somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যকা
রাজু আহমেদ । এক গ্রাম্য বালক । অনেকটা বোকা প্রকৃতির । দুঃখ ছুঁয়ে দেখতে পারি নি ,তবে জীবনের সকল ক্ষেত্রে অনুভব করেছি । সবাইকে প্রচন্ড ভালবাসি কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করতে পারি না । বাবা এবং মাকে নিয়েই আমার ছোট্ট একটা পৃথিবী ।

আর কতগুলো সকাল এমন দুঃসংবাদ বহন করবে ?

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রতিসকালের ন্যায় মঙ্গলবার সকালের ঘুম ভাঙ্গতেই মোবাইল হাতে নিয়েছিলাম দেশের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে । দেশের সর্বশেষ সংবাদ জানাতে টিভি কিংবা প্রিন্ট-পত্রিকার চেয়ে অনলাইন পোর্টালগুলো এবং ফেসবুক অনেকটা এগিয়ে । তবে ফেসবুকে সব সময় সত্য তথ্য পাওয়া যায়না । তবে একটু সচেতন হয়ে সংবাদের যাচাই-বাছাই করলে ফেসবুকের কল্যানেই দেশের সর্বশেষ অবস্থা দ্রুত জানা যায় । তাই বরাবরের মত কাক ডাকা ভোরের ফেসবুকেই ডুকেছিলাম । সেখানে প্রথম যে সংবাদটিতে চোখ আটকে গিয়েছিল সেটা কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে রাত সোয়া তিনটার দিকে যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোল বোমা হামলার ঘটনা । দেশের বিভিন্ন স্থানে যানবাহন লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা হামলা ঘটনা এখন নিত্যদিনকার সংবাদে পরিণত হওয়ায় পাঠের শুরুতে এ সংক্রান্ত খবর খুব বেশি মনোযোগ দিয়ে পড়ছিলাম না । কিন্তু মোবাইল স্ক্রিনে দৃশ্যমান পৃষ্ঠার একটু নিচের দিকে চোখ বুলাতেই নিজের চোখকে নিজে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না । মূহুর্তেই মনে হল আমার মস্তিষ্ক স্থির হয়ে গেছে । স্বাভাবিকভাবে কোন কিছুই ভাবতে পারছিলাম না । কয়েক মূহুর্তপর যখন স্বাভাবিক হলাম তখন চোখ কচলে আবারও সংবাদটি পড়লাম । দ্বিতীয়বার সংবাদ পড়ে মনে হল প্রথমবারে যা পড়েছিলাম তা ভূল ছিল না । শেষ রাতে যখন বাসের যাত্রীরা ভ্রমনের ক্লান্তিতে নিদ্রামগ্ন তখন দুর্বৃত্তদের ছোড়া পেট্রোল বোমার আগুনে ঘটনা স্থলেই ৭ যাত্রী জীবন্ত দ্বগ্ধ হয়ে মৃত্যুর বরণ করেছে । আরও ১৭ জন দ্বগ্ধ হয়েছে তবে তাদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশংঙ্কাজন । আশংঙ্কজনকদের কারো কারো শরীরের ৮০ ভাগ পর‌্যন্তও পূড়ে গেছে । ঘুমন্ত মানুষগুলোর কেউ কেউ হয়ত রঙিন স্বপ্নে বিভোর ছিল আবার কেউ আধো আধো নিদ্রায়মাখা চোখে অপেক্ষার প্রহর গুনছিল কখন গন্তব্য আসবে আবার কেউ হয়ত কিছুটা দুঃশ্চিন্তায়ও ছিল । কিন্তু এমন পাশবিক আক্রমনে শিকার হয়ে জীবন দিতে হবে কিংবা জীবন্ত দ্বগ্ধ হয়ে অসহ্য জ্বালা সহ্য করতে হবে তা বোধহয় কেউ ভূলেও ভাবেনি । তাদের গন্তব্যেও পৌঁছা হয়নি কিংবা স্বপ্নের অপমৃত্যু হয়েছে বাসের মধ্যেই । প্রথম যে পোর্ট্রালটিতে সংবাদটি পড়েছিলাম সেটা দেশের জনপ্রিয় পোট্রাল হওয়ার পরেও সেটার প্রতি আস্থা রাখতে না পেরে বিভিন্ন যায়গায় খবরের সত্যতা খুঁজতেছিলাম । প্রতিটিতে যখন একই খবর দিয়েছিল তখন আর অবিশ্বাস করতে পারিনি । ক্ষনিকের জন্য ভূলেই গিয়েছিলাম মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের কথা । যারা ঘুমন্ত মানুষকে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারতে পারে তাদের মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতে অন্তত আমার বিবেক সায় দেয়না । এমন জঘন্য কুকর্ম যারা করেছে সেই দোষীরা হয়ত কোন দিনই শাস্তির সীমায় আসবে না কিন্তু যাদেরকে এমন নৃশংসভাবে হত্যা করা হল তাদের দোষ কি ছিল-সেটার কৈফিয়ত কি কেউ কোনদিন দেবে ? আর কতগুলো সকাল এমন খবর দিয়ে শুরু হবে সে বিষয়ে দেশবাসী এখনও নিশ্চিত নয় কিন্তু আমাদের সকালের খবর তো এর উল্টো হওয়ার কথা ছিল । নতুন দিবাকরের বার্তা কি সংবাদ দেয়ার কথা ছিল আর কি পাচ্ছি । এভাবে আর কতদিন চলবে ? এমন ভয়ানক অনিশ্চয়তাযুক্ত পরিস্থিতিতে কি সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষ বাস করতে পারে ? যেখানে জাগ্রত কিংবা ঘুমন্ত মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নাই সেখানে ন্যায়-অন্যায়ের আব্দার তুলব কার কাছে ? চৌদ্দগ্রামের এ ঘৃণিত হত্যাকান্ড নিয়েও হয়ত গতানুতিক রাজনীতির খেলায় মেতে উঠবে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো কিন্তু আহত কিংবা প্রিয় স্বজন হারানোদের স্বান্তনা দেয়ার জন্য শুদ্ধ মনে কেউ এগিয়ে আসবে না । এ ঘটনার জন্য কাকে/কোন দলকে দোষ দিয়ে নিজেই দোষী হয়ে যাই তার চেয়ে কাপুরুষের মত নিজের কপাল চাপড়ানো উত্তম । ভাগ্যের নির্মম পরিহাস বলে একটা কথা তো সব যুগেই ছিল ! পরাজিতের মত বলা যাবে, ভাগ্যে যা ছিল তাই হয়েছে । ভাগ্যকে ঢাল বানিয়ে কিছুদিন বাধ্য হয়ে স্বান্তনা নেয়া যাবে হয়ত কিন্তু মনের পুঞ্জীবুঁত ঘৃণা ও ক্ষোভ কি কোনদিন মুছে দেয়া যাবে ? দেশে বর্তমানে মানুষ যেভাবে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে এভাবে কোন স্বাধীন দেশের মানুষ বাস করতে পারে বলে বিশ্বাস হয় না । গত ৬ জানুয়ারী থেকে শুধু পেট্রোলবোমার আঘাতে অগ্নিদ্বগ্ধ হয়ে ৩০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছে । অন্যান্যভাবে আরও জন বিশেক । যে রাজনৈতিক স্বার্থের বলি এ মানুষগুলো হয়েছে এটাকে কি গণমানুষের স্বার্থের রাজনীতি বলার উপায় এরপরেও আছে ?

বিএনপির ডাকে টানা অবরোধ চলছে জানুয়ারীর ৬ তারিখ থেকে । সাথে খন্ডকালীন হরতাল তো আছেই । সরকার এবং বিএনপিজোটের মধ্যকার দ্বন্দ্বে সৃষ্ট সংঘাত সারা দেশকে কুরুক্ষেত্রে পরিণত করেছে । মানুষে মানুষে তৈরি হচ্ছে দূরত্ব । মানুষ মানুষের প্রাণ সংহার করতেও মূহুর্তকাল ভাবছে না । নিকট ভবিষ্যেতে যে রাজনৈতিক দল দু’টো সহমত পোষণ করবে তারও কোন ইতিবাচক লক্ষণ প্রতীয়মান নয় । যে যার অবস্থান থেকে হুমকি-ধমকি দিয়েই চলছে । অথচ তাদের দলাদলিতে পৃষ্ঠ হচ্ছে সাধারণ মানুষ । খেটে খাওয়া সম্বলহীন মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে । জনজীবনে নেমে এসেছে চরম অতিষ্ঠতা । তরুণ প্রজন্মসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে রাজনৈতিক ভীতি ও বিমূখতা । দু’দলের রাজনৈতিক মত-পার্থক্যের লড়াইয়ের মধ্যে যে সাধারণ মানুষগুলো পতিত হয়েছে তারা মুক্তির শত চেষ্টা করেও পরিত্রানের কোন দিক পাচ্ছে না । একদল আল্টিমেটাম দিচ্ছে অন্য দলকে দমনের লক্ষ্যে, অন্যদল আল্টিমেটাম দিচ্ছে ক্ষমতাধরদের পতনের জন্য । এমন মরণগাতী লড়াইয়ের মধ্যে পড়ে সাধারণ মানুষের জীবন ওষ্ঠাগত অথচ সেদিকে কারো কোন ভ্রুক্ষেপ নাই । দেশের সাধারন মানুষ না বাঁচলে যে কাদের নিয়ে রাজনীতি হবে সে ভাবনা কারো মধ্যে নাই । ক্ষমতার মসনদ আঁকড়ে ধরা ও দখল করার প্রতিযোগিতায় সাধারণের প্রাণ যায় যায় । মানুষ পোড়া গন্ধ, কৃষকের আর্তনাদ, মজুরের চিৎকার, শ্রমিকের চোখের পানি, মানুষের ক্ষুধার জ্বালা আর সম্পদ ধ্বংসের মিছিল যেভাবে চলছে তাতে দেশের ভবিষ্যত যে কোন পথে নির্ধারিত হবে তা একমাত্র স্রষ্টাই ভালো জানেন । যে স্বপ্ন নিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছিল তার কতটুকু এখন রক্ষা পাচ্ছে তার হিসাব মিলাতে খুব বেশি জ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়না । মানুষের জীবনের নিরাপত্তা বিবেচনায় পাকিস্তান আর বাংলাদেশের মধ্যে এখন খুব বেশি তফাৎ নাই । পাকিস্তানে প্রতিনিয়ত বোমা হামলায় ডজন ডজন আর বাংলাদেশে হালি হালি মানুষের জীবন যাচ্ছে । পার্থক্য শুধু এটুকুই, পাকিস্তানে যারা বোমা মারে তাদের অধিকাংশ আত্মগাতীয় হামলা চালানোয় নিজেরাও নিহত হয় আর বাংলাদেশে যারা বোমা হামলায় চালায় তারা পালিয়ে গিয়ে দ্বিতীয়বার হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিতে পারে; পার্থক্য শুধু এটুকুই ।

দেশের অন্য কিছু মানুষের মত আমিও টিভির সংবাদ দেখা প্রায় ভূলে গেছি । পুড়ে যাওয়া মানুষের আর্তনাদ, স্বজন হারানোদের চিৎকার আর রাজনৈতিক নেতাদের পরস্পরের প্রতি দেয়া আল্টিমেটাম সহ্য করার ক্ষমতা দেহ কিংবা মনে অবশিষ্ট নাই । পত্রিকা যেটুকু পড়ি তাতেও পুড়ে যাওয়া মানুষের ছবি কিংবা এ সংক্রান্ত সংবাদ সাধ্যমত এড়িয়ে চলি । ভূল বশতঃ চোখে পড়লে রাতে ঘুমাতে পারি না, ঘুমের মধে দুঃস্বপ্ন দেখে চিৎকার করে জেগে উঠি । এভাবে আর কতদিন চোখকে বন্ধ রাখতে পারব, আর কত রাগ নির্ঘুম কাটবে ? আরও কতটি প্রভাতে পাখির ডাকের বদলে স্বজন হারানোদের চিৎকার শুণে ঘুম ভাঙবে ? স্বাধীন বাংলাদেশের এ কেমন ভয়াবহ চিত্র ! কোন স্বার্থে এবং কার স্বার্থে এমন রাজনীতি ? গণতন্ত্র কি এমন কথা বলে ? মানুষের জানমালের নিরাপত্তা কিভাবে নিশ্চিত করা যাবে তা সাধারণ মানুষের চেয়ে সরকারের ভালো জানার কথা । কিন্তু নিরাপত্তা কোথায় ? উদ্ভূত সমস্যা নিমিষেই সমাধান হবে সে আশা করি না তবে সমাধান সম্ভব বলে বিশ্বাস রাখি । আমাদের দেশটা যেন আমরাই ঘুছিয়ে রাখতে পারি । জাতি হিসেবে বাংলাদেশীরা প্রচন্ড আত্মমর‌্যদাশীল । আমাদের ভাগ্য-ভবিষ্যত অন্য কোন জাতি, রাষ্ট্র কিংবা সংস্থা নির্ধারণ করবে সে আশা কখনো করিনা কিংবা হুঁশ থাকতে এমনটা মেনে নিতেও পারব না । সুতরাং যারা দায়িত্বশীল তারা এগিয়ে আসুন । দেশের স্বার্থে ত্যাগের মনোবসনা করুন । ইতিহাস সব সময় জয়ীদের অমর করেনি বরং পরাজিতকেও বহুবার সম্মানের স্থানে আসীন করেছে । যেভাবে দেশ চলছে এভাবে একটি স্বাধীন দেশ চলার কথা নয় । শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে পারছে না, পরিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় বসতে পারছে না, কর্মজীবি কাজে যেতে পারছে না-এভাবে দেশ চলে ? চিরশত্রুর মধ্যেও যেখানে সখ্যতা গড়ে ওঠে সেখানে কেন বাংলাদেশীদের মধ্যে এত বিভেদ থাকবে । রাজনীতিবিদদের লক্ষ্য হোক দেশের মানুষের শান্তি নিশ্চিত করা-এ শুভক্ষণ দেখার অপেক্ষায় দেশের কোটি কোটি মানুষ চাতকের মত চেয়ে আছে । মাত্র গুটি কয়েক মানুষের নির্ভরতায় এটা নিশ্চিত হবে । দেশের সকল মানুষের স্বার্থ রক্ষায় এমন কোন ঘোষণা আসুক যা দেশের বিরাজমান পরিস্থিতি দূর করতে নির্ভূলভাবে কাজ করবে । প্রতিটি সকাল বয়ে আনুক সুসংবাদ । দূর হোক রাজনৈতিক অঙ্গনের তিমির রজনী । প্রত্যেকেই হোক প্রত্যেকের জীবন ও সম্পদের রক্ষক । শুধু স্বপ্নে নয় বাস্তবেও এমন সোনার দেশের কামনা করি । চিরকাল গর্ব ভরেই বলতে চাই, আমি বাংলাদেশী ।

রাজু আহমেদ । কলামিষ্ট ।
[email protected]

২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রংয়ের মানুষ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৫০


গ্রেট মাদ্রাজ ফ্যামিন যখন অনুপ্রেরণার উৎস
একদিন আমাদের সবার প্রিয় সংসদ সদস্য আমির হামজা ওয়াজে বেশ গরম গরম কথা বলছিলেন। মহান আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টির সৌন্দর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হঠাৎ রাশমিকা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

লক্ষ্মীপুরের সুপারি থেকে উপকূলের অর্থনীতি: কৃষিজ সম্পদই পারে গ্রামীণ ভাগ্য বদলাতে

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮


বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে এমন কিছু নির্দিষ্ট ফল, ফসল বা মৎস্য সম্পদ প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয়, যা শুধু স্থানীয় চাহিদা মেটায় না, বরং পুরো অঞ্চলের অর্থনীতিতে জোরালো প্রভাব ফেলে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

×