
১। পৃথিবীর ধূলোকণায় ভালোবাসার জন্য। কিন্তু ধূলোকণায় যখন সূ্র্যের আলো পড়ে তখন তা স্বর্ণরেনুর মত চিকচিক করে ওঠে। যখন বাতাসের স্পর্শ পায়, শিশুর নির্মল হাসির মতো কোমল হয়ে ওঠে। আকাশ থেকে যখন বড় বড় বৃষ্টির ফোঁটা পড়ে তখন ভালোবাসার ধূলিকণা হেসে বলে- আমি তো ঐশ্বরিক। পৃথিবীতে নেমে এসেছি বিধাতার কল্যাণ এবং ক্ষমা হয়ে।
২। মানুষের হাসি মুখ দেখতে আমার খুব ভালো লাগে।
আগামীকাল ঢাকা শহরের সব মেয়ে শাড়ি পড়বে। যেন চারিদিকে শুধু হলুদ প্রজাপতির ছোঁটাছুটি। অবশ্যই সবাইকে খুব সুন্দর লাগবে। কেউ কেউ আবার মাথায় ফুল দিয়ে বানানো মুকুট পড়বে। মেয়ে গুলো তার প্রিয় মানুষের সাথে হাঁটবে, হাত ধরে হাটবে। রিকশায় করে ঘুরবে- গল্প করবে। সবার মুখে এক আকাশ হাসি আর আনন্দ দেখা যাবে।
আমাদের সবার'ই দুঃখ-কষ্টের শেষ নেই। আমরা প্রতিদিন রোদে পুড়ি, বৃষ্টিতে ভিজি, ধুলো-বালিতে সারা শরীর মাখি, ঘন্টার পর ঘন্টা জ্যামে বসে থাকি, প্রতিদিন বেশ কয়েকবার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অপমানের ভেতর দিয়েও যেতে হয়। চারপাশে দুষ্ট লোকের অভাব নেই।
দরিদ্র একটা দেশে, বিশেষ একটা দিনে সবাই আনন্দ করছে। সবার মুখে হাসি- এটা আমার কাছে অনেক বড় একটা প্রাপ্তি।
৩। "ধর্ম" থেকে "কর্ম" বেশি মহত্বপূর্ণ।
"ধর্ম" করে ভগবানের থেকে চাইতে হয়, আর
"কর্ম" করলে ভগবান কে নিজের থেকেই দিতে হয়।
৪। মুখে জয়বাংলা,অন্তরে সাঈদি,হৃদয়ে পাকিস্তান, প্রোফাইলে হযরত শেখ হাসিনার ছবি, আজহারী অদ্ভুত এক আজব জীব তৈরি করে চলে গেছে মালয়েশিয়া!
৫। ট্রপি হাতে বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক

৬। ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধর্মকে ঝাঁ চকচকে ভবনের মতো উপস্থাপন করে। কিন্তু চকচকে থাকার স্থায়িত্ব কম। এটা তাঁরা বোঝেন না।
৭। ভালো বই বাছাই করার জন্য বাংলা একাডেমি'র একটি বই বাছাই কমিটি থাকতো, প্রতি বছর প্রতি সপ্তাহে সেই কমিটি প্রেস কনফারেন্স করে ভালো বইয়ের তালিকা প্রকাশ করতো, তাহলে গণহারে বই প্রকাশের ঝুঁকি যেমন কমতো, তেমনি পাঠক অখাদ্য বই কিনে ঠকতো না। কিন্তু বাংলা একাডেমি আয়োজকের ভূমিকায় বসে আছে। তারা মাতুব্বরি করতে পছন্দ করে। সারা বছর একাডেমিতে কোনো গবেষণা হয় না। এরা এগারো মাস নাকে তেল দিয়ে ঘুমায় আর ফেব্রুয়ারি মাসে তর্জন গর্জন করে।
রেজা ঘটকের প্রস্তাব।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


