
১। মাইন্ডহান্টারস (MindHunters)
জন এজেন্টকে ট্রেনিং এর জন্য এফ.বি.আই একটি জনমানব শুন্য দ্বীপে পাঠায়। তবে সেখানে একটি নির্দিস্ট সময় পর পর একজন করে এজেন্ট খুন হতে থাকে। খুনি কে? তাদের মধ্যে কেউ নাকি এখানে কেউ আগে থেকেই আছে। মুভিতে আপনার যাকে খুনি মনে হবে দেখা যাবে একটু পর সেই খুন হয়ে গেছে। মুভি টা তাই শেষ করেও আরো একবার দেখতে হতে পারে। অসাধারন একটা ক্রাইম থ্রিলার।
২। এলিয়েন (Alien)
এলিয়েন মূলত সায়েন্স ফিকশনধর্মী হলেও কাহিনীর জন্য এটিকে ‘সায়েন্স ফিকশন হরর ফিল্ম’ বলা হয়। সর্বকালের সেরা সায়েন্স ফিকশনের তালিকায় স্থান করে নেওয়া সিনেমা ‘এলিয়েন’ নির্মিত হয়েছে সুদূর ভবিষ্যতের কল্পকাহিনী নিয়ে; একটি বাণিজ্যিক স্পেসশিপ ‘থিডাস’ গ্রহ থেকে কয়েক টন খনিজ পদার্থ নিয়ে রওনা দেয় পৃথিবীর উদ্দেশ্যে। এরই মধ্যে পার্শ্ববর্তী একটি সৌর মণ্ডল থেকে তাদের রাডারে অপরিচিত অদ্ভুত বার্তা ধরা পড়ে। তখন স্পেসশিপটিকে পৃথিবী থেকে নির্দেশ পাঠানো হয় ঐ সৌরমণ্ডলে অবতরণ করার জন্য। আর ওখানে অবতরণ করার পর থেকে শুরু হয় একের পর এক ঘটনা। ‘এলিয়েন’ ছিল সত্তর দশকের অন্যতম সেরা ‘স্পেশাল ইফেক্ট’ সম্বলিত সিনেমা।
৩। দি রিডার (The Reader)
কেন উইনস্লেট একজন মধ্যবয়সী নারী। জার্মানিতে ট্রাম কন্ডাক্টার। ১৬ বছরের মাইকেল তার প্রেমে পড়ে। শারিরীক প্রেম। ছবির প্রথম আধাঘণ্টা খালি দুইজনের প্রেম। মানে খালি কাপড় খোলাখুলি। কেট এই ব্যাপারে বেশ দক্ষ অনেকদিন ধরেই। কিন্তু মুভিতে মন খারাপ করার উপাদানও রয়েছে। বাঙ্গালীর প্রথম কেট দর্শন টাইটানিক মুভির মাধ্যমে।
দি রিডার মুভিটির কাহিনী নেয়া হয়েছে জনপ্রিয় উপন্যাস দি রিডার থেকে। এ উপন্যাসটির লেখক জার্মান আইন বিষয়ক অধ্যাপক এবং বিচারক বেনহার্ড শলিঙ্ক। বইটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে। মুভিটির কাহিনী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও এর পরবর্তী সময়কে ঘিরে। ১৯৫৮ সালে পনের বছরের এক স্কুল বালক মাইকেল বার্গ। ঘটনাক্রমে মাইকেল প্রেমে পড়ে যায় ৩৬ বছর বয়সী এক ট্রাম কন্ডাক্টরের। মাইকেল প্রায় প্রতিদিনই হান্নার কাছে যায় । অক্ষরজ্ঞানহীন হান্নাকে বিভিন্ন উপন্যাস পড়ে শোনায় সে। এর মধ্যে আছে দি ওডেসি, দি লেডি উইথ দি লিটল ডগ, দি হাকলবেরি ফিন ইত্যাদি। কিন্তু হঠাৎ একদিন হারিয়ে যায় হান্না।
সিনেমাটিতে যৌনতার ব্যবহার গল্পের উদ্দেশ্য ব্যহত করেছে। বিশেষ করে অপ্রাপ্তবয়স্কের সাথে মিলনের দৃশ্যগুলো বিস্তারিত দেখাবার খুব প্রয়োজন ছিল না।
৪। লিভিং লাস ভেগাস (Leaving Las Vegas)
এই মুভি বার বার দেখা যায় কেবলমাত্র নিকোলাস কেজের জন্য। অসাধারণ অভিনয়। মুভিতেও নায়ক সারাক্ষন মদ খেতে থাকে। কেন? এর উত্তর কখনোই পাওয়া যায় না। এবং সবচে বড় সার্থকতা হলো, পুরো সিনেমায় এই প্রশ্নটাই কখনো উঠেনি। যেন নায়কের মদ খাওয়াটাই স্বাভাবিক।
৫। দ্য গার্ল নেক্সট ডোর (The girl next door)
মুভির কাহিনী গড়ে উঠেছে ম্যাথু কিডম্যান নামের এক তরুনকে নিয়ে। হাইস্কুলের এই মেধাবী তরুনের স্বপ্ন পলিটিশিয়ান হওয়া। স্কলারশিপ নিয়ে জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। কিন্তু এরই মধ্যে তার পাশের বাসায় এক সুন্দরী মেয়ের আগমন হয়। তারপর যাকে বলে প্রথম দেখাতেই প্রেম। ক্লাশ বাদ দিয়ে তাকে নিয়েই ডেটিং। কিন্তু এরই মাঝে পাল্টে যায় সব কিছু যখন সে জানতে পারে তার প্রেমিকা আসলে একজন পর্নস্টার ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ম্যাথু বুঝতে পারে আসলে দানিয়েলকে (তরুণীর নাম) সে সত্যিকার অর্থেই ভালোবাসে। তার পর্নস্টার পরিচয় এর জন্য কোনো বাধা নয়। কিন্তু দানিয়েল এখন আর ম্যাথুর সাথে থাকতে চায় না। তার কাছে মনে হয় ম্যাথু তার এই পরিচয় জানার পর শুধুই তাকে দৈহিক ভাবে কামনা করে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মে, ২০২১ রাত ১২:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




