somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

আপনি কি চান? মসজিদ না টিকা?

১১ ই জুন, ২০২১ রাত ১২:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



বাংলাদেশে মসজিদের অভাব ছিলো কখনো?
দেশে চাকরির অভাব। টোকাইদের থাকা-খাওয়ার অভাব। পাবলিক টয়লেটের অভাব। ভাল চিকিৎসার অভাব। কিন্তু মসজিদের অভাব আমাদের নেই। আমি বলব, সরকারের অনেক অকাজের মধ্যে এটা হয়েছে সবচেয়ে বড় অকাজ। সরকারের ভাল কাজ হলো পদ্মাসেতু আর মেট্রোরেল। এত টাকা খরচ করে মসজিদ বানানোর কোনো মানে হয় না। বিলাসিতা আমাদের মানায় না। আমরা দরিদ্র। নামাজ তো মানুষ ঘরেও পড়তে পারে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ সরকারী টাকায় মসজিদ বানায় নাই।
মসজিদ হয় সব সময় দানের টাকায়। টিকা না কিনে মসজিদের পেছনে টাকা খরচ করাটা সরকারের বোকামো হয়েছে। বাংলাদেশে অনেক মসজিদ- কিন্তু মুসল্লীর অভাব। এসব মসজিদে যে 'চিল্লা' নাম দিয়ে জঙ্গি তৈরি হবে না- সেই গ্যারান্টি কে দিবে? তাছাড়া ঢাকা সহ সারা দেশেই যথেষ্ঠ পরিমানে মসজিদ রয়েছে। শুক্রবার ছাড়া মসজিদ খালি পড়ে থাকে। মসজিদের পেছনে সরকার যে টাকা খরচ করেছে তাতে এক লাখ বেকারের জন্য কাজের ব্যবস্থা করা যেত। পাঁচ লাখ টোকাইদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা যেত। গার্মেন্টসের মেয়েদের করোনা কালে সহযোগিতা করা যেত।

এভাবে জাতির টাকা পানিতে ফেলা ঠিক না।
দরিদ্র দেশ আমাদের। সরকার মসজিদ বানিয়ে সে টাকা জলে ফেলছে। লাখ লাখ মানুষ প্রতিদিন শহরের রাস্তায় ঘুমায়, ওদের পড়ালেখা নেই, চিকিৎসা নেই, কিছুই নেই, টাকা ওদের জন্য খরচ করলে ভাল হতো। আপনার গ্রামের মানুষের নামাজের জন্য যায়গা সংকুলান না হলে, তাদের আয় থেকে তারা মসজিদের ব্যবস্থা করবে, এটাই নিয়ম। বহু গ্রামে পারিবারিক জায়গায় নিজস্ব মসজিদ দেখেছি। এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। স্বনির্ভর হচ্ছে বাংলাদেশ! ভাবতেই ভালো লাগছে। তবে মানুষের জীবন প্রথম, তারপর প্রার্থনা। মানুষ খেয়েপরে বেঁচে না থাকলে প্রার্থনা কে করবে?

আমাদের এলাকায় ৪/৫ টা মসজিদ।
সব গুলো মসজিদ একসাথে আযান দেয়। আমার খুবই বিরক্ত লাগে। একটা মসজিদের আযান ভাল করে শুনতে পারি না। পঞ্চাশ টা এলাকা ঘুরলে একটা লাইব্রেরী খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমাদের দরকার মডেল স্কুল, মডেল ক্লিনিক, মডেল লাইব্রেরী। মডেল শিল্প কারখানা। মসজিদ নয়। মসজিদ, মন্দির করা সরকারের কাজ নয়। বেকারত্ব কমানোই সবচেয়ে বড় ইবাদত। জনগণের দরকার চাকুরী, টোকাইদের জন্য দরকার থাকার যায়গা ও পড়ালেখার খরচ। সব মানুষের জন্য দরকার টিকা। এলাকা ভিত্তিক শরীর চর্চাকেন্দ্র, পাঠাগার, বৃদ্ধাশ্রম, লংগরখানা, শিশু বিনোদন কেন্দ্র ইত্যাদি প্রতিষ্ঠার মাধ্যম শক্তিশালী জাতি গঠন করা যেত।

