somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

ভারত কি বাংলাদেশকে কখনো আক্রমন করবে?

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৪ দুপুর ২:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ভারত বাংলাদেশকে কখনো আক্রম করবে না। নো নেভার।
বাংলাদেশও কখনো ভারতকে আক্রমণ করবে না। কেউ কি নিজের ঘরে আক্রমণ করবে? ভার‍ত বাংলাদেশ আলাদা কিছু নয়। সবচেয়ে বড় কথা আক্রমণ করার মতো কিছু হয়নি। দুই দেশের বর্বর কিছু জনগণ অযথাই লাফাচ্ছে। মূলত অল্প কয়েকজন দুষ্ট লোক ফেসবুকে কথা কাটাকাটি করছে। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে দুই দেশের সংবাদ মাধ্যম বেশ লাফাচ্ছে। এবং দুই দেশের অপরাজনৈতিক দল বিষয়টা ঘোলা করছে। আমাদের রিজভী সাহেব তো একদিন স্ত্রীর শাড়ি পোড়াচ্ছেন, আরেকদিন বিছানার চাদর। আরে ভারতের শাড়ি আর চাদর পুড়িয়ে লাভ কি? ভারত আমাদের বন্ধু। ব্যস কথা শেষ।

এক ভিডিওতে দেখলাম, কলকাতার রাস্তায় বাংলাদেশের পতাকা বিছিয়ে রাখা হয়েছে।
লোকজন আমাদের পতাকা মাড়িয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ আমাদের পতাকাতে থু থু দিচ্ছে। অত্যন্ত দুখজনক। শিক্ষিত ও মানবিক মানুষ এরকম কাজ করতে পারে না। ভারতের মিডিয়া গুলো বিষয়টা জটিল করেছে। মিডিয়া শান্ত হলেই সব ঠিকঠাক। আমাদের দেশে লাফাচ্ছে জামায়াত শিবির এবং বিএনপি। সেই সাথে বৈষম্যবিরোধী কতিপয় ছাত্র। এরা আসলে দুষ্টলোকদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, সেজন্য এরা অযথাই লাফাচ্ছে। লাফানোর মতো কিছু হয়নি। তাদের পরিকল্পনা ব্যর্থ হবে। পরিস্থিতি খারাপ করার চেস্টা করছে শুধু শুধু। যেন শেখ হাসিনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওদের রাগ আসলে শেখ হাসিনা কেন ভারতে গেলো। ভারত কেন তাকে থাকতে দিলো। আসল কথা হচ্ছে, ভারতের বেশির ভাগ লোক বাংলাদেশ কে ভালোবাসে। বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ ভারতকে ভালোবাসে।

সহজ সরল সত্য কথা হলো, ভারত আমাদের চেয়ে সব কিছুতেই এগিয়ে আছে।
চিকিৎসা, শিক্ষা, উৎপাদন, কারিগরি। বাংলাদেশ সেলাই মেশিনের একটা সুই পর্যন্ত বানাতে পারে না। আমরা ঢাকায় থেকে ভারতের সাবান শ্যাম্পু জামা কাপড় তালাশ করি। বিয়ের কেনাকাটা করতে আমরা ভার‍ত যাই, চিকিৎসা করতে ভারত যাই, ভ্রমণ করতে ভারত যাই। ভারত ছাড়া আমাদের উপায় নাই। বাংলাদেশ থেকে পশ্চিম বঙ্গে লাখ লাখ লোক যায়। তারা প্রচুর কেনাকাটা করছে। অবশ্য কলকাতার ব্যবসায়ীদের বেশ ক্ষতি হচ্ছে। তারা মনে প্রানে চায় বাংলাদেশের লোকজন আসুক। রবীন্দ্রনাথ থেকে শুরু করে সসত্যজিৎ, সুনীল, সমরেশ মজুমদার, অমর্ত্য সেন সহ ভারতীয়দের নিজেদের লোক বলে মনে করি। দেশভাগ না হলে ভারত যেতে আমাদের ভিসা লাগতো না।

