somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

আলহামদুলিল্লাহ্‌, ইফতার ডান

১৪ ই মার্চ, ২০২৪ সকাল ১১:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের দেশের মানুষ দিন দিন ধার্মিক হচ্ছে।
তার কারন মূলত মানুষ তলে তলে অসৎ বেশি হচ্ছে। সেই অসৎ ভাব কাটাতে গিয়ে ধর্মে আশ্রয় নিচ্ছে মানুষ। তাই তো আজকাল লোকজন কথায় কথায় মাশাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ্‌ বেশি বলছে। মসজিদে নামাজের জন্য মানুষ বেশি হচ্ছে, তার মানে মানুষ বেশি অন্যায় করছে, পাপ করছে। নামাজ দিয়ে অন্যায় ও পাপ ঢেকে রাখতে চায় মানুষ। মানুষের ধার্মিক ভাবটা নকল। অর্থ্যাত মানুষ সব রকম পাপ কাজ করছে, পাপ গুলো আড়াল করার জন্য শেষমেষ ধর্মে আশ্রয় নিচ্ছে। ধর্ম খারাপ মানুষদের জন্য পরশ পাথর। আমাদের দেশের লোকজন ধর্ম ও ধার্মিকদের কথা শুনলেই কাঁত হয়ে যায়।

আসল ধার্মিক, নকল ধার্মিক সব মিলেমিশে একাকার।
খাটি দুধের অভাব। সেই সাথে খাটি ধার্মিকের অভাব। এত এত ধার্মিক দিয়ে আমরা কি করিব? এরা জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে? আজকাল চ্যাংড়া পোলাপানও মসজিদে দেখা যায়। এইসব চ্যাংড়া পোলাপান গলির মোড়ে আড্ডা দেয় এবং সারাক্ষন মোবাইল টেপাটিপিতে ব্যস্ত থাকে। ওরা বুঝে না, ওদের নামাজ পড়া দিয়ে দেশ ও জাতির কোনো উপকার হবে না। ওরা যদি লেখাপড়াটা ভালো করে করে, ভালো রেজাল্ট করে, তাহলেই জাতির উপকার হবে। নামাজ রোজা দিয়ে জাতির কল্যান হবে না। জাতিকে জ্ঞান বিজ্ঞানে এগিয়ে যেতে হবে। প্রযুক্তিতে উন্নতি করতে হবে। কোরআনে হাফেজ জাতির কোনো উপকারে আসবে না।

এত এত মসজিদ আর এত এত ধার্মিক থাকা স্বত্তেও,
অন্যায়, অপরাধ তো কমছে না। মূলত আমাদের দেশে নব্য ধার্মিকদের সংখ্যা হুহু করে বেড়েই চলেছে। ঠিক যেভাবে নব্য ধনীদের সংখ্যা বাড়ছে। খুবই চিন্তার কথা। এই সমাজ অসুস্থ সমাজ, অসুস্থ মানুষ। এই অসুস্থ মানুষেরা জানে না, কেন রোজা রাখছে? কেন নামাজ পড়ছে? কেন কপালে কালো স্থায়ী দাগ বসে গেছে। লোকজন ধর্মকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করছে। মূলত তারা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ইতরামি করছে, পরক্ষনেই নামাজ পড়ছে, চুরী করছে, দূর্নীতি করছে, পরকীয়া করছে, পরক্ষনেই নামাজ পড়ছে। যেন নামাজ পড়লেই সাতখুন মাফ। ধর্মের লেবাজে আড়ালে চলছে ধার্মিক, চলছে সব অপকর্ম।

মূলত কতিপয় চালাক লোক ধর্মটাকে ব্যবহার করছে।
নিজের স্বার্থসিদ্ধি হাসিল করার জন্য। সত্যিকার ধর্ম কেউ পালন করছে না। আমাদের এলাকার এক ব্যবসায়ী আছেন। মুখ ভরতি দাড়ি। নামাজ পড়ে না। কিন্তু মাথায় সব সময় টুপি। পুরো ধার্মিক ভাব। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, দাড়ি রেখেছেন, সব সময় চোখে সুরমা দেন, কথায় কথায় মাশাল্লাহ, আলহামদুল্লিলাহ বলেন। অথচ নামাজ পড়েন না। লোকটা বলল, আমি বাড়ি সিলেট। ঢাকায় আপনাদের এলাকায় ব্যবসা করি। আমার দাড়ি, পাঞ্জাবী আর টুপির জন্য ব্যবসায় সুবিধা পাই। নইলে গ্রাম থেকে এসে এখানে ব্যবসা করতে পারতাম না। একছেলে পুরো সুফী চেহারা। পুরো ধার্মিক ভাব। লোকজন তাকে আল্লাহ পাগল মনে করেন। আসলে ছেলেটা হারে হারামজাদা।