বাংলাদেশে প্রয়োজনের চেয়ে মসজিদ অনেক বেশী।
পাকিস্তানকে সৌদীরা সব সময় টাকা দিয়েছে মসজিদ, মক্তব ও মাদ্রাসা করতে। স্কুল করতে টাকা দেয়নি; ফলাফল, পাকিস্তান এখন জংগীস্তান। একজন বললেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর এটি সেরা কাজ। এতে বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মা শান্তি পাবে। দেশবাসীর পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর জন্য এটি সদকায়ে জারিয়া। আল্লাহ এই মসজিদের উসিলায় বঙ্গবন্ধুকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।
ধর্ম হচ্ছে অপ্রয়োজনীয় আড্ডা, প্রয়োজনীয় কাজ হলো মানুষের অধিকার রক্ষা করা। এখন হিন্দুরা বলবে আমরা মন্দির চাই।

(তথ্যসুত্রঃ শ্রদ্ধ্যেয় ব্লগার চাঁদগাজী বাংলাদেশে মসজিদের অভাব ছিলো কখনো? নামে আজ একটি পোষ্ট দিয়েছেন। সেই পোষ্ট চুরী করে, কপি পেস্ট করে এই পোষ্টটি তৈরি করেছি। এখন এই পোষ্ট নিজের নামে চালিয়ে দিবো। পুরোনো অভ্যাস। চাঁদগাজী অন্য সবার মতো না। তিনি মোটেও এই বিষয় নিয়ে হাউকাউ করবেন না। কারন তিনি উন্নত মানুষ।)
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০২১ রাত ১২:১৭
২৮টি মন্তব্য ২৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যার মুখে মাস্ক নাই, তার সাথে কথা নাই

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৩ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:২৭


ছবিঃ আমার তোলা।

আমার ঘরে একটা খরগোশ আছে।
কাঁচের খরগোশ। দেখতে একদম সত্যিকারের খরগোশের মতোন। বিশেষ করে চোখটা। মাঝে মাঝে আমি নিজেই প্রচন্ড অবাক হয়ে চোখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রবাসে একদিনের ঘটনাপন্জী

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৩ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:৩১



২০১৭ সাল, ট্টাম্প ক্ষমতায় আসার কিছুদিন পর থেকে আমি বেশ লম্বা সময় চোখের সমস্যায় ভুগেছি; সেই শীতে আমি বারবার জ্বরেও ভুগছিলাম; সেই সময়ের একদিনের একটি ছোট ঘটনা:

কয়েকদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

চিরায়ত বাংলার প্রাতঃস্মররনীয় কয়েকজন কিংবদন্তি (২য় পর্ব)

লিখেছেন নূর মোহাম্মদ নূরু, ২৩ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:৪৩


আমাদের স্বাধীনতার পিছনে যেমন হাজার হাজার বলিদান রয়েছে ঠিক তেমনি রয়েছে প্রচুর মানুষের অবদান। কেউ কেউ স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করছে সরাসরি আবার কেউ তার লেখার মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতার জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবিব্লগঃ কমদামী মোবাইল ক্যামেরাতে তোলা ছবি ও ছবির পেছনের গল্প ৩

লিখেছেন অপু তানভীর, ২৩ শে জুলাই, ২০২১ রাত ৯:১৪

ঈদে বাসায় এসেছি । ফিরবো একেবারে লকডাউনের পর । এখানে সব কিছুই ঠিক আছে । কেবল সামুতে ঢুকতে গেলে বিরাট ঝামেলা করতে হয় । প্রোক্সি কিংবা টর দিয়ে ঢুকতে ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

…হিংসা বিদ্বেষ ভুলে —এখনই সময়

লিখেছেন সেলিম আনোয়ার, ২৩ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১০:৫৩



মোদের এই ঈদ আনন্দ উৎসব
ক্রমাগত নিস্তেজ চেতনায় যেন সতেজতা আনে
বিশ্বমানবতার ধ্বজা ধরে
মানবের জয়যাত্রা যেন সুগম করে।

করোনা বিভীষিকায় মনোবল ভেঙে
মুখ থুবড়ে যাতে না পড়ে মনুষ্য পৃথিবী
মানুষ যেন জিতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×