আমি বিসিএস পরীক্ষা দিইনি। কখনো দিব, এমন পরিকল্পনাও নাই। কিন্তু বন্ধুদের জন্য বড় কষ্ট হয়। আমার অনেক বন্ধুই প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় টিকেছে। আবার অনেকে যোগ্যতা থাকা স্বত্বেও টিকেনি। এমন অনেকেই লিখিত পরীক্ষা দেয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে যাদের প্রাপ্ত নম্বর যারা টিকেনি তাদের চেয়ে অনেক কম। পরীক্ষা দেয়ার পরই কিন্তু সবাই জেনে যায়, যে সে কত নম্বর পাচ্ছে।
এক বন্ধু ৭৬ নম্বর পেয়েও টিকেনি। আরেক বন্ধু ৬৫ পেয়েও টিকেছে। পার্থক্যটা হচ্ছে একজনের মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অন্যজন সাধারণ ছাত্র। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য বিশেষ বিসিএস তো নেয়া হয়েছে। এরপরও আবার সাধারণ বিসিএসগুলোতেও এই বৈষম্য কেন? একজন মুক্তিযোদ্ধা দেশের জন্য যে গৌরব বয়ে এনেছেন তার তুলনা দেয়া সম্ভব নয়। কোন কিছু দিয়েই এই ঋণ শোধ করা যাবে না। কিন্তু তাই বলে পরবর্তী বংশধরদের মধ্যে এই ধরণের শ্রেণী বিভাগ করা হলে তা মঙ্গলজনক হবে না। বর্তমানে ছাত্রদের মধ্যে এই ব্যাপারে অসন্তোষটা বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একসঙ্গে পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। একই প্রশ্নপত্র দেয়া হচ্ছে। কিন্তু নম্বরের ক্ষেত্রে এই ভিন্নতা কেন? যদি মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের অধিক সুবিধা দেয়ার ইচ্ছে থাকে, তবে তাদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র দেয়া হোক। এমন প্রশ্ন পত্র দেয়া হোক যাতে তারা সর্বনিম্ন নম্বর পেতে পারে। তাদের জন্য আলাদা পরীক্ষা নেয়া হোক।
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং সাধারণ ছাত্রদের মধ্যে যে ভেদ রেখা টানা হচ্ছে শেষ পর্যন্ত বিষয়টি মঙ্গলজনক নাও হতে পারে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



