somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

কে বেশী মেধাবী? পিনাকী না শেখ হাসিনা?

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ১১:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবিঃ আমার তোলা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বা খালেদা জিয়ার যে মেধা আছে তা দিয়ে উনারা প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষিকা হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না। অথচ উনারা দেশ চালাচ্ছেন! একজন বাপের কল্যানে, একজন স্বামীর কল্যানে। দেখুন আজও আমাদের দেশের মানুষ ফুটপাতে ঘুমায়। কোটি কোটি বেকার। আজও সরকারী হাসপাতালে দালাল। অল্প বয়সী ছেলেগুলো জুতোর আঠা দিয়ে দিনেদুপুরে সকলের সামনে রাস্তার মধ্যে নেশা করছে। তাদের স্কুলে পাঠানোর দায়িত্ব সরকারের। ফুটপাত দিয়ে হাঁটা যায়, হকাররা নানান রকম দোকান বসিয়েছে। সেই সুযোগে পুলিশ তাদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে নিয়মিত। দেশে দূর্নীতির কথা বললাম না। বর্তমানে দেশে ভালো আছে অসৎ মানুষেরা।

বর্তমানে মেধার দাম নেই। দাম আছে ক্ষমতার।
মামা চাচার ক্ষমতার জোরে অদক্ষরা বড় বড় পদে বসে আছে। রাজনীতিবিদ এবং তাদের ছত্রছায়ায় থাকা লোকজন সাধারন মানুষের জীবন অতিষ্ট করে তুলেছে। বহু ক্ষমতাবান লোক দরিদ্র মানুষের জমি জোরে করে অল্প দামে কিনে নিয়েছে। আবার কেউ কেউ সামান্য টাকা ঋণ দিয়ে সাদা কাগজে সাইন নিয়ে পুরো জমি আত্মসাৎ করে নিয়েছে। বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা দূর্নীতি। অথচ দূর্নীতি বন্ধ করতে তাঁরা কোনো পদক্ষেপ নেননি। পদক্ষেপ নিবেন কিভাবে? দূর্নীতি তো আর আমি আপনি করি না। দূর্নীতি করছে তাদের কাছের লোকজন। শুদ্ধি অভিযান বন্ধ হয়ে গেছে। দুদক সারাদিন কি করে আমি জানি না। তাঁরা কি দেশের দুর্নীতিবাজদের খুঁজে পাচ্ছে না? একজন চোর বা ছিনতাইকারীর চেয়ে দূর্নীতিবাজ ধরা সহজ।

রাস্তায় বের হলেই ভিক্ষুক, অথচ তাঁরা বলছে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে।
যে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে সে দেশে এত এত ভিক্ষুক থাকবে কেন? সে দেশের লোকজন রাস্তায় ঘুমাবে কেন? সে দেশের ফুটপাত দিয়ে হাঁটা যাবে না কেন? যাকাতের শাড়ি লুঙ্গি নিতে গিয়ে মারামারি, কাড়াকাড়ি হবে কেন? চল্লিশার খানা খেতে গিয়ে মানুষ মরবে কেন? টিসিবি পণ্য কিনতে এত লম্বা লাইন হবে কেন? মূলত রাজনীতিবিদরা গলাবাজি করেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাস পুলিশ ও ছাত্রলীগ। এরা বড় ভয়ঙ্কর। সরকারের পদ্মাসেতু বা মেট্রোরেল দিয়ে সব কিছু বিচার করা ঠিক হবে না। পদ্মাসেতু হওয়া দরকার ছিলো আরো পঞ্চাশ বছর আগে। মেট্রোরেল হওয়া দরকার ছিলো আরো ত্রিশ বছর আগে। হয়তো দেশ কচ্ছপের মতো এগিয়ে যাচ্ছে।

পিনাকী সাহসী মানুষ। সে সৎ মানুষ। এবং অবশ্যই বুদ্ধিমান।
ইউটিউবে তার কথা গুলো শুনলেই বুঝা যায়। সত্যিকার ভাবে দেশের উন্নয়নের জন্য দরকার বুদ্ধিমান মানুষ। দক্ষ ও পরিশ্রমী মানুষ। মাইকের সামনে চ্যাটাং চ্যাটাং করে কথা মানুষ আদতে ভাঙ্গা কূলার ছাই টাইপ। এদের দিয়ে দেশ বা সমাজের কোনো উপকার সম্ভব নয়। দেশে এখন কোটি লোক বেকার। একটা পদ্মাসেতু বা মেট্রোরেলের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ন নয় নতুন নতুন চাকরী সৃষ্টি করা। বেকার সসমস্যার সমাধান করা। অথচ দেশের শেখ হাসিনা বা উনার দলের লোকেরা চাকরী কিভাবে সৃষ্টি করতে হয় তাঁরা জানেন না। অথচ একসময় শেখ হাসিনা বলেছিলেন ঘরে ঘরে চাকরী দেওয়া হবে, কেউ বেকার থাকবে না, কেউ রাস্তায় ঘুমাবে না। কেউ না খেয়ে থাকবে না।