আমাদের এলাকায় একজন ভাবী ছিলেন।
হিপহপ টাইপ ভাবী। নাচতেন, গাইতেন। এখন সে পুরোদমে ধার্মিক। এমনকি ভাবী এখন আমার সামনে আসেন না। নিজেকে বোরখায় ঢেকে রাখেন। প্রতিটা ধর্মের কিছু কুৎসিত দিক আছে। কুৎসিত দিক গুলো ধার্মিকেরা খুব যত্ন নিয়ে লালন পালন করছেন নিজেদের সুবিধার জন্য। বোমা বারুদ, কামান গুলি মানুষের যত ক্ষতি করেছে, ধর্ম তারচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে বিশ্বের। ফেরাউন, চেঙ্গিস খান, জিন্নাহ, হিটলারের চেয়েও বেশি খারাপ ধার্মিকেরা। ধার্মিকদের সকল কর্মকান্ড আমার কাছে হাস্যকর লাগে। শুক্রবার জুম্মার নামাজে মসজিদের ভেতর জায়গা হয় না। রাস্তায় নামাজ পড়ে। জ্যাম লাগিয়ে দেয়। ধর্মের কোনো ভালো দিক নেই। ধর্ম শুধু মানুষের ক্ষতিই করে গেলো। করোনায় চেয়ে বেশি ডেঞ্জারাস ধর্ম।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মার্চ, ২০২৪ সকাল ১১:২৫
১৬টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অনু গল্প

লিখেছেন মোগল সম্রাট, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:০৯



(এক)
দশম শ্রেণির ছেলে সাদমান সারাদিন ফোনে ডুবে থাকত। বাবা-মা বকাঝকা করলে প্রায়ই অভিমান করে ভাত খেতো না। একদিন রাতে ঘরের দরজা বন্ধ। ভোরে দরজা ভেঙে সবাই স্তব্ধ। খবরের কাগজে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের গল্প - ১০০

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫



আমার সাথে একজন সাবেক সচিবের পরিচয় হয়েছে।
উনি অবসরে গেছেন, ১০ বছর হয়ে গেছে। এখন উনি বেকার। কোনো কাজ নাই। বাসায় বাজার করেন অনেক বাজার ঘুরে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটু চালাক না হইলে আসলে এআইয়ের দুনিয়াতে টেকা মুশকিল।

লিখেছেন Sujon Mahmud, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:২৫



সকাল থেকে চ্যাটজিপিটি আর ন্যানো ব্যানানার কাছে ঘ্যান ঘ্যান করছিলাম, ডোনাল্ড ট্রাম্প যে বলেছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তার পশ্চাৎদ্বেশ চাটে, এইটার একটা ছবি তৈরি করে দাও।

শালারা দিবেই না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডিপস্টেট তাহলে সসস্র বিপ্লবের গোলা বারুদের সরবরাহকারী! জঙ্গি আসিফ’কে কেউ প্রশ্ন করেনি ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:২৪



বাংলাদেশে একটা ইলেক্টেড গভর্নমেন্ট-এর বিরুদ্ধে যখন জুলাই-আগস্ট মাসে তথাকথিত “মুভমেন্ট” চলতেছিল, তখন এটাকে অনেকে খুব ইনোসেন্টভাবে “পিপলস আপরাইজিং” বানানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু প্রশ্নটা খুবই সিম্পল—এইটা কি আসলেই স্পনটেনিয়াস... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমলারা কেন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলে গেলেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ২:২০


ডিপ স্টেট নিয়ে আজকাল চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ফেসবুকের কমেন্ট বক্স সবখানেই বেশ জমজমাট আলোচনা। কেউ বলছেন দূতাবাস, কেউ বলছেন মিলিটারি, কেউ আবার আঙুল তুলছেন কোনো বিশেষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×