
Picasso (পিকাসো) বিখ্যাত স্পেনিশ চিত্রকর ও ভাস্কর যিনি পাবলো পিকাসো নামে সারা বিশ্বে পরিচিত ছিলেন। যে কোনো কল্পনাকেই তিনি জীবিত ফুটিয়ে তুলতেন তার নিপুন হাতের তুলির সাহায্যে। তার অশ্রান্ত ও অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল দুই হাজারেরও অধিক চিত্রশিল্প। আজও অবধি বিশ্বের বিভিন্ন জাদুঘরে নিদর্শন হিসাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। রাজনৈতিকভাবে পিকাসো ছিলেন একজন শান্তিবাদী এবং সাম্যবাদী। পিকাসো তার জীবদ্দশায় ২০ হাজারের অধিক শিল্পকর্ম সৃষ্টি করে গেছেন।
পাঁচ-ছ’বছর থেকেই অসম্ভব ভাল ড্রইং করতেন পিকাসো।
ওই বয়সের বাচ্চাদের মতো কাঁচা হাতের টান নয়, সাবলীল টানে আঁকা পায়রাদের ছোট ছোট ছবিতে সেনসিটিভ গড়ন ও ভঙ্গি স্পষ্ট। পিকাসো নিজেও বলতেন, ছোটবেলায় তিনি ওল্ড মাস্টারদের মতো আঁকতেন। আর বড় হয়ে শিশুদের মতো। পাবলো পিকাসোর জন্ম ১৮৮১ সালের ২৫ অক্টোবর স্পেনের শহর মালাগায়। পিকাসোর শিল্পী হওয়ার পেছনে তার বাবার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। কারণ পিকাসোর বাবাও একজন চিত্রকর ছিলেন। এই শিল্পীর বিখ্যাত শিল্পকর্মের মধ্যে কয়েকটি হলো- টু নুডস, থ্রি মুজিশিয়ানস্, মডেল অ্যান্ড ফিশবৌল, গুয়ের্নিকা ইত্যাদি।
রাত দশটা-এগারোটা থেকে আঁকা শুরু করতেন তিনি।
চলত সারা রাত। একের পর এক অসাধারণ সৃষ্টি করে গিয়েছেন। অন্য কোনও শিল্পী পাবলো পিকাসোকে শিল্পে তাঁর জায়গা থেকে সরাতে পেরেছেন। ৯১ বছর বয়সে মারা যান পাবলো পিকাসো। পিকাসো বলেছিলেন, চিত্রশিল্প হলো এমন এক মিথ্যা, যা আমাদের সত্যিকে উপলব্ধি করতে শেখায়। একদিন চার্লি চ্যাপলিন গেলেন পিকাসোর সঙ্গে দেখা করতে। বললেন, ‘আপনি কী করে ছবি আঁকেন, দেখতে এলাম।’ পিকাসো সাদরে অভ্যর্থনা জানিয়ে চার্লি চ্যাপলিনকে নিয়ে গেলেন তার স্টুডিওর মধ্যে। সেখানে তিনি একটা ছবি আঁকতে ব্যস্ত ছিলেন। চ্যাপলিন দাঁড়িয়ে আছেন আর পিকাসো নিমগ্ন হয়ে ছবি আঁকছেন।
১।

২।

৩।

৪।

এটি স্পেনীয় গৃহযুদ্ধের সময় এপ্রিল ২৬, ১৯৩৮ সালে স্পেনীয় জাতীয়তাবাদী বাহিনীর নির্দেশে জার্মান এবং ইতালীয় বিমান বাহিনী কর্তৃক উত্তর স্পেনের বাস্ক কান্ট্রি গ্রাম গুয়ের্নিকায় বোমাবর্ষণের প্রতিক্রিয়ায় প্রকাশ হিসেবে তৈরি হয়েছে। ছবিটি নিয়ে এখনো গবেষণা হচ্ছে এবং নতুন নতুন তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মে, ২০২১ রাত ৩:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