মুক্তিযুদ্ধের আগে পিনাকীর জন্ম বগুড়াতে।
বেশ জনপ্রিয় ব্লগার তিনি। এখন একজন জনপ্রিয় ইউটুবার। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে ডাক্তারী পাশ করেছেন। প্রায় ২০ টি বই লিখেছেন। সাধারণত তিনি মুক্তিযুদ্ধ, রাজনীতি, ধর্ম, সাহিত্য ইত্যাদি বিষয় নিয়ে লিখেন। সরকারের ভয়ে হয়তো উনি দেশ ছেড়েছেন। হয়তো ধরা পড়লে সে গুম হয়ে যেতো। অথবা কোনো মামলার আসামী হয়ে কারাগাতে থাকতো। উনি ফ্রান্সে গিয়ে ভালোই করেছেন। যাইহোক, যদি ইউরোপ যাওয়া খুব সহজ হতো তাহলে এই পোড়া দেশে কেউ থাকতো না। আমি নিজেও থাকতাম না। আমরা দেশের সাধারন জনগন। আমরা চাই এই দেশে সুন্দরভাবে কাজ করে খেয়েপরে আনন্দ নিয়ে বেঁচে থাকতে। সরকার শুধু আমাদের জন্য এটুকুই নিশ্চিত করলে আমরা খুশি। জয় বাংলা।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:১৬
১৮টি মন্তব্য ১৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“Epstein “ বুঝতে পারেন ! কিন্তু রাজাকার,আলবদর,আলশামস আর আজকের Extension লালবদর বুঝতে পারেন না ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:০৮

মূলত এটি একটি ছবি ব্লগ। এক একটি ছবি একটি করে ইতিহাস। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কস্টের অধ্যায়।

এপস্টেইন ফাইল দেখে আপনারা যারা বিচলিত, জেনে রাখুন ভয়াবহ আরেক বর্বরতা ঘটেছিলো ৭১এ এদেশেই, আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুধু উপবাস নয়, আত্মশুদ্ধি অর্জনই রোজার মূল উদ্দেশ্য

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:০১

শুধু উপবাস নয়, আত্মশুদ্ধি অর্জনই রোজার মূল উদ্দেশ্য

ছবি, সংগৃহিত।

সারসংক্ষেপ

রমজানের রোজা ইসলামের অন্যতম মৌলিক ইবাদত। সাধারণ মুসলিম সমাজে রোজা ভঙ্গের ধারণা প্রধানত পানাহার ও যৌন সংসর্গের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অথচ কুরআন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

Will you remember me in ten years!

লিখেছেন করুণাধারা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



উপরের ছবিটি ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে একজন ব্লগার তার এক পোস্টে দিয়েছিলেন। জানতে চেয়েছিলেন দশ বছর পর কেউ তাকে মনে রাখবে কিনা!! গতমাসে এই পোস্ট যখন আমার নজরে এলো, হিসাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ

লিখেছেন বিপ্লব০০৭, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৭



মানুষ আসলে কী?

Sophies Verden কেতাবে নরওয়েজিয়ান ইয়স্তেন গার্ডার (Jostein Gaarder) এক বিশাল বয়ান পেশ করেছেন ছোট্ট মেয়ে সোফির জীবনের গল্প বলতে বলতে। নীতি-নৈতিকতা, জীবন-জগৎ, সৃষ্টি নিয়ে সোফির ধারণা ছিলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

শোনো হে রাষ্ট্র শোনো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০২


নিশ্চল শহরে আজ ক্ষুধারা হাঁটে পায়ে পায়ে
ফুটপাথে শুয়ে রয় ক্ষুদার্ত মুখ।
চালের বস্তার সেলাই হয়নি ছেড়া,
রুটির দোকানে আগুন ওঠেনি জ্বলে।
ক্ষুদার্ত আধার জাপটে ধরে আষ্টেপৃষ্টে।

আমার চোখ লাল, ভেবো না নেশায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×