somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

বিদ্রহীসূত
পাঠকের মুগ্ধতাই আমার লেখার প্রেরণা, সত্য প্রচার আমার লেখার উদ্দেশ্য আর মিথ্যাকে বিনাশ করে দিকেদিগন্তে সত্যের আলোকচ্ছটার বিচ্ছুরণই আমার লেখার চূড়ান্ত লক্ষ্য।

স্বর্ণযুগের সভ্যতা ও পশ্চিমা ‘অসভ্যতা’

০৬ ই মে, ২০১৪ বিকাল ৩:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পাশাপাশি দু’টি দেশ। একটি ‘সভ্য’ ও অপরটি ‘অসভ্য’ বলেই পরিচিত। সভ্যদের দেশ থেকে দু’জন বিশিষ্ট ব্যক্তি অসভ্যদের দেশে বেড়াতে এসেছে। রাজার বাড়িতেই তাদের স্থান হয়েছে। ‘অসভ্য’ দেশের মানুষগুলি তাদের দু’জনকে অত্যন্ত সমাদর করেছে, আপ্যায়ন, আতিথেয়তা করেছে। একদিন সকালে তারা দু’জন অসভ্যদের রাজার সাথে বসে নিজ দেশের গল্প করছে, এমন সময় দু’জন কৃষক হাজির হয়েছে একটি নালিশ নিয়ে। প্রথম কৃষক এক খণ্ড কৃষিজমি বিক্রি করেছে দ্বিতীয় কৃষকের কাছে। দ্বিতীয় কৃষক মাঠ খনন করতে গিয়ে সেখানে এক কলস স্বর্ণ পেয়েছে। তখন দ্বিতীয় কৃষক স্বর্ণের কলসটি প্রথম কৃষকের বাড়িতে দিতে গেলে দ্বন্দ্বটির সূত্রপাত হয়। প্রথম কৃষক বলে, ‘জমিটি আমি তোমার কাছে বিক্রি করেছি, সুতরাং জমিতে যা কিছু আছে সবই তোমার।’ আর দ্বিতীয় কৃষকের যুক্তি হলো, ‘আমি তোমার কাছ থেকে জমি কিনেছি, স্বর্ণ ক্রয় করি নি, সুতরাং স্বর্ণ আমার হবার প্রশ্নই উঠে না।’ এর পরেই উভয়ে রাজার শরণাপন্ন হয়। তখন রাজা সব শুনে ফায়সালা দেন যে, প্রথম কৃষকের ছেলের সাথে দ্বিতীয় কৃষকের মেয়ের বিয়ে হবে এবং স্বর্ণগুলি দিয়ে বিয়ের খরচ নিষ্পন্ন হবে। তারপরও যে টাকা বেঁচে যাবে তার মালিক হবে নবদম্পতি।
এই বিচার দেখে অতিথি দু’জন হাসি যেন আর ধরে রাখতে পারছিল না। বিচার শেষে সবাই যখন রাজপ্রাসাদ ছেড়েছে তখন তারা রাজাকে বলল, আপনার রাজ্যের সবাই কি এমন বোকা? আমাদের দেশে এমন কোন মামলা ভাবাই যায় না। আমাদের দেশে হলে, দ্বিতীয় ব্যক্তি যখন জমি খনন করে স্বর্ণ পেত তখন কাউকেই বলত না। তবে যদি কোনভাবে প্রথম ব্যক্তিটি জানতে পারত তবে সে স্বর্ণের কলস দখল করার জন্য কোনকিছু করতেই বাদ রাখত না।’
রাজা অবাক, ‘বলেন কি? তাহলে তো এটা নিয়ে মারামারিও হত নিশ্চয়ই।’
অতিথিরা হাসলো, ‘শুধু মারামারি? কতজন যে মরত আর আহত হত তার ইয়ত্তা নেই। আর যদি পুলিস জানতে পারতো তাহলে তো পুলিসই সেগুলি দখল করে নিত। আর এটা যদি কোনভাবে রাষ্ট্রের হাতে চলে আসত তবে যেভাবেই হোক যুক্তিতর্কের মাধ্যমে প্রমাণ করা হত এটা রাষ্ট্রের সম্পদ। বিচার শেষে উভয়পক্ষই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কর্মসূচি দিত, গাড়িতে আগুন দিত। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এই স্বর্ণের কানাকড়িও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা পড়ত না। কর্তৃপক্ষের মধ্যেই ভাগ বাটোয়ারা হয়ে যেত।’