আজ শেখ হাসিনা ক্ষমতায় নেই বলে এই পরিস্থি সৃষ্টি হয়েছে।
শেখ হাসিনা যতদিন ছিলেন জামায়াত শিবির আর বিএনপি মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে নাই। জামায়াত আসলে দেশের এক নম্বর শত্রু। এরা বাংলাদেশের ভালো চায় না। আওয়ামীলীগের এই পরিস্থিতির জন্য জামায়াত তলে তলে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে গেছে। জামায়াত সাপোর্ট পেয়েছে বিএনপির। আর ছাত্ররা কিছু না বুঝেই গাধার মতো লাফিয়েছে। ওদের ভুলের জন্য পুরো জাতিকে ভুগতে হবে। যারা বাংলাদেশ চায়নি, তারাই আজ রাজত্ব করছে। এর চেয়ে দু:খের আর কি আছে! হ্যা আওয়ামীলীগের অনেক দোষ ত্রুটি আছে। কিন্তু তারা জামায়াত শিবির আর বিএনপির চেয়ে অনেক ভালো। মনে প্রানে চাই ভারত আমাদের সাথে নিয়ে এগিয়ে যাক। ভারতের যেকোনো সাফল্যে আমরা আনন্দিত হই, খুশি হই। সামান্য ক্রিকেট খেলায় আমরা ভারতকে সাপোর্ট করি।

ভারত আর আমরা হলাম একই মায়ের পেটের দুই ভাই।
অথচ ভারতের কতিপয় লোক বাংলাদেশকে হেয় করে কথা বলছে৷ ইহা অন্যায়। এটা আধুনিক যুগ। এযুগে কেউ যুদ্ধ করে না। যারা যুদ্ধ করে তারা বোকা ও নির্বোধ। ভারত মানবিক দেশ। বাংলাদেশের বিপদেআপদে সব সময় সবার আগে ভারতই এগিয়ে আসে। ১৯৭১ সালের কথা আমরা ভুলি নাই। আমরা বেঈমান জাতি নই। ভারত আমাদের বন্ধু। খুব শ্রীঘই ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক ঠিক হয়ে যাবে। যারা এই ক্যাচাল লাগিয়েছে তারা কপাল চাপড়াবে। এই সুযোগে পাকিস্তান ইচ্ছে মতো উসকানি দিয়েছে। তাদের উসকানি আমরা আমলে নিইনি। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান আমাদের কি করেছে আমরা ভুলি নাই। হারামজাদারা আজ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে ক্ষমা পর্যন্ত চায়নি। ভারত আমাদের বন্ধু। ভারত ভালো থাকুক। আমাদের পাশে থাকুক। জয় বাংলা।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৪ দুপুর ২:৩০
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আহলে হাদিস একটি সুনিশ্চিত পথভ্রষ্ট ও জাহান্নামী দল

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৪ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৫৮




সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন বিচার পাওয়ার আগেই মৃত্যু হলো সাইকো সম্রাটের ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৪ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৩৪


সাভার থানা থেকে মাত্র একশো গজ দূরে, পাশে সরকারি কলেজ, দূরে সেনা ক্যাম্প, চারদিকে মানুষের ব্যস্ততা: এই পরিচিত পরিবেশের মাঝে একটা পরিত্যক্ত ভবন ছিল, যেখানে আলো পৌঁছাত না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানব সভ্যতার নতুন অধ্যায়

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৫ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:০৭


আজ মানব জাতির নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
তারিখঃ ২৪ শে মার্চ, ২০২৬
সময়ঃ বিকাল ৪টা, (নর্থ আমেরিকা)
আমেরিকার কংগ্রেস স্বীকার করে নিল ভীন গ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব। স্বীকার করে নিল পৃথিবীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ সেই বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৫ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

আজ সেই বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস।
আজ সেই বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই কালরাতে Operation Searchlight নামের বর্বর অভিযানের মাধ্যমে পাক আর্মি নিরস্ত্র বাঙালির উপর ইতিহাসের জঘন্যতম... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওয়ান-ইলেভেন: স্মৃতিহীন জাতির হঠাৎ জাগরণ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৫ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:৩০

কাভার- সরাসরি আপলোড না হওয়াতে!!


ওয়ান-ইলেভেন: স্মৃতিহীন জাতির হঠাৎ জাগরণ!

জেনারেল মাসুদের গ্রেপ্তার হতেই হঠাৎ দেখি-
সবাই একসাথে ওয়ান-ইলেভেন-কে ধুয়ে দিচ্ছে!

মনে হচ্ছে, এই জাতির কোনো অতীতই নেই।
বাঙালির স্মৃতিশক্তি আসলেই কচুপাতার পানির মতো-এক ঝাপটায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×