী মেয়েদের বিয়ে করার কথা বলা হয়েছে। কুমারী ছিলেন শুধুমাত্র খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের মেরি। একজন ছিলেন ইহুদী। এদের অনেকেই ছিল অসহায়, তাদের স্বামীরা যুদ্ধে মারা গিয়েছিল। এদের বিশেষ প্রেক্ষাপটে এবং সামাজিক অবস্থায় বিয়ে করেন।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




