
হিন্দু দেবতা শিবকে মহাজাগতিক নর্তক হিসেবোনা হয়।
তার নৃত্যকে তাণ্ডব বলা হয়। নৃত্যরত শিবের মূর্তিকে 'নটরাজ' বলা হয়। বাংলায় এই নটরাজের নামই নর্তেশ্বর। নটরাজের মূতিটা ভালো করে খেয়াল করে দেখুন। এক হাতে একটি বাদ্যযন্ত্র ডমরু, অন্য হাতে আছে আগুন। শক্তির প্রতীক শিব। চারপাশের আগুনের বৃত্তটি অনন্তকাল ও মহাবিশ্বের চক্রকে বোঝায়। ডমরু বাজিয়ে যখন শিব নৃত্য করে তখন তার শক্তি থেকে তৈরি হয় এই মহাবিশ্ব। বিজ্ঞানে পন্ডিত হতে হলে, রুপকথার গল্প এবং ধর্মীয় মিথ জানা প্রয়োজন।
কখনও ভেবে দেখেছেন, প্রকৃতি কি চায়?
মানুষ সব কিছু ছাড়িয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। একদিন হয়তো মানুষ ঈশ্বরকে বন্ধী করে ফেলবে। বিজ্ঞান ধর্মকে মাইনাস করে দিয়েছে। প্রকৃতি কি মানুষের এই ধৃষ্টতা সহজ ভাবে মেনে নিবে? নটরাজ মূর্তির পিছনে কিছুটা বিজ্ঞান আছে। শক্তি। শক্তি হল সেই শক্তি যার মাধ্যমে এই সমগ্র পৃথিবী চলে। অনেকে মনে করে এই মূর্তি ঘরে রাখা মঙ্গলজনক। এটা ভুল চিন্তা। মূর্তির কোনো ক্ষমতা নাই। কোনো ক্ষমতা থাকে না।

মূর্তির কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
এগুলো মূলত মানুষের অন্ধবিশ্বাস। কুসংস্কার। কুসংস্কার থেকে দূরে থাকুন। বিজ্ঞানের সাথে থাকুন। ধর্ম থেকে দূরে থাকুন। ধর্ম আপনাকে পেছনে টেনে নিয়ে যাবেন। মসজিদ, মন্দির, গীর্জা আপনার কোনো উপকার করতে পারবে না। দুনিয়াতে আপনাকে সব কিছু অর্জন করে নিতে হবে, নিজের মেধা, শিক্ষা, ভালোত্ব এবং পরিশ্রম দ্বারা।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



