somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"বেলাশেষে" একটি সত্যিকার ভালবাসার গল্প

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আজকের মুভি রিভিউটি একটু অন্য ভাবে শুরু করি।অন্যভাবে করার কারণও আছে সিনেমাটি যে নন্দিতা রায়-শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এর পরিচালনায়।শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় তার তৈরী সব সিনেমাতেই তার পরিচ্ছন্ন পরিচালকের খ্যাতি টা ধরে রেখেছেন।এই সিনেমাটিও এর ব্যাতিক্রম নয়।
সিনেমাটি তে নেই কোন বর্তমান বড় সুপারস্টার নায়ক নায়িকা। নেই নাচ গান,আইটেম সং ও।তবুও সিনেমাটি হলে চলেছে টানা ১৮ সপ্তাহ।কলকাতায় ২০১৫ এর সবচেয়ে হিট সিনেমা এটি।
সিনেমাটির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন সৌমিত্র চট্রোপাধ্যায় এবং সতীলেখা সেনগুপ্ত।সৌমিত্র আর সতীলেখা একসাথে প্রায় ১৭ বছর পর অভিনয় করলেন।
সিনেমার গল্পে ফেরা যাক,
৪৯ বছর সংসার করে ঘরের কর্তা হঠাৎ ডিভোর্স এর সিদ্ধান্ত নেন।প্রথমে বাড়ির কর্তী ভাবেন পুজোয় সব ছেলেমেয়েকে এক করার জন্য কর্তা এই ফন্দি এটেছেন।কিন্তু তার ধারণা ভুল।কর্তা সত্যি সত্যিই ডিভোর্স চেয়ে বসেন। এর ফলে পারিবারিক এবং সামাজিক কি প্রতিক্রিয়া হয় এটা নিয়েই গল্প।তবে ভিতরের গল্প ছিল আরো আবেগী এবং হৃদয়ছোয়া।যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না।খুব বেশি ভালো লাগার মত একটা সিনেমা।

অনেক বছর ম্যারেজ লাইফ লীড করার পরে অনেকের মনেই এই প্রশ্ন আসতে পারে যে এতদিন কি দুজনার মধ্যে ভালবাসা ছিল নাকি শুধুই অভ্যাসবসত এক সাথে থাকা? এই প্রশ্নের সুন্দর একটা জবাব এই সিনেমাটা।সিনেমার ডায়লগ গুলোই এই সিনেমার প্রাণ।

সৌমিত্র চট্রোপাধ্যায় আর সতীলেখা সেনগুপ্তের অভিনয় নিয়ে কিছু বলার নেই। এককথায় বলতে গেলে অসাধারণ।বলা যায় সৌমিত্র-সতীলেখা ডিরেক্টরের “লাকি কাস্ট”।সৌমিত্র-সতীলেখার সাবলীল অভিনয়ই ছবিকে পরিপূর্ণ করেছে।

পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেখতে পারেন এই সিনেমাটি।এটি সামাজিক ঘরনার ছবি।সিনেমাটি দেখে চোখের কোণে যদি চিলতে জল জমে তবে অবাক হবেন না………

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:০২
১৫টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পঁই পঁই করে হিসাব রাখতে হবে, নতুবা বিপদে!

লিখেছেন ঋণাত্মক শূণ্য, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩৪

আমরা ক'জনা বেশ কিছুদিন আগে ব্যবসা শুরু করেছি। প্রথমেই একজনকে হিসাবের সব দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি নিয়েছিলাম মার্কেটিং ও টেকনিক্যাল সাইড গুলির দ্বায়িত্ব। সৌদীতে অনেক POS রেডিমেড পাওয়া গেলেও আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে কোন 'জঙ্গী' নেই

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:২৫

'জং' শব্দটার অর্থ 'যুদ্ধ'। এভাবে, জঙ্গী কথাটার অর্থ দাঁড়ায় - যোদ্ধা বা যুদ্ধ করেন। যে কোন যুদ্ধই প্রাণহানি ডেকে আনে। আগের কালে, রাজারা যুদ্ধ করে দেশ জয় করতেন। তাঁদের অণ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই প্রথম খাল বাবার পলিটিক্যাল ম্যাচুরিটির নিদর্শন পেলাম

লিখেছেন অপলক , ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪

২০১০ সালে ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখ। মেয়েলি ব্যাপার বলি, প্রতিহিংসার ব্যপার বলি অথবা পলিটিক্যাল ইমম্যাচুরিটির কথা বলি, বাংলাদেশ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নতুন করে আকীকা দিয়ে নাম রাখা হয়েছিল হযরত শাহজালাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাষণময়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১


বিশ্বাসগুলো হাবুডুবু খাচ্ছে
ভাগ্যের কম দোষটার হাত
ঝাঁকনি কম নেই তো- তাহলে
বিশ্বাসগুলো মরে যাচ্ছে এই;
মাটির আনন্দটা শুধু ফুল গন্ধ
নাকের সুসংবাদ যে দৌড়াচ্ছে
রাতের ঘুমটা যেনো স্বপ্নবিরল কষ্ট
ভোরের শিশির গড়ে না আর শক্ত;
তবু নিশ্বাসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮


মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×