somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটাই ভয়, একটাই প্রশ্ন

০৫ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সেই স্কুল থেকেই একসাথে ওরা। একসাথেই চলছে, ঘুরছে, হাসা-হাসি করছে, মজা করছে। নিঝুম তেমনি এক চঞ্চল ধরনের মেয়ে। ছেলেরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েদের চঞ্চলতা দেখেই প্রথমে এক প্রকার ছটফটানি অনুভব করে। ধীরে ধীরে ভালো লাগা। আর ভালো লাগা থেকে ভালোবাসতে শুরু করে দেয়। রাফসানের মধ্যেও এক প্রকার ছটফটানি শুরু হয়েছিলো।

ক্লাসের লাষ্ট বেঞ্চে গিয়ে বসত রাফসান। একটু পর পর ঘাড় ঘুড়িয়ে, মাথা ঘুড়িয়ে মুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে দেখত নিঝুমকে। কি ভাবতো কে জানে?? হয়ত কোনো গভীর স্বপ্নে বিভড় হয়ে যেতো। কোচিং, প্রাইভেট ফাকি দিয়ে রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থেকে একবার দেখা, আর কতই না পাগলামি করা। কিন্তু বলতে পারছিলো না তার ছটফটানিটা আস্তে আস্তে ভাল লাগা থেকে ভালোবাসায় পরিণত হওয়াটা।

ঈশ্বর মেয়েদের মাঝে এক অলৌকিক ক্ষমতা দিয়ে পাঠিয়েছেন। তারা ছেলেদের হাব-ভাব দেখেই আচ করে ফেলে। হয়ত এই সুবাধে ওদের মিলনটা বিধাতা করিয়েই দিলেন।

প্রথম অবস্থায় মেয়েদের মনটা ততটা জমজমাট থাকে না। একটু সময় নেয়। দিন যায় প্রেম বাড়ে, ভালোবাসা বাড়ে। রাতের পর রাত জেগে কথা, দুজনের কলেজ ভিন্ন ছিলো বলে কলেজ ফাকি দিয়ে ঘুড়তে যাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি।

কলেজ পড়ুয়া ছেলেদের কাছে খুব বেশি টাকা থাকে না। টিফিনের বাচানো টাকাটা যথেষ্ট নয় সে সময়ের জন্য। প্রাইভেটের স্যারদের টাকা মারাটা তখন যেনো ফরজ কাজ ছিলো।

রাগ ঝগড়া ছাড়া প্রেম ভালোবাসা জমে উঠে না। ওদের প্রেম ভালোবাসা তখন চরম ফর্মে। এমন অবস্থা ছিলো যে, রাফসান বলতেই নিঝুম। আর নিঝুম বলতেই রাফসান।

ওদের সম্পর্কে একটা কিন্তু ছিলো। ওরা কেউই জানে না ওদের সম্পর্কের ভবিষ্যত কি। শুধুই অজানা পথে ছুটে চলা। তাদের নিয়তি কি তারা আজও জানে না। শুধু ভয় পায় এই বলে "আমরা থাকতে পারবো তো একসাথে??"

আজ তারা ভার্সিটির শেষ পর্যায়। ওদের ভালোবাসা এখন ম্যাচিয়ুর্ড। ক্লাসের লাষ্ট বেঞ্চে বসে দেখা সেই স্বপ্নটা রাফসান আজও দেখে। তাদের একসাথে চলাটা আজও থামেনি। তবুও দিন শেষে একটাই ভয়, একটাই প্রশ্ন "আমরা থাকতে পারবো তো একসাথে??"
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১১:২৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চন্দ্রপ্রভা

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

চন্দ্রপ্রভা
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

তোমাকে দেখে মোহিত হই চন্দ্রপ্রভা
রোদ পড়লে চকচক করে
এতই সুন্দর লাগে
একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকি।
তোমাকে ছুঁতে ইচ্ছে করে
কিন্তু পাই না যে সাহস।
তুমি নাই বলে কি এত ঝড়?
তুমি পাশে নাই বলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনি কি পেলেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬



বাংলার দুই নোবেল জয়ী রবি ঠাকুর আর ডঃ ইউনুসের পিছনে অনেক কথাই তো বললেন।
ব্লগ লেখায় ভরিয়ে ফেললেন!
খোদা তাঁদেরকে যে জায়গা দিয়েছেন, তা থেকে এক চুল কি নিচে নামাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমরা নেহা বোরা কে বাংলাদেশের কথা বোলো না

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:০২


নেহা বোরাকে তোমরা বাংলাদেশের কথা বোলো না। বোলো না যে, তিনি যখন বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ভূয়সী প্রশংসা করছেন, তখন বাংলাদেশে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুনেরা ক্যাম্পাসে গরু জবাই করে জেয়াফত খাওয়ার আন্দোলন... ...বাকিটুকু পড়ুন

জগন্নাথবাসীগণ, আমার কথা শুনছেন কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

জগন্নাথবাসীগণ,
আপনাদের গরু কোরবানি যদি হযরত জাবের (রাঃ)-এর মতো
নবীজীর সম্মানে হয়ে থাকে, তাহলে মোবারকবাদ।
আর, শুধু প্রতিবাদ দেখাতে একটি অবলা পশুকে হত্যা করে থাকলে,
তার জন্যে খোদার দরবারে বিচার দিলাম।
...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×