বিসিএস পরীক্ষার এই বৈষম্যটা দূর করা সম্ভব কি?
১০ ই জুলাই, ২০১৩ সকাল ১১:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আমি বিসিএস পরীক্ষা দিইনি। কখনো দিব, এমন পরিকল্পনাও নাই। কিন্তু বন্ধুদের জন্য বড় কষ্ট হয়। আমার অনেক বন্ধুই প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় টিকেছে। আবার অনেকে যোগ্যতা থাকা স্বত্বেও টিকেনি। এমন অনেকেই লিখিত পরীক্ষা দেয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে যাদের প্রাপ্ত নম্বর যারা টিকেনি তাদের চেয়ে অনেক কম। পরীক্ষা দেয়ার পরই কিন্তু সবাই জেনে যায়, যে সে কত নম্বর পাচ্ছে।
এক বন্ধু ৭৬ নম্বর পেয়েও টিকেনি। আরেক বন্ধু ৬৫ পেয়েও টিকেছে। পার্থক্যটা হচ্ছে একজনের মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অন্যজন সাধারণ ছাত্র। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য বিশেষ বিসিএস তো নেয়া হয়েছে। এরপরও আবার সাধারণ বিসিএসগুলোতেও এই বৈষম্য কেন? একজন মুক্তিযোদ্ধা দেশের জন্য যে গৌরব বয়ে এনেছেন তার তুলনা দেয়া সম্ভব নয়। কোন কিছু দিয়েই এই ঋণ শোধ করা যাবে না। কিন্তু তাই বলে পরবর্তী বংশধরদের মধ্যে এই ধরণের শ্রেণী বিভাগ করা হলে তা মঙ্গলজনক হবে না। বর্তমানে ছাত্রদের মধ্যে এই ব্যাপারে অসন্তোষটা বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একসঙ্গে পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। একই প্রশ্নপত্র দেয়া হচ্ছে। কিন্তু নম্বরের ক্ষেত্রে এই ভিন্নতা কেন? যদি মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের অধিক সুবিধা দেয়ার ইচ্ছে থাকে, তবে তাদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র দেয়া হোক। এমন প্রশ্ন পত্র দেয়া হোক যাতে তারা সর্বনিম্ন নম্বর পেতে পারে। তাদের জন্য আলাদা পরীক্ষা নেয়া হোক।
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং সাধারণ ছাত্রদের মধ্যে যে ভেদ রেখা টানা হচ্ছে শেষ পর্যন্ত বিষয়টি মঙ্গলজনক নাও হতে পারে।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪
একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।
শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে...
...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।...
...বাকিটুকু পড়ুন