somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

এলোমেলো এবং অসমাপ্ত

০৮ ই জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ২:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



প্রকৃতি চলে নিজের নিয়মে, তেমনি এই জীবন।
এ এক অদ্ভুত আলোক। অপরাহ্নের পর ঠিকই সন্ধ্যা নামে। কেউ কেউ এতদিন পর মনে করছে, এবার সন্তানদের মাদ্রাসা থেকে ছাড়িয়ে ইংরেজি স্কুলে আর ভরতি না করালেই নয়। চক্ষু ধাঁধিয়ে যাওয়া যুবক, পথভ্রষ্টা কিংবা নির্যাতিতা নারী এবং শত শত দরিদ্র মানুষ হাত তুলেছে প্রভুর কাছে। ফলাফল শুন্য। অন্যপাশে শেষ হচ্ছে ব্র‍্যান্ডির বোতল। এবার মস্তিষ্ক চাঙ্গা হবে। ধনী মেয়েরা নগ্ন হয়ে আয়নায় নিজেকে দেখছে।

মসজিদে মসজিদে নামাজ শেষে মুসুল্লিরা বাড়ি ফিরছে।
চারিদিকে শীতের আমেজ। নব্য ধনীরা কিনছে গাড়ি, ফ্লাট। এসব দূর থেকে দেখলে মনে যেন আঁকা ওয়াটার কালারের এক ছবি। অল্প কিছু মানুষ চিন্তা করে যাচ্ছে ধর্ম সংস্কারের, শিক্ষা বিস্তারের, নারী মুক্তির, সংস্কৃতির জাগরণের, সম্পর্কের উন্নতির, দারিদ্র্য নিবারনের। আশার কথা হচ্ছে কয়েকটি প্রদীপ জ্বলছে। এই মুহুর্তে লাট সাহেবেরা মদ্যপানে ব্যস্ত। ঝারবাতির আলোয় দেখা যায় নব্য ধনীদের দাপাদাপি। আসলে তারা সুখী নয়।

আমি অবোধ বালকের মতো বাঁশের কঞ্চি দিয়ে তলোয়ার বানিয়ে মনে মনে সেনাপতি সাজি, দুষ্টলোকদের শাস্তি দেই। রাত্রির পর আসে ভোর। মনে হয় নতুন কিছু ঘটবে। সময় এখন মধ্যরাত। পুরো শহর নিস্তব্ধ। মানুষ বেঁচে থাকে প্রত্যাশায়। অথচ ঈশ্বর বধির ও দৃষ্টিহীন। মানুষের আকুতি মিনতি তার কাছে মূল্যহীন। অসহায় মানুষের আছে শুধু দীর্ঘশ্বাস। কেউ কেউ অন্যের স্পর্শ বাঁচিয়ে চলতে পারে না। অনেকের শোক হয়। কিন্তু সকলে শোকে কাঁদে না। কাঁদতে হয় বলেও অনেকে কাঁদে।

রুশো, ভলতেয়ার থেকে শুরু করে ওডিসি, মহাভারত সব পড়া শেষ।
হাতিঘোড়া তো কিছু হলো না। নাকি পুরোটাই সময়ের অপচয়! আসলে ঈশ্বর নেই। মহান সত্য হলো ক্ষুধা। তবে কেন অদৃশ্য ভাবে পেছনে টানে। ধর্ম, জাতি, শিক্ষা এবং সাহিত্য একসঙ্গে পাওয়া যায় না। তাই তো সুফল আসে না। তোমার বুকে ব্যথা, তোমারই ভুলের জন্য। রাত এগারোটায় হাইকোর্টের সামনে একটা মেয়ে একা দাড়িটা ছিলো। মেয়েটি কে? তাকে কেন বারবার মনে পড়ে? তোমাদের জয় হোক। সকলে বেঁচে থাকুক। কোনো শালা তো মরতে চায় না।

এলোমেলো এবং অসমাপ্ত রচনা গুলো এবার শেষ করতে হবে।
সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। মানুষ শুধু ব্যক্তিগত দুঃখ ছাড়া অপরের দুঃখ সম্পর্কে মনোযোগ দিতে চায় না। যার যা মন চায় লেখা উচিত। কাউকে লিখতে বাধা দেওয়া অন্যায়। অনেকেই অনেক কিছু লিখেছেন। মানুষ লিখতে চায়। কৈফিয়ত দিতে চায় না। যীশু বা কৃষ্ণ আজকের দুনিয়ায় অচল। অথচ তাদের বানী আজও মানুষ কে বেচে থাকতে শেখায়। সময় শেষের দিকে। ঘন্টা আসন্ন।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ২:৪৮
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমেরিকার বর্ণবাদী লরা লুমার এবং ভারতীয় মিডিয়া চক্রের বিপজ্জনক ঐক্য

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


লরা লুমার নামে আমেরিকায় একজন ঘৃণ্য বর্ণবাদী, কট্টর ডানপন্থী রাজনৈতিক কর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আছেন। তিনি ট্রাম্পের অনুগত হিসেবে পরিচিত। তার মুখের ভাষা এত জঘন্য যে ট্রাম্পের অনেক ঘোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুকতারা

লিখেছেন সামিয়া, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৫১



তুমি আমাকে যে জায়গায় রেখে গিয়েছিলে, সেই জায়গাটা ধীরে ধীরে একটা ভূগোল হয়ে গেছে। সেখানে সময়ের নিজস্ব কোনো ঘড়ি নেই, ঋতুর আলাদা নাম নেই, কেবল স্থিরতা আছে, যেন দুপুরবেলা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শূন্য বুক (পিতৃবিয়োগ)

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৪


চার
রোববার বেলা ১১টার মধ্যে জাহাঙ্গীর গেটের সামনে এসে পৌঁছাল গাড়ি। মৃণাল আগে থেকেই প্রস্তুত হয়ে বসেছিল। চালক উত্তরা এসে ফোন করেছিল। যাহোক, স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে মা-বাবা আর মামার সঙ্গে বারডেমে চলল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওয়াশিংটন থেকে বেইজিং: বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫


মার্চ ২০২৬-এর ক্যালেন্ডার বলছে, বাংলাদেশের কূটনীতি নতুন দিকে মোড় নিয়েছে । একই সময়ে বাংলাদেশের তিনজন হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব আমেরিকার মাটিতে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নিউ ইয়র্কে ব্যস্ত নিজের ক্যাম্পেইনে। সেনাপ্রধান জেনারেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন ওরফে সংবিধান সালাহউদ্দিন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০


ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন যিনি দীর্ঘসময় ভারতের তত্ত্বাবধানে শিলংয়ে সংবিধানের ওপর পিএইচডি করেছেন ফলে উনি এখন সংবিধান সালাহউদ্দিন যার সুফল এখন আমরা পেতে চলেছি। ইতোমধ্যেই আপনারা লক্ষ্য করেছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×