
১। পতির সব দোষই নিবরে সহ্য করবে পত্নী কিন্তু পত্নীর কোন দোষ করা যাবে না। পতির পরস্ত্রীতে আসক্ত হওয়াটা কোন দোষের নয়। মনু তার অপর এক বিধানে বলেছেন পতির মৃত্যুর পর পত্নীর পুনরায় বিয়ে করা যাবে না। কিন্তু পত্নীর মৃত্যু হলে দাহ ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শেষে পুরুষ পুনরায় বিয়ে করতে পারবে। পুরুষ তার অতিক্রিয়া নিবৃত্ত করার জন্য পুনরায় বিয়ে করতে পারবে কিন্তু যে মেয়ের স্বামী বিবাহের রাতে কিংবা বিবাহের দু'তিন মাসের মধ্যে মারা যায়; সেই মেয়েকে কেন সারাটি জীবন বিধবা সেজে থাকতে হবে? মনুর বিধানে মেয়েদের অতিক্রিয়ার কি কোনই মূল্য নাই?
২। নবী করিম সাঃ নামাজকে আরোগ্যদানকারী হিসেবে অভিহিত করেছেন।
যদি আমরা শুদ্ধ নিয়মে নামাজ আদায় করি তাহলে আমাদের শরীরের প্রতিটি অঙ্গেরই মুভমেন্ট হয়। ফলে রক্তসঞ্চালনও সুন্দরভাবে চলতে থাকে।
নবীজী মেহেদিকে মাথাব্যথার প্রতিষেধক বলেছেন।
সূরা নাহলে মধুকে শেফাদানকারী ঘোষণা করা হয়েছে। আর নবীজীরও নির্দেশ, ‘যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিন দিন সকাল বেলায় মধু সেবন করবে তার কোনো কঠিন ব্যাধি হবে না। হাদিসে কালোজিরা সর্বরোগের ওষুধ বলা হয়েছে। অপর দিকে কালোজিরা বিভিন্ন ঠাণ্ডা জাতীয় ব্যাধির ওষুধ ছাড়াও যকৃৎ, পাকস্থলী, মূত্রাশয়ের শক্তিবর্ধক। মহানবী সাঃ বলেছেন, ‘যখন রোগ যন্ত্রণা খুব কষ্টদায়ক হয় তখন এক চিমটি কালোজিরা, অতঃপর পানি ও মধু সেবন করবে।
হাদিস ও ইতিহাস বিশ্লেষকদের মতে নবীজীর প্রিয় খাবারের তালিকায় ছিল- তরমুজ, মধু, লাউ, দুধ, যাইতুন, খেজুর, ভুনা গোশত, পাখির গোশত, মাছ আর তিনি অত্যধিক গরম ও বাসি খাবার এড়িয়ে চলতেন। তিন দুধ ও মাছ যেমন কখনো একসঙ্গে খেতেন না, তেমনি দু’টি গরম, দু’টি ঠাণ্ডা, নরম বা আঠালো জিনিসও একসাথে খেতেন না। নবীজী আমাদের ক্ষুধার সাথে সামঞ্জস্যশীল এবং পরিমিত আহারেরও পরামর্শ দিয়েছেন।
৩। শেষ কবে আপনি বাংলাদেশের মানচিত্রের দিকে তাকিয়েছেন?
৪। বই ধার করে পড়া পাঠক, প্রকৃত পাঠক নয়।
৫। নিজের ফুলদানীতে যারা পৃথিবীর সব ফুলকে আঁটাতে চায় তারা মুদি, কবি নয়। কবির কাজ ফুল ফুটিয়ে যাওয়া তার চলার পথে পথে। সে ফুল কাকে গন্ধ দিলো, কার খোঁপায় বা ফুলদানীতে উঠলো তা দেখা তার কাজ নয়।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