রাজা সব শুনে বললেন, ‘এসব তো মহা অন্যায়।’ তখন তারা বলল, ‘অন্যায়? একটি মূল্যবান বস্তুর মূল্য বোঝা অন্যায়? আপনারা বর্বর আর অসভ্য বোলেই স্বর্ণের মূল্য বোঝেন না, কিভাবে এটাকে নিজের হস্তগত করা যায় তাও বোঝেন না। এক কলস স্বর্ণ হলে সারাজীবন আরাম আয়েশে কাটানো যায়, বাড়ি, গাড়ি, শান-শওকত সব পাওয়া যায়, চাষবাস করা লাগে না, জমিদারী হালে চলা যায়। আমাদের ইচ্ছে হচ্ছিল ঐ কৃষক দু’টিকে কষে চড় মারি। আচ্ছা রাজা মশাই, কৃষক দু’টিকে ডেকে আনা যায় না? তাদের কিছু শিক্ষার প্রয়োজন আছে।’
রাজা মশাই তাদের এই কথায় আহত হয়ে বললেন, ‘আপনারা তাদেরকে কি শেখাবেন তা আমি বুঝতে পারছি। আমার রাজ্যের লোকেরা যে কোনো প্রকার মিথ্যা, ছলচাতুরি, প্রতারণা, অতি ছোট চুরিকেও মহাপাপ বলে জানে। স্বর্ণের মূল্য আমরা বুঝি। মাটির নিচে পাওয়া এ স্বর্ণের মূল্য যেহেতু অনেক তাই এটি নিয়ে প্রতারণা, মিথ্যা বা চুরির পাপও হবে অনেক বড়। এ জন্যই তারা ও পথে পা বাড়ায় নি। তারা জানে যে এটির মালিক হতে পারলে সারাজীবন আরাম-আয়েশ আর ভোগবিলাসিতায় কাটাতে পারবে কিন্তু সে আগামীকাল বাঁচবে কিনা তার কি নিশ্চয়তা আছে? তাছাড়া নশ্বর জীবনে পাপের বোঝা বাড়িয়ে অনন্তকালের সুখ-স্বাচ্ছন্দ হারানো এবং কঠিন শাস্তির জীবন গ্রহণ করা কি বুদ্ধিমানের পরিচয়? আমাদের প্রতিটা মানুষের মধ্যে স্রষ্টার সন্তষ্টিলাভের বাসনা রয়েছে; তাই তারা কোন অপরাধ করে না, যদি শয়তানের প্ররোচণায় কখনো অপরাধ করেও ফেলে তবে অনুশোচনায় দগ্ধ হয়ে নিজেই শাস্তি পেতে রাজদরবারে চলে আসে। আমাদের দেশে কেউ প্রাসাদ বানিয়ে ভোগবিলাসিতায় মত্ত আর কেউ রাস্তায় বুভুক্ষু অবস্থায় দিনাতিপাত করে না। আপনারা আমাদের কী শিক্ষা দেবেন? যদি আপনারা সত্যিই সভ্য হতে চান তবে আপনাদের উচিত আমাদের এই শিক্ষা আপনাদের দেশে নিয়ে যাওয়া।’
সমগ্র পৃথিবীকে আজ যে ‘সভ্যতা’ আপাদমস্তক আচ্ছাদন করে রেখেছে, যার আলোয় আলোকিত হতে উদগ্রীব সকল অসভ্য জাতি-গোষ্ঠী, সেই ‘সভ্যতা’র নাম হলো পাশ্চত্য ইহুদি-খ্রিস্টান বস্তুবাদী যান্ত্রিক ‘সভ্যতা’। নিজের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, রুচি-অভিরুচি, ধর্ম, বিবেকবোধ সবকিছুকে উপেক্ষা করে আজ প্রায় সকল জাতি, সকল দেশের মানুষ নির্লজ্জভাবে পাশ্চাত্য ইহুদি-খ্রিস্টান ‘সভ্যতা’র অন্ধ অনুকরণে ব্যস্ত। উপরোক্ত গল্পে ‘সভ্য’ দেশের নাগরিক বলতে এই ইহুদি-খ্রিস্টান ‘সভ্যতা’র ধারক বাহকদেরকেই বুঝিয়েছি। তবে বর্তমানে ১৬০ কোটির মোসলেম নামক জাতিটিসহ সমগ্র মানবজাতি এই ইহুদি-খ্রিস্টান ‘সভ্যতা’র অন্তর্ভুক্ত।
ইহুদী-খ্রিস্টানরা যেটাকে ভাল ও ন্যায় বলেছে সