somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

নারী

১২ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১১:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



নারীরা হচ্ছে ধরনী। তাদের মাঝেই আমাদের বসবাস।
প্রথম কথা হচ্ছে মেয়েদের সম্মান করতে হবে। ভালোবাসতে। হোক সে আপনার বাসার কাজের বুয়া অথবা গার্মেন্টসের কোনো মেয়ে। হোক সে আপনার স্ত্রী বা বন্ধু। নারীরা এগিয়ে গেলেই সমাজ এবং দেশ এগিয়ে যাবে। এক সময় মানুষের ধারণা ছিলো মেয়ে নামেই অবহেলিত, বোঝা, যৌতুক। তাদের কাজ শুধু রান্নাঘরে আর আতুর ঘরে। এখন সময় বদলেছে। নারীরা এখনও পুরুষের সাথে কাধ মিলিয়ে কাজ করে। প্লেন চালায়, জাহাজ চালায়, রকেট চালায়, গাড়ি চালায়, ঘরে বাইরে, জমিতে, অফিসে সব জায়গায় দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে নারীরা। এখন বেগম রোকেয়ার সময় নয়। নারী শিক্ষার প্রয়োজন সবাই জানে। নারী ভালো থাকলে ভালো থাকবে আপনার ঘর। আপনার সংসার। আপনার জীবন।

মেয়েরা জানে লেখাপড়া শিখে তাদের যোগ্য ও দক্ষ হতে হবে।
প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। চাকরি বা বিজনেস করে জীবনে সফল হতে হবে। অযোগ্য অদক্ষ হলে শ্বশুর বাড়িতে দাম পাওয়া যায় না। এমনকি নিজের বাবা মা ভাই বোনেরাও দাম দেয় না। এজন্য মেয়েরা লেখাপড়া শিখছে। নিজের পায়ে দাড়াচ্ছে। তারপর চাকরি করছে। এমনকি বিয়ের পরও তারা কাজ করছে। ঘর সামলাচ্ছে। অফিস সামলাচ্ছে। দুষ্ট পুরুষের কথায় তারা গলে যায় না। সত্য মিথ্যা তারা বুঝতে পারে। হ্যা তাদের আবেগ বেশি। কিন্তু তারা অনেক কঠোর হতে পারে প্রয়োজনে। মেয়েরা যাকে ভালোবাসে সবটা দিয়ে ভালোবাসে। তাদের ভালোবাসা স্বচ্ছ সুন্দর পবিত্র। অনাদর অবহেলা মেয়েরা সহ্য করতে পারে না। পুরুষের স্বভাব খারাপ হয়। নারীরা খারাপ হয় না। কিছু পুরুষ নারীদের খারাপ বানায়। নারীরা আত্মকেন্দ্রিক একন্য তাদের সমস্যা বেশি

মেয়েরা প্রিয় মানুষদের নিজের হাতে রান্না করে খাওয়াতে ভালোবাসে।
মেয়েরা যাকে ঘৃনা, প্রচন্ড ঘৃনা করে। যাকে ভালোবাসে তাকে প্রচন্ড ভালোবাসে। মুনা নামের একটা মেয়ে আমাকে ভালোবাসতো। খুব ভালোবাসতো। এখন সে আমাকে ঘৃনা করে। অথচ আমি তার কোনো ক্ষতি করিনি। হয়তো কোনো একদিন মুনা আমায় আবার ভালোবাসবে। আমি অপেক্ষা করি। অপেক্ষা করতে আমার ভালোই লাগে। খেয়াল করে দেখুন, যে আমাকে ভালোবাসতো সেই আমাকে ঘৃনা করে। যাইহোক, কিছু মেয়ে আছে সবার সাথেই প্রেম প্রেম ভাব দেখায়। আসলে এরা কারো সাথেই প্রেম করবে না। শেষমেশ বাবা মায়ের পছন্দ বিয়ে করে ফেলবে। আর কিছু মেয়ে আছে, জেনে শুনে বুঝে প্রেম করে, বিয়ে করে একজন সফল মানুষকে। এরা খুবই বুদ্ধিমতী। হিসাবী। এদের জীবন হয় সুন্দর সাজানো গোছানো। দূর থেকে এদের দেখে মানুষ হিংসা করে। যেসব মেয়েরা জীবনে ঠকে, তাদের ভুলের জন্যই ঠকে। এখানে অন্যকে দোষ দেওয়া বোকামি হবে।

রিয়া নামের একটা মেয়ে আমাদের সাথে পড়তো।
খুব হাসিখুশি মেয়ে। আমার সাথে তার সম্পর্ক দেখে লোকে মনে করতো তার সাথে আমার কঠিন প্রেম ভালোবাসা চলছে। মধুমিতা সিনেমা হলে আমরা একসাথে সিনেমা দেখেছি। কলেজ ছুটির পর আমরা একসাথে বাড়ি ফির‍তাম। ক্লাশ না করে ফুলার রোডে বসে গল্প করতাম। রিয়া নিউমার্কেট কেনাকেটা করতে গেলেই আমাকে সাথে নিয়ে যেতো। রিয়ার সাথে থেকে থেকেই আমার কোক আর বার্গারের নেশা হয়ে যায়। রিয়ার সাথে বাইরে গেলেই সে আমাকে কোক আর বার্গার খাওয়াতো। আমি আর রিয়া মনে হয় ঢাকা শহরের সব দোকানের বার্গার খেয়েছি। মূলত রিয়া আমার বন্ধু ছিলো। স্বচ্ছ সুন্দর সম্পর্ক ছিল আমাদের। রিয়া এখন রাজশাহী থাকে। ওর স্বামী এলজিআরডিতে চাকরি করে। তিন বছর আগে ঢাকার ঝিগাতলায় রিয়ার সাথে আমার শেষ দেখা হয়। সেদিন রিয়া একটা নীল সাদা সূতি শাড়ি পড়েছিলো। চোখে কাজল দিয়েছিল। যাইহোক, সেদিন রিয়া ওর স্বামীকে বলেছিলো, তোমাকে বিয়ে না করলে, আমি রাজীবকে বিয়ে করতাম। সেদিন আমার ইচ্ছে করেছিলো রিয়াকে নিয়ে পালিয়ে যাই!

জীবনে সবচেয়ে বেশি ভুল করে মেয়েরা।
সেই কিশোরী বয়স থেকেই মেয়েরা ভুল করা শুরু হয়। বয়স বাড়ে তাদের ভুলের মাত্রাও বাড়ে। প্রেম ভালোবাসা করতে গিয়ে ভুল করে, লেখাপড়া শেষ না করেই বিয়ে করে ভুল করে। অথবা লেখাপড়া করলেও চাকরি বাকরি না করে ভুল করে। ঘরসংসার করে জীবন পার করে দেয়। অর্থাৎ তাদের শিক্ষার জ্ঞান অতিবাহিত হয় ঘর সামলে। সমাজ বা দেশের জন্য তাদের কোনো অবদান থাকে না। ফলাফল তাদের কাদতে হয়। সারা জীবন ধরে কাদতে হয়। মেয়েরা বিয়ের আগে বাবার উপর নির্ভর করে, আর বিয়ের পর স্বামীর উপর নির্ভর করে। নিজেরা ইনকাম করতে শিখে না। মূলত মেয়েরা দূখী। ভাতে দুখী, কাপড়ে দুখী, প্রেম ভালোবাসায় দুখী, টাকায় দুখী, ভ্রমণে দুখী। সুখ আনন্দ বিলাসিতায় দুখী। স্বামী সন্তান নিয়ে দুখী। আর্থিক ভাবে দুখী। তবে মেয়েরা নিজেদের দুখ কষ্ট লুকাতে জানে। অনেক দুখ কষ্ট নিয়ে হাসতে জানে। জানে ভালো অভিনয় করতে। সব সময় তারা অভিনয় করে। মিথ্যা অভিনয়। অভিনয় যে শুধু অন্যের সাথে করে তা নয়, অভিনয় করতে করতে একসময় নিজের সাথেও করে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ রাত ১১:৩৩
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ খোকার অভিমান

লিখেছেন ইসিয়াক, ২০ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৬


খোকা খাবে মুড়ি মুড়কি, মা দিলো খই
এই নিয়ে অশান্তি, ব্যাপক হই চই।

বাবা যাচ্ছে হাটে, খোকা পিছু ছোটে
বকা খেয়ে ঘরে ফিরে কাঁদছে মাথা খুঁটে। 

কত কাজই... ...বাকিটুকু পড়ুন

অপারেশন ইকারুস: বালির নীল গোলকধাঁধা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:১২



কুয়ালালামপুর অপারেশনের ঠিক সাতদিন পর। ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের ‘নগুরা রাই’ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যখন একটি প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান ল্যান্ড করল, তখন বালির আকাশ জুড়ে গোধূলির রক্তিম আলো।

বিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

যদি কামের কাম না হয়, সংখ্যা দেখলে বিগাড় ওঠে

লিখেছেন অপলক , ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:২২



বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল বর্তমানে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট। এতেই রুগিরা সেবা পায়না, অপরিচ্ছন্ন, লোকবল নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, ওষূধ নেই, ১৫০০ শষ্যাবিশিষ্ট করে লাভ কি? সেবা নিশ্চিত হবে না...

এখন ডাক্তাররা... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি কার জন্য বাঁচো? কীভাবে এ-আই দিয়ে কভার সং তৈরি করি?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩

প্রথমত, এ-আই দিয়ে গান তৈরি করা অনেক সহজ। আপনি নিজে কোনো লিরিক না লিখে, কোনো সুর তৈরি না করেও এ-আই-তে প্রম্পট দিয়েই গান তৈরি করে ফেলতে পারেন। তবে সেটা আপনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পলাশবাড়ীর মূর্তি বিতর্ক, ধর্মীয় স্থাপনার আড়ালে কি অন্য কোনো নীলনকশা?

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:১৪

সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার সমীকরণে হাইব্রিড ওয়ারফেয়ারবা অপ্রতিসম যুদ্ধকৌশল এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যার প্রধান লক্ষ্যবস্তু রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সামাজিক ফাটল ও অননুমোদিত কাঠামোর মাধ্যমে মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ন্ত্রণ করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×