
আমি কবিতা লিখতে পারি না।
আসলে আমি কোনো কিছুই সাজিয়ে গুছিয়ে লিখতে পারি না। আমার লেখা মানেই এলোমেলো এবং অগোছালো বিশ্রী রকম। মাঝে মাঝে লোভ হয়, কবিতা লিখি। সাহস করে দুই চার লাইন লিখেও ফেলি। সেটা আর যাইহোক, কবিতা হয় না। কিন্তু আমি শান্তি পাই, আনন্দ পাই। যদিও আমার লেখা কেউ পড়ে না। পড়ে না বলেই আমি নিশ্চিন্ত। যা খুশি তা লিখে ফেলতে পারি।
গতকাল রাতে আবহাওয়া ভালো ছিলো।
সন্ধ্যায় বৃষ্টি হয়েছে। অল্প বৃষ্টি। কিন্তু ঢাকার অনেক রাস্তায় পানি জমে গেছে। রাতে বাসায় ফিরতে আমার সমস্যা হয়েছে। যাইহোক, বাসায় ফিরে খেতে বসেছি। খেতে বসে আমি অবাক! খিচুড়ি আর হাসের মাংস! দুপুরে ঠিক আমি মনে মনে এই খাবার টার কথাই ভেবেছিলাম! আরাম করে খেলাম। ইচ্ছা করছে বেশি করে জর্দা দিয়ে একটা পান খাই।
বিছানায় গেলাম। ঘুমে চোখ বন্ধ হয়ে আসছে।
ফারাজা গভীর ঘুমে। সুরভি পাশের ঘরে সিনেমা দেখছে। হঠাৎ আমার মনে এক আকাশ আবেগ ভর করলো। দুই চার লাইন লিখতে ইচ্ছে করলো। কিন্তু চোখে ঘুম। ঘুম নিয়ে কয়েক লাইন লিখলাম। আশা করি, এই অপরাধ ক্ষমা করবেন। কারণ এরকম দুই চার লাইন আরো লিখবো। আবেগ আসলেই লিখিব। লিখতে ভালো লাগে। এই ভালো লাগাকে অস্বীকার করতে পারি না।
এই ক্ষমাহীন পৃথিবীতে মানুষ কি করে বেচে থাকে?
কাছের মানুষ যারা দূরের হয়ে গেছে, তারা দূরেই থাকুক।
হুইস্কি না খেয়েই মাথা টলছে, পা ঝিমঝিম, সব কাঁপছে!
চৌকাঠ পেরুলেই, দাঁড়িয়ে আছে - সর্বনাশ।
কি সুন্দর অভিনয় নীলার! অস্কার দিতে ইচ্ছে হয়,
এমনিতে ভালো কিন্তু ভীষণ হেয়ালি।
আমি সরল মানুষ!
সকাল পেরিয়ে যায়, কেউ এক কাপ দুধ চা দেয় না।
ভালোবাসার বদলে নিন্দে, আর কত কাল?
মানুষের সমস্ত পাপ, একমাত্র ঈশ্বর ক্ষমা করতে পারেন।
যদি সত্যিই ঈশ্বর বলে কেউ থেকে থাকেন!
ঈশ্বর থাক বা না থাক, সব মানুষই একজন-
ক্ষমাশীলকে খুজে বেড়ায়।
ক্ষমা এবং ভালোবাসা না পেলে, জীবন শুকিয়ে যায়।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



