
১। ঘরে শুয়ে বসে থাকতে থাকতে ফর্সা হয়ে যাচ্ছি, মোটা হয়ে যাচ্ছি। দাড়ি কামাচ্ছি না। ভাবছি রেখে দিব। মায়া পড়ে গেছে। কপালে লেখাই ছিলো- জমিদারের মতো জীবন কাটাবো। খাচ্ছি দাচ্ছি ঘুমোচ্ছি। কোমোরে একটা তরোয়াল গুজা শুধু বাকি। আপনারা সবাই ভালো আছেন তো? আওয়াজ দেন।
২। আধুনিক মানুষ যন্ত্রনির্ভর হয়ে গেছে। মানুষ যেমন যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করছে, যন্ত্রও মানুষ নিয়ন্ত্রণ করছে।
৩। খুব ভোরে আমার ঘুম ভেঙে যায়, ফজরের নামাজ পড়ে হাঁটতে বের হই। টানা তিন মাইল হাঁটি। এই কারণে আমার কোনো অসুখ বিসুখ হয় না।
৪। শেষ কবে আপনি বাংলাদেশের মানচিত্রের দিকে তাকিয়েছেন? ভারত প্রীতি বা ভারত বিদ্বেষ এই দুটোই কিন্তু মানচিত্রের মাঝে আছে। সমস্যা একদিনের না। এটি রবীন্দ্রনাথের আমল থেকে শুরু।
৫। নবী করিম (সা.) নামাজকে আরোগ্যদানকারী হিসেবে অভিহিত করেছেন। যদি আমরা শুদ্ধ নিয়মে নামাজ আদায় করি তাহলে আমাদের শরীরের প্রতিটি অঙ্গেরই মুভমেন্ট হয়। ফলে রক্তসঞ্চালনও সুন্দরভাবে চলতে থাকে। নবীজী মেহেদিকে মাথা ব্যথার প্রতিষেধক বলেছেন।সূরা নাহলে মধুকে শেফা দানকারী ঘোষণা করা হয়েছে। নবীজীর নির্দেশ, ‘যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিন দিন সকাল বেলায় মধু সেবন করবে তার কোনো কঠিন ব্যাধি হবে না। হাদিসে কালোজিরা সর্বরোগের ওষুধ বলা হয়েছে। অপর দিকে কালোজিরা বিভিন্ন ঠাণ্ডা জাতীয় ব্যাধির ওষুধ ছাড়াও যকৃৎ, পাকস্থলী, মূত্রাশয়ের শক্তিবর্ধক। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যখন রোগ যন্ত্রণা খুব কষ্টদায়ক হয় তখন এক চিমটি কালোজিরা, অতঃপর পানি ও মধু সেবন করবে।
৬। খারাপ সময়ে যাদের কাছে পাওয়া জায়না, সুখের সময়ে তাদের থেকে দূরে থাকাই ভাল। হোক সে বন্ধু, আত্মীয়স্বজন, মা, ভাই, সন্তান বা স্ত্রী!
৭। নোংরা মনের মানুষগুলো আপনার সাথে কোনভাবেই পেরে না উঠলে- শেষে আপনার নামে জনে জনে কুৎসা রটানো শুরু করবে!
আর ওটাই তাদের শেষ অস্ত্র!
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




