
বিরানী খেতে গিয়েছিলাম পুরান ঢাকায় আজ।
বাসার কাউকে বলি নাই। চুপি চুপি চলে গিয়েছি। গতকাল বাসায় পোলাউ , রোস্ট, গরুর মাংস রান্না করেছিলো। খেয়ে আরাম পাই নি। তাই আজ পুরান ঢাকায় গেলাম বিরানী খেতে। দুপুরে সুরভি চিংড়ি মাছ আলু দিয়ে রান্না করেছে। পাঙ্গাশ মাছ ভূনা করেছে। আলু ভর্তা, ডাল আর পুইশাক ছিলো সাথে। হঠাত এসব খেতে ইচ্ছা করলো না। ইচ্ছা মতো বিরানী খেলাম। সাথে স্প্রাইট। ভালোই লাগলো। তবে সাথে আরেকজন থাকলে ভালো লাগতো। নাজিমউদ্দিন রোড থেকে হেঁটে হেঁটে দোয়েল চত্ত্বর এলাম। সেখান থেকে রিকশা নিয়ে বাসায় ফিরলাম। কিছু ছবি তুললাম। সেই ছবি গুলো নিয়েই আজকের ছবি ব্লগ। অনেকদিন ছবি ব্লগ দেই না।
একটা সাইকেল কেনার স্বাদ জেগেছে মনে। তাহলে হুটহাট এদিক সেদিক চলে যেতে পারব। স্কুলে পড়ার সময় আমার একটা সাইকেল ছিলো। সাইকেলটা দ্রুত কিনে ফেলতে হবে। না কেনা পর্যন্ত শান্তি পাবো না। একটা কিছু মনে এলে ওটা আমাকে করতেই হয়। না করা পর্যন্ত শান্তি পাই না।
১।

দোয়েল চত্ত্বর মনে হয় এরশাদ সাহেব করেছিলেন।
২।

ভ্যানে করে ঘাস নিয়ে কোথায় যাচ্ছে!
৩।

বাচ্চা মেয়েটা ভ্যানের উপর দাড়িয়েছে কেন, কে জানে!
৪।

পুরান ঢাকার একটা ছোট্র দোতলা বাড়ি।
৫।

রাজা রানী।
৬।

নাজিম উদ্দিন রোড।
৭।

এই ছবিটা খিলগাও এর। মাঝে মাঝে আমি এখানে এসে দাড়াই। খুব বাতাস এখানে। ঠান্ডা বাতাস।
৮।

বার্ন হাসপাতাল। সম্ভবত এশিয়ার সবচেয়ে বড়। আমাদের শেখ হাসিনা বানিয়েছেন।
৯।

খিলগাও, চৌরাস্তা।
১০।

শপিং মল গুলোতে বেচা কেনা নেই।
১১।

খুব পুরোনো মসজিদ।
১২।

চিপার মধ্যে একটুখানি দোকান।
১৩।

ওই যে শিক্ষা ভবন দেখা যাচ্ছে।
১৪।

শিশু একাডেমির সামনে।
১৫।

মেট্রোরেলের কাজ কি এখন বন্ধ?
১৬।

এটা মসজিদ নয় লাইব্রেরী।
১৭।

১৮।

মসজিদ।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুলাই, ২০২০ রাত ১২:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




