জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মোশাররফ হোসেন হলের পাঁচ ছাত্রলীগকর্মী পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গুলিবিদ্দ হওয়ার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হলের ছাত্ররা ক্যাম্পাস সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছে রাত ১টা থেকে।
গতকাল রাত ১০টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ছাত্রলীগ কর্মী লিখনকে কোপানোর ঘটনায় সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশ মোশাররফ হোসেন হলের ছাত্র নাহিদকে (নৃ-বিজ্ঞান বিভাগ, ৩৯তম ব্যাচ) আটক করে। এই সময় ছাত্রলীগ কর্মীরা পুলিশের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পরে এবং এক পর্যায়ে পুলিশের ভ্যান ভাংচুর করতে গেলে পুলিশ গুলি চালায়। এতে ৫ জন ছাত্র আহত হন। এই ঘটনায় মীর মোশাররফ হোসেন হলের বিক্ষুব্ধ ছাত্রলীগ কর্মীরা সাধারণ ছাত্রদের সমর্থনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে অবরোধ আরোপ করে। এর আগে আ ফ ম কামালউদ্দিন হলে লিখনকে কোপানোর ঘটনার বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্ররা। মিছিলের পর পরই পুলিশ মোশাররফ হোসেন হলে গ্রেফতার অভিযান চালায়।
এদিকে প্রচন্ড জন-দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে ভোরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এবং জাবি উপাচার্য আনোয়ার হোসেন ছাত্রদের অবরোধ প্রত্যাহার করার আবেদন জানান। তবে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা কারো কথা শুনতেই রাজি হয়নি। বিক্ষোভের মুখে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা চলে যেতে বাধ্য হন। জাবি উপাচার্য চলে যাওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়ার হুমকী দিয়েছেন বলে জানিয়েছে বিডি নিউজ ২৪ ডট কম। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে পাঁচ ছাত্র আহত হওয়ার ঘটনায় মীর মোশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যাক্ষ ও আবাসিক শিক্ষকদের বাসা ভাঙচুর করেছে বিক্ষুব্ধ ছাত্রলীগ কর্মীরা।
পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় আহতরা হলেন-ফার্মেসি বিভাগের ৩৯তম ব্যাচের ছাত্র রাকিব, পরিসংখ্যান বিভাগের ৪০তম ব্যাচের ছাত্র বশির, ইনফরমেশন টেকনোলজি বিভাগের ৩৯তম ব্যাচের ছাত্র মারুফ, গণিত বিভাগের ৪১তম বিভাগের রবিন ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ৩৯তম ব্যাচের ছাত্র নাহিদ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



