somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

হিজিবিজি হিজিবিজি

০৩ রা জুন, ২০২১ বিকাল ৩:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমি রাজনীতি করি না।
বন্ধু নিয়ে রাস্তার পাশের চায়ের দোকানে আড্ডা দেই না। রাস্তায় চলাফেরা করার সময় কোনো মেয়ের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকি না।কাউকে বাজে পরামর্শ দেই না। কারো আনন্দ দেখে হিংসা করি না। একাএকা আপন মনে থাকি। বই পড়ি, টিভি দেখি, ব্লগিং করি। হাতে কাজ থাকলে কাজ করি। নিজেকে আমার বয়সের চেয়ে বড় ভাবতে ভালো লাগে। কেউ জিজ্ঞেস করলে বলি- চল্লিশ বছর আমার। অনেকদিন সেভ না করাতে, এখন নিজেকে মুরুব্বি মুরুব্বি মনে হয়। ছোট ছোট বাচ্চারা আংকেল বলে ডাকে। বয়সের সাথে আমার আচরনের কোনো মিল খুঁজে পাই না। তুলা রাশি আমার, তাই আবেগটা একটু বেশী। আমি খুব দ্রুত রেগে যাই এবং বিরক্ত হই। আমি খুব লক্ষ্য করে দেখেছি- রাস্তায় এলোমেলো ভাবে হাঁটলে- রাগ কমতে থাকে।

আমি সাধারনত সিনেমা-নাটক খুব একটা দেখি না।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফী আমার প্রিয় চ্যানেল। সেদিন নীলা বলল- কলকাতার মুভি 'বোঝে না সে বোঝে না' দেখ। তার কথা মত মুভিটা দেখলাম। বোরিং লাগে নি। এই ছবির তামিল ভার্সনটা একদিন কিছুটা দেখেছিলাম। এই ছবিটা সম্পর্কে বলতে গেলে- বলতে হয়, ইনস্পিরেশন আর ট্রিবিউটের মধ্যে তফাতটা কোথায়? ইনস্পিরেশনে আপনি অন্যের সৃষ্টি থেকে একটা আদল নিয়ে সেটাকে নিজের মতো করে ব্যবহার করেন! আর ট্রিবিউট মানেটা এখন দাঁড়িয়েছে, কোটেশন উইদাউট কোটেশন মার্কস! ঠিক এই রকম করেই রিমেক কথাটারও দু’রকম অর্থ হয়। একটা স্রেফ টুকলিফাই, অন্যটা পুনর্নির্মাণ। দক্ষিণের একটা ছবি স্রেফ বাংলা নামধাম বসিয়ে ছেড়ে দেওয়া নয়।

ছবির কাহিনীটা একটু বলি-
একটা বাস অ্যাক্সিডেন্ট। আর দু’টো প্রেমের গল্প। আর তাদের ঘিরে থাকা আরও অজস্র মুখ। সবাই-ই খুব ভালো অভিনয় করেছেন। ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের সুরে গান গুলো ভালই লেগেছে। তবে ছবির দৈর্ঘ্য মিনিট পনেরো কম হলে ভাল হত। আর বাসের বাকি চরিত্রদের মধ্যে এক দম্পতি আর এক প্রেম হব-হব যুগলের ব্যাপারটা একটু বোরিং। বাড়ির ছাদে কাপড় শুকোনো হয়, নায়ক লুঙ্গি পরে দাঁত ব্রাশ করে, আবার প্রেমিকার তাড়া খেয়ে আধুনিক দোকানে জামাকাপড় কিনতেও যায়, ক্যাফেটেরিয়ায় গল্প করতেও বসে। থ্যাঙ্ক ইউ, পরিচালক রাজ চক্রবর্তী! সব কিছু মিলিয়ে ছবিটা ভালো লেগেছে। এটাই বড় কথা। যারা মুভিটি দেখেননি তারা দেখতে পারেন।

