
কেমন কাটছে আপনাদের ঈদের দিন।
করোনার মধ্যে ঈদের আনন্দ কেমন পানসে হয়ে গেছে, তাই না? আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে যাওয়া বন্ধ। কোথাও বেড়াতে যাওয়া সম্ভব না। ঘরের মধ্যে বন্ধী। একটুও ভাল লাগে না। গত বছরটাও এরকম গেছে। আগামী বছরও কি এরকম যাবে? আল্লাহ আমাদের এ কেমন শাস্তি দিচ্ছেন? আল্লাহ মাফ করো গো।
আমি আছি খাওয়া-দাওয়ার মধ্যে।
এই রোষ্ট খাচ্ছি। এই খিচুরি খাচ্ছি। এই পোলাউ খাচ্ছি। এই সেমাই খাচ্ছি। এই চটপটি খাচ্ছি। এই কোক খাচ্ছি। গরুর মাংস খাচ্ছি। আর একটু পরপর ছাদে গিয়ে সিগারেট টানছি। আমি ঠিক করেছি এখন থেকে প্রচুর খাব। কারন, আমার ধারনা- একবার শরীর অসুস্থ হলে ডাক্তার আমার সব খাওয়া বন্ধ করে দিবেন। তাই এখন ইচ্ছা মতো খেয়ে নিবো।
ঈদ মোবারক ব্লগারস!
নিরাপদ থেকে যতটা ঈদ আনন্দ করা যায় ততই মঙ্গল। ধরণীতে সুখ নামুক ঈদের ছোঁয়ায়। করোনা মহামারীতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করুন। সকলের ঈদ আনন্দে কাটুক। ঈদ মুবারক! ঈদের শুভেচ্ছা জানাই সকলে। সুস্থ থাকুন, ভাল থাকুন, পরিবারের সবাইকে নিয়ে আনন্দে থাকুন। দেশে-বিদেশে অবস্থানরত সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদের আনন্দ সবাই ভাগ করে নিই। চারিদিক থেকে শুধু ঈদের সুস্বাদু রান্নার ঘ্রাণ আসছে!
আমার কন্যা ফারাজা তাবাসসুম খান ফাইহা-
তাঁর জীবনের প্রথম ঈদ। ফাইহাকে নিয়ে বেশ আনন্দেই ঈদ পালন করছি। তবে টেবিলে নানান রকম খাবার সাজানো। ফাইহা কিছুই খেতে পারছে না। বেচারি খাবারের দিকে তাকিয়ে থাকে! এদিকে প্রথম বারের মতো আব্বাকে ছাড়া ঈদ করছি। আব্বা নেই। আব্বার কথা খুব মনে পড়ছে। ঈদের দিন আব্বা সাদা পাঞ্জাবি পড়তো। আমাকে অনেক গুলো নতুন টাকা দিতো।
সুরভি আমাকে ডাকছে। যাই।
একটু পায়েস খেয়ে আসি। ভাবীকে বললাম, চা দিতে এখনও দেয়নি। আজিব! মার কাছ থেকে কিছু টাকা নিতে হবে ভুজুং বাজুং দিয়ে। গত কয়েকদিন পকেটে অনেক টাকাই ছিলো, কিভাবে-কিভাবে যেন সব খরচ হয়ে গেছে। টাকা আমার পকেটে থাকতেই চায় না। আজিব! যাই হোক, আপনারা ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন। ইচ্ছে মতো খাওয়া দাওয়া করুন।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মে, ২০২১ দুপুর ১:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




