
১। মেয়ে মানুষের মধ্যে শাশ্বত কিছুই পাওয়ার নেই। রোমিও-জুলিয়েট, লায়লা-মজনু এসব হলো ইমোশনাল ব্যাপার স্যাপার। অতিমাত্রায় বাড়াবাড়ি। একজন মানুষের জীবনে নারী প্রেম কতটুকু প্রয়োজন? কিছু বোকা পুরুষরা ব্যাপারটাকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে তুলেছে! তবে এও ঠিক, যাকে পাওয়া গেল না, যাকে পাওয়ার নয়, সেই মেয়েটির জন্য দীর্ঘকাল বুকের মধ্যে যেন কেমন করে! সেটা হয়তো প্রেম নয়। বোকা পুরুষরা যেটা দখল করতে পারে না সেটাকে মহামানিত্ব করে তোলার চেষ্টা করে।
২। যদি আপনি জীবনে বার বার আঘাত পেতে থাকেন তবে তার জন্য নিজেকে দোষী ভাববেন না। কষ্ট পাবেন না। শুধু মনে রাখবেন, ‘যে গাছটির ফল সবচেয়ে বেশি মিষ্টি, সেই গাছটিতেই সবচেয়ে বেশিবার পাথর ছুড়ে মারা হয়।
৩। যদি কখনো মৃত্যুর মুখোমুখি হই এবং আমাকে বলা হয় ‘তোমার শেষ ইচ্ছা কি?’
আমি বলব, আমাকে বই দাও আমি পড়ব।
৪। মানুষের যত রকম কূ প্রবৃত্তি আছে যেমন জীব হিংসা, অন্যের সম্পত্তি ও স্ত্রী কেড়ে নিয়ে ভোগ করা, বহু বিবাহ, নিষ্ঠুরতা এ-সব সকল ধর্মের ধর্মীয় গ্রন্থ গুলো উত্সাহিত করা হয়েছে। গ্রন্থ গুলো পড়লেই তা বোঝা যাবে। জল যেরকম উচু থেকে নিচুর দিকে গড়িয়ে আসে মানুষের চরিত্রও তেমনি আদিমতার দিকে ছুটে যেতে চায়। ধর্মের কাজ ই হল সংযমের মাধ্যমে মানুষকে আদিমতা ও পশুত্ব থেকে সভ্যতা ও আদ্যাত্ত্বিকতার দিকে নিয়ে যাওয়া। তাই প্রকৃত ধর্মের চর্চা কঠিন।
কিন্তু ধর্ম মানুষকে আধিমতার দিকে নিয়ে যেতে চায়। এই পথ নিন্মগামী ও পিচ্ছিল। তাই যে সব মানুষ বর্বর প্রকৃতির তাদের কাছে ধর্ম স্বভবত-ই জনপ্রিয় হবে।
৫। একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠবো। গোছল করবো, নাস্তা খাবো। তারপর সাদা একটা ফতুয়া পড়ে নীরবে বেড়িয়ে যাবো। কেউ আমার কোনো খোঁজ পাবে না। একদম হারিয়ে যাবো। সেই সময় খুব দূরে নয়।
৬। "একটা মানুষের মধ্যেই গোজামিল থাকে। কিন্তু যে সাপ সে হান্ড্রেড পারসেন্ট সাপ। যে শেয়াল সে হান্ড্রেড পার্সেন্ট শেয়াল। মানুষ সাপও হইতে পারে, শেয়ালও হইতে পারে, পাখিও হইতে পারে। মানুষেরই বিভিন্ন চরিত্র নেয়ার ক্ষমতা আছে। বুঝেছো, গ্রাম দেশে আগে সাপ আর শিয়াল পাওয়া যাইতো। এগুলা নাই এখন! কারন সাপ শিয়াল এরা মানুষ হিসাবে জন্মাইতে আরম্ভ করছে"।
- আহমদ ছফা
৭। পুরান ঢাকাতে কিছু মিষ্টির দোকান আছে যেখান থেকে কিছু লোক কয়েকদিন পর পর এসে রাত ৮টার দিকে ১০-১২ কেজি মিষ্টি কিনে নিয়ে যায়। তারা যেই দোকানে ঢুকে সেই দোকানের মালিককে লাইট নিভিয়ে দিতে বলে। অন্ধকারে তারা আসে, অন্ধকারে চলে যায়। এই লোকগুলো আকারে অনেক লম্বা এবং তাদের চেহারা আজ পর্যন্ত কেউ ভালো করে দেখতে পারে নি। ধারণা করা হয়, এরা জীন প্রজাতি। পুরান ঢাকার বেশিরভাগ মিষ্টির দোকানের লোকেরাই উনাদের কথা জানেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