সামু ব্লগটা আমার অনেক প্রিয়।
আমি নিয়মিত সামুতে লিখি। অনেক বছর হয়ে গেছে। সেদিন ফেসবুকে একটা লেখা পোষ্ট করেছিলাম, সেটা নিয়ে অনেকে আমাকে বাজে মন্তব্য করেছেন। সেই লেখাই আমি সামুতে দিয়েছি কেউ বাজে মন্তব্য করেনি। লেখাটির নাম হচ্ছে- 'আধুনিকতার নামে চলছে বেহায়াপনা'। আসলে কয়েকটা দুষ্ট ব্লগারের জন্য ব্লগের বদনাম হয়। দুঃখের বিষয় হচ্ছে- ব্লগ থেকে তাদের ব্যান করা হয় না। 'আমার ব্লগ' এ দেখেছি- অকথ্য ভাষায় গালা-গালি চলছে। তবে সামুকে অনেক হিংসা করা হয়। মাঝে মাঝে মনে হয়- ব্লগের মধ্যেও দল ঢুকে গেছে। কথায় বলে না- একটা কানী বক সারা বিল নষ্ট করে দেয়। একজন ব্লগার'ও ঠিক এই রকম।

স্বপ্নে দেখলাম, এক মেয়ে আমাকে বলছে- কলিজা খাবে?
জ্যান্ত মানুষের কলিজা? অনেক স্বাদ। কলিজা হচ্ছে জমাট রক্ত। আমি বললাম- খাবো না। মেয়েটি রেগে গিয়ে বলল- খাবি না ক্যান, খেতেই হবে। মেয়েটি আমাকে নিয়ে একটি ঘরে গেল। সেই ঘরে অনেক মানুষ। প্রতিটা মানুষকে বেঁধে রাখা হয়েছে। মেয়েটি বলল- বেছে নে, কার কলিজা খাবি। ভয়ে আমার হাত পা কাঁপছে। মেয়েটি আমার সামনেই একজনের বুকের মধ্যে ছুরি চালিয়ে কলিজা বের করে আনল। কলিজাটা কাঁটা মুরগীর মতন লাফাচ্ছে। মেয়েটি আমার মুখের কাছে কলিজাটা ধরে বলছে- খা। তারপর মেয়েটি পটাপট তিন কামড় দিয়ে অনেকখানি কলিজা খেয়ে নিল। মেয়েটির ঠোঁট গড়িয়ে টপ টপ করে রক্ত পড়ছে।

আমি কিছুই লিখতে জানি না।
কিন্তু এমন ভাব নেই- যেন আমি অনেক পাকনা লেখক। অনেক সময় মানুষ আমার ভাব দেখে ভড়কে যায়। অন্তত আমি তো জানি, আমার লেখা মানেই ফালতু এবং সস্তা। কিন্তু হাতে গোনা কিছু মানুষ আমার লেখা অনেক পছন্দ করে। আমি মনে করি যারা আমার লেখা পছন্দ করে- তারা অবশ্যই বোকা। বুদ্ধিমানরা সস্তা লেখা পড়ে না। আসলে কিছু মানুষ যা দেখে তাতেই মুগ্ধ হয়। আফসোস, এত মুগ্ধতা নিয়ে আমি যদি জন্মাতে পারতাম! যাই হোক, এই মুহুর্তে একটি বড় মাত্রার ভুমিকম্প হলে ঢাকা শহরের অবস্থা কি হবে? সারা ঢাকা শহর পুরোটা এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হবে। হে আল্লাহ- আমি জানি তুমি এত নিষ্ঠুর কোনো দিনও হবে না। আমাদের দেশটাকে আমরা অনেক দূর নিয়ে যাব। আমাদের আছে- ৩৬ কোটি চোখ। ৩৭ কোটি হাত ।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুন, ২০২১ বিকাল ৩:৪৮
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×