somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

তুমি চাইলেই কোন মন্ত্রীকে আমি, সোজা বলে দেব শালা

২৮ শে মে, ২০২২ রাত ১১:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমার অপবাদের শেষ নেই।
আমার দোষের নেই। ভাইরা বলে, আমি স্বার্থপর। স্ত্রী বলে, আমি বোকা। মা বলে আমি অলস। বন্ধুরাও আমাকে নানান রকম অন্দমন্দ কথা বলে। অনেকে বলে আমি নাস্তিক। অনেকে বলে আমি জাহান্নামী। অনেকে বলে আমি নিজেকে খুব জ্ঞানী ভাবি। কেউ বলে, আমি সকালে এক কথা বলি, বিকেলে আরেক কথা বলি। মানুষের মুখ আছে, মানুষ বলতে থাকুক। বলে সুখ পাক। আমি আমার কাজ করে যাবো। লিখে যাবো, পড়ে যাবো। জীবনটা উপভোগ করবো। ঝগড়া করতে পারবো না। ভ্রমন করবো, মুভি দেখবো। আড্ডা দিবো। পুকুরে ছিপ ফেলে বসে থাকবো।

আমি প্রচুর পড়ি। প্রচুর লিখি।
ব্লগে ৩/৪ লোক আমাকে অপবাদ দিয়েছে আমি কপিপেস্ট করি। এগুলো শুধুই ওদের অপবাদ। পুরোপুরি সত্য কথা নয়। মূলত হিংসা থেকে ওরা এসব কথা আমাকে বলে। এবং এসব কথা ছড়ায়। মূলত এখন পর্যন্ত আমিই ব্লগে সেরা। না অহংকার দেখাচ্ছি না। অত্যন্ত বিনয়ের সাথেই বলছি। ব্লগে আমিই সেরা। অপবাদ দিয়ে আমাকে থামাতে পারবে না। আমি আমার কাজ করেই যাবো। দুষ্টলোকদের কথা আমি কানে নিই না। কারন আমি জানি নবিজির দেশেও দুষ্টলোক আছে। তাঁরা আমার নামে জিকির তুলে ফেলুক। আমাকে গালি দিতে দিতে গলা শুকিয়ে ফেলুক। আমার কি? আমার কিছু না।

আমি নাকি বাপের টাকায় ফুটানী করি।
কাম কাজ কিছু করি না। আরেহ ভাই এটা তো স্বাভাবিক। আমার বাবা আমার জন্য টাকা রেখে গেছে। সেই টাকা গুলো কি করবো? রাস্তায় ফেলে দিবো? সেই টাকা দিয়ে বিলাসিতা করি। এখানে ফুটানির কি আছে? আমিও আমার কন্যার জন্য অনেক টাকা রেখে যাবো। বাংলাদেশে চাকরী করে আরাম নাই। মানুষ গুলো বদ। অফিস পলিটিক্সকে আমি ঘৃণা করি। মাস শেষে কয়টা টাকার জন্য একদল অমানুষের সাথে যুদ্ধ করা আমার পক্ষে সম্ভব না। আমি বহু কিছু ছাইড়া আসা লোক। লোকে যা খুশি আমাকে বলুক। আমি তো জানি আমার দুনিয়া সহজ সরল সুন্দর। আনন্দময়।

আমি তসলিমা নাসরিনকে সাপোর্ট করি।
বোন ডাকি- এটাও নাকি আমার ফাজলামো। আসলে যারা আমাকে দেখতে পারে না, তাদের চোখে আমি খারাপ। শয়তান। মিথ্যাবাদী। আমি যা-ই করি সেটা থেকেই তাঁরা ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে। আমার নামে কুৎসা রটায়। ওদের আমি ক্ষমা করে দেই। এমনিতেই আমি বড় হৃদয়ের মানুষ। কারন ওরা দুঃখী মানুষ। মনের দুঃখে ওরা উলটা পালটা বকে। বকুক। বকে শান্তি পাক। আমার তো কোনো ক্ষতি হচ্ছে না। আমি সব কিছু মিলিয়ে বেশ আছি। আর কতদিন বাঁচবো? ৩৫ বছর চলছে। আর ৩৫ বছর কি বেঁচে থাকবো? এখন বুদ্ধিমানের কাজ হবে জাস্ট জীবনটা উপভোগ করে যাওয়া।

ব্লগে ৪/৫ আমার পিছনে উঠেপড়ে লেগেছে।
তাঁরা চায় আমাকে ব্লগ থেকে বের করে দিতে। অযুহাত হিসেবে তাঁরা বলছে, আমি কপি পেস্ট করি। কথাটা ভুল। যে লিখতে জানে সে কেন কপিপেস্ট করবে? আসলে ওরা আমার লেখা দেখে অবাক। কারন ওরা আমার মতো লিখতে জানে না। তার মানে এই না যে আমি খুব ভালো লিখি। কিন্তু ওদের চেয়ে ভালো লিখি। আসলে লেখালিখি দুষ্ট ও অসৎ মানুষদের কাজ নয়। লেখালেখি করতে হলে উদার হতে হয়, ভালো মানুষ হতে হয়। ক্ষুদ্রতা, সংকীর্নতা নিয়ে লেখালেখি করা যায় না। তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ, তোমরা জ্ঞান সঞ্চয় করো। নিজেকে সাজাও। দক্ষতা অর্জন করো।

আমার বিরুদ্ধে যতই অপবাদ থাকুক, আমি জানি আমি কি।
আমি জানি আমার ভালোত্ব কতটুকু, মেধা কতটুকু। সততা কতটুকু। কাজেই ওরা কিছু বললে আমার গায়ে লাগে না। ওদের কথা আমি কানে নেই না। আমার দুনিয়া সুন্দর। সহজ সরল। কারন আমি একজন সৎ মানুষ। মহৎ মানুষ এবং মানবিক মানুষ। আমি অন্যের ক্ষতির চিন্তা করি না। বরং আমি মানুষকে ভালোবাসতে জানি। অসহায় মানুষের পাশে থাকতে জানি। এক আকাশ ভালোবাসা নিয়ে মানুষকে বুকে জড়িয়ে ধরতে জানি। মানুষের প্রতি আমার ভালোবাসা মাদার তেরেসার মতোন নয়। কিন্তু তার চেয়ে কমও নয়। সসবাই ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন। জয় বাংলা।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মে, ২০২২ রাত ১১:০৬
১৬টি মন্তব্য ১৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

উপরোধের আগে

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



একটা ক্ষণ,
ক্ষীণ, তবুও অবয়,
আমাকে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখবে সবুজ অটবীর আলেখ্যে,
তুমি এলে,
সেই পুরোনো মায়া হয়ে।

কতকাল পরে সম্মুক্ষে দু জোড়া চোখ?
সে প্রশ্নের প্লাবনে আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি আধুনিক যুগের জন্য প্রস্তুত।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:২৩

২০০৯ সাল থেকে সম্ভবত সকল সরকারি কর্মচারীদের ব্যাংকে বেতন হয়। এবং এই বেতন দেওয়ার পক্রিয়া ১০০% কম্পিউটার বেইস। সরকারি কর্মচারীদের বেতন সিজিএ অফিস হ্যান্ডেল করে। আর সম্ভবত আইবিবিএএস+ সার্ভার বেতন... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫৫ বছরে কেন আরেকটা রিফাইনারি হলো না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৪৪


রাশিয়া থেকে তেল আনতে হলে আমেরিকার অনুমতি লাগবে। এই একটা বাক্য পড়লে অনেকে ভাববেন এটা কোনো রাজনৈতিক ভাষণের অংশ, কিংবা অতিরঞ্জন। কিন্তু এটা ২০২৬ সালের বাস্তবতা। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ লেগেছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আছছে পিনু ভাই

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:০২


ঘরের ছোল নাকি ঘরত আছছে
পুটি, বওল, টেংরা মাছ কুটিরে?
পাতিলত ভরে পুরপুরি ছালুনের
বাসনা যেনো আকাশত উরে-
কি সখ ছোলপল নিয়ে হামি এনা
যমুনাত যামু গাওধুমি, সাতরামু;
কে বারে শুন শুন হামাগিরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নৈতিকতা, দ্বিচারিতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কি আছে?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২০



নৈতিকতা, দ্বিচারিতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কি আছে?

এখানে ছবি আছে ক্লি করে দেখতে হবে, যেহেতু আমাকে ছবি আপলোডে ব্লক করেছে এডমিন।

দেশের রাজনীতিতে একটি পুরোনো প্রবণতা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠছে- জনগণের বাস্তব... ...বাকিটুকু পড়ুন

×