ভর করিয়াছে আত্মা অশরীরি
--------------------------- ড. রমিত আজাদ
মুমূর্ষু ধরা, দিগন্ত জোড়া, রাঙা মেঘ ছেয়ে মগ্নি,
মেঘ নয় ওযে ভয়াল দত্যি, লেলিহান শিখা অগ্নি।
না হয় ফসল, নকল-আসল, না ফোটে গোলাপ আর,
ম্লান মুখে নেই প্রাণের ছোঁয়া, চারিদিকে হাহাকার।
শীতার্ত-ক্ষুধার্ত, চাউনি ভয়ার্ত, কাঁপিছে ধরণী স্বর্গ-মর্ত্য,
শীর্ণ দেহের বিদীর্ণ বক্ষ, শালিক যুগল ব্যাধের লক্ষ্য,
লক্ষীপ্যাঁচার অশুভ শর্ত, আসিতেছে কোন বিপদ মুহূর্ত,
জোনাকী নাচের ছন্দ-আনন্দ কবে যে হয়েছে ম্লান,
অশান্ত বসন্তে ফুলের অজান্তে কোকিল ভুলেছে গান।
তন্দ্রা হারিয়ে তমসা হয়েছে, তিমির প্রহর রাত্রী,
উদ্দাম ঝড়ে ভগ্ন জাহাজে দিশাহীন কিছু যাত্রী।
শুধু আশঙ্কা রণের ডঙ্কা বাজাবে কি বীর কান্ড লঙ্কা?
বীরের স্মৃতি, নারীর আকুতি, অশুভ প্রেতাত্মা, খোলা তরবারী,
ভুত-প্রেত দানো, এলোচুল ভারী, ভর করিয়াছে আত্মা অশরীরি।
মায়ের মমতা, বোনের স্নেহতা, প্রীয়তমা নারীর পরম আকুলতা,
রহিবে কি বেঁচে পিতার দৃঢ়তা, নারীর সম্ভ্রম, মেয়ের শ্লীলতা?
ক্রীতদাস হাসে বিদ্রুপ হাসি, রাজমুকুটে যেন পড়াবে সে ফাঁসী!
রহিবে না সে বন্দী কাহারো, ঘোষণা করিবে মুক্তি,
ছিনিয়া আনিবে আকাশের চাঁদ, সূর্যে জ্বালিবে নতুন প্রভাত,
এখানেই আজ, হয়ে যাক সাজ, লড়াই করিবে সত্যি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




