পাতার বাঁশি
রাসেল আহমেদ মাসুম
ঝরা পাতা আমায় ভেবে
যখন তুমি মাড়িয়ে গেলে
বাতাস এসে আমায় তখন
উড়িয়ে নিয়ে ফেললো যে এক নদীর পাড়ে
সেথায় বসা অচিন পথিক, আমায় তখন কুড়িয়ে নিয়ে,
দিলো যে এক মুসকি হাসি
হাতের ভাজে ভাজিয়ে আমায় শব্দ দিলো
তখন লোকে বললো আমায় পাতার বাঁশি।
উৎসর্গ: রা.বি শাখা পাঠচক্র, বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্রকে।
প্রতিযোগীতার মাধ্যমে এক দল মেধাবী আরেক দল মেধাবীকে পেছনে ফেলে ভর্তি হয় ক্যাম্পাসে। মেধার মাধ্যমে ভর্তি হয়েও এই সব মেধাবীদের মধ্যে থাকে মেধার পার্থক্য, থাকে রীতি-নীতি, চাল-চলন,আঞ্চলিকতার পার্থক্য। এসব কিছুকে কেন্দ্র করে একই ক্লাসে তৈরি হয় বিভিন্ন গ্রুপ ও বন্ধুত্বের। এতকিছুর পরেও অনেকে অনেক সময় হয়ে পড়ে বন্ধুহীন, গ্রুপহীন। প্রতিদিন সবার সাথে দেখা হলেও নিজেকে সবার থেকে বিচ্ছিন্ন মনে হয়। এর পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। যেমন- পরীক্ষার নোট, মতের পার্থক্য, আদর্শ, সময়ের পার্থক্য ইত্যাদি। এসব কারণেই এক জনের প্রতি আরেক জনের তৈরি হয় অবহেলা, অনাস্থা, তৈরি হয় একজনের সাথে আরেকজনের দূরত্ব।
ঠিক এমন সময় যদি বই কারুর বন্ধু হয়ে যায়, আর এতে সাহায্য করে বই পড়া পাঠচক্র। তাহলে ঝরা পাতার মতই এক সময় প্রতিটি শিক্ষার্থী পাতার বাঁশিতে পরিণত হয় বলে আমি বিশ্বাস করি। সময়ের আবর্তে এরাই একদিন পায়ের তলা থেকে উঠে আসে মানুষের মুখে মুখে। ছড়িয়ে দেয় সুর, ছন্দ। বদলে যায় নিজে, বদলে দেয় বিশ্ব।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০১৫ সকাল ১১:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



