যাঁর ছোঁয়ায় লোহা, তামা, কাসা সবকিছু স্বর্নে পরিণত হয় সেই পরশ পাথরের নাম মুসফিক স্যার। মানুষের জ্ঞানের আলোয় যে অন্য মানুষ আলোকিত হয়, উজ্জীবিত হয় সেটি মুসফিক স্যার কে দেখার আগেও জানতাম কিন্তু কখনো সেই অর্থে ফিল করি নাই। বিষয়টি হৃদয় দিয়ে অনুধাবন করতে পেরেছিলাম স্যার কে দেখে, স্যারের কথা শুনে।
একবার এক বন্ধু কথায় কথায় বলেছিল, স্যারকে যদি দেখি, তাঁর কথা শুনি তাহলে সাতদিন ফজরের নামাজ মিস হয় না। সেইদিন বুঝেছি, জ্ঞানী ও প্রজ্ঞাবান মানুষেরা আলো ছড়ায় সবাইকে আলকিত করে। আমারো আলো হবার, পরশ পাথর হবার তীব্র ইচ্ছে জেগেছে সেদিন থেকে। তাবলিগকে শতভাগ সমর্থন কেন করিনা বা করলে কতটুকুন করি, সে বিতর্ক আজকের বক্তব্যের বিষয় নয়।
আমার মনে আছে কোনএক প্রসঙ্গে বলতেগিয়ে স্যার বলেছিলেন, মানুষ যা চায় আল্লাহ যদি তা তাকে সাথেসাথে দিয়ে দিতেন তাহলে হয়তো সেই মানুষ তা নিতে পারবে না। হয়তো পাগল হয়ে যাবে। এমন তো হতে পারে, যা চাইছি তা পেলে আমার অমঙ্গল হবে! বরং চাওয়া জিনিসটা না দিয়ে আল্লাহ আমদের মঙ্গল করেন, আল্লাহ আমাদের ভালবাসেন। এজন্য দোয়া করতে হবে, হে আল্লাহ আমি জানি না কিসে আমার ভাল হয়, তুমি সব জান। আল্লাহ আমার জন্য যা ভাল হয় তুমি তাই কর। যা আমার জন্য খারাপ হয় তা থেকে ফিরিয়ে রাখ।
সৃষ্টিকর্তা, এই কথার মধ্যদিয়ে তোমার সৃষ্টিকে জানবার ইঙ্গিত কিরে, আমার জানার আগ্রহ সৃষ্টি করে। এই জ্ঞানের কথা জানাবার জন্য স্যারকে ক্ষমা করে দিয়, নিশ্চয় তুমি মহাজ্ঞানী ও ক্ষমাশীল। খোদা, স্যারকে বেহেস্ত দিয়া দিয়, নিশ্চয় তুমি পরম দাতা ও দয়ালু।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




