somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

পরীর অস্ট্রেলিয়া ভ্রমনের গল্প

০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



লেখাটি আমার নয়, পরীর। পরী বলেছে, আমি লিখেছি। পরী বাংলা টাইপ পারে না, তাই আমি লিখে দিয়েছি। পরী যা বলেছে, যেভাবে বলেছে আমি তা-ই লিখেছি।

আমাদের এয়ারপোর্টে এত ভিড়!
জুতো মুজো খুলতে হয়েছে। জামা কাপড় সব চেক করেছে। তারপর প্লেনে উঠলাম। জানালার পাশে সিট পাইনি। মাঝখানে বসেছি। মালোশিয়া গিয়ে প্লেন থামলো। সেখানে চার ঘন্টা বিশ্রাম। ট্রানজিট। তারপর আবার প্লেনে উঠলাম। রাতে সাড়ে আটটায় অস্ট্রেলিয়া, সিডনী নামলাম। ইমেগ্রেশন পার হতেই এক কুকুর এলো কাছে। হা হা হা। আমাদের নিতে এসেছেন দুই আংকেল। আংকেলরা আমাদের জন্য বিশাল একটা ফুলের তোড়া নিয়ে এসেছেন। তাদের বাসা সিডনী এপিং। ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়ে পড়লাম। এক ঘুমে সকাল।


এই পিচ্চির নাম যারা। পরীর ভক্ত।



রাস্তায় কোনো জ্যাম নেই।
গাড়ি করে সিডনী হারবার গেলাম। কুজি বিচ গেলাম। সেখানে পিকনিক করেছি। বিশাল বিশাল ঢেউ। আমাকে সৈকতে গোছল করতে দেওয়া হয়নি। ম্যাক ডোনাল্ডসে খেয়েছি। ওরা ফ্রেঞ্চ ফ্রাইকে চিপস বলে। হা হা হা। ক্যানবেরা গিয়েছি। রাতের বেলা চারপাশ খুব আলোকিত। খুব পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। জিনিসপত্রের দাম খুব বেশি। আমার মতো ছোট ছোট বাচ্চাদের সবাই খুব আদর। তবে এখানে বাচ্চারা আলাদা ঘুমায়। বাবা মার সাথে ঘুমায় না। কেউ জোরে কথা বলে না, কেউ ঝগড়া করে না। সবার মুখে হাসি।


পরী সেলুনে গিয়েছিলো চুল কাটাতে।



ওদের ওয়াশরুমে পুশ শাওয়ার নেই বাবা!
গাড়ি গুলো লাইন করে চলে। রাস্তায় কেউ হর্ন বাজায় না। দুষ্টলোক নেই। তাই কোনো বাসায় জানালায় লক নেই। গাড়ি, বাস ট্রেনে কোনো ভিড় নেই। বিল্ডিং গুলো খুব সুন্দর। অপেরা হাউস, হারবার ব্রিজ, ডারলিং হারবার, সিডনি অ্যাকোয়ারিয়াম, অস্ট্রেলিয়ান ম্যারিটাইম মিউজিয়াম, টোরঙ্গা চিড়িয়াখানা, ম্যানলি বীচ সব কিছুই সুন্দর। সাজানো গুছানো। এক আন্টিকে দেখলাম কুকুর নিয়ে হাঁটতে বের হয়েছেন। কুকুরটা খুব কিউট। একটুও দুষ্ট না।





মেরিম্বুলা শহরটাও ভালো লেগেছে।
লেকে নৌকায় করে ঘুরেছি। লেকের পারের রাস্তাটা কাঠ দিয়ে বানানো। ক্যাঙ্গারু দেখেছি। একদম আমার হাতের কাছে এসেছে। ক্যাঙ্গারু চিপস খেতে চেয়েছিল। আমি চিপস দেইনি। ওদের কিছু খাওয়ানো নিষেধ, তাই। Great Ocean Road গিয়েছি। সিডনি থেকে অনেক দূরে। অস্ট্রেলিয়াতে অনেক রোদ। বাইরে বেশ গরম। আমি কালো হয়ে গেছি এই একমাসে। তবে সমুদ্রের পাড়ে অনেক বাতাস। ওদের ইন্টারনেটে স্প্রীড কম। দিদার সাথে আরাম করে কথা বলতে পারিনি।





বাচ্চাদের খেলার জায়গা আছে অনেক।
রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে চায়না মার্কেট, বাংলাদেশের নিউ মার্কেটের মতো মার্কেট দেখেছি। অনেক রাস্তায় ছোট ছোট আলমারিতে বই দেখেছি। ইচ্ছা করলে যে কেউ এই বই পড়তে পারে। এজন্য টাকাও লাগে না। রাস্তা, শপিংমল থেকে শুরু করে সব কিছু দিনের বেলা এক রকম লাগে আবার রাতের বেলা অন্য রকম লাগে। সিডনিতে আমাদের দেশী খাবার পেয়েছি। সব কিছু মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়া খুব ভালো লেগেছে। খুব আনন্দ হয়েছে।

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৩
২৭টি মন্তব্য ২৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা ভয়ংকর

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!

শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০১


জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

আমাদের দৃষ্টিতে, তথাকথিত "জুলাই" বাংলাদেশের জন্য কোনো গৌরবের অধ্যায় নয়; বরং এটি জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা, অর্থনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাংগুক অচলায়তন

লিখেছেন মাসুদ রানা শাহীন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯


ভয় পাবেন না
আশার পিদিম জ্বালিয়ে রাখুন
প্রাণের ধুকপুকি জাগিয়ে রাখুন
হেরে যাবেন না।

ঘাবড়াবেন না
নতুন স্বর ও সাহসী উচ্চারণে অনবদ্য হোন
ক্ষুরধার সৃষ্টির ঔজ্জ্বল্যে উদ্ভাসিত হোন
থামবেন না।

নগদমূল্যে বিকোবেন না
ক্লান্ত শিরায় নতুন রক্ত বইয়ে দিন
তাতিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×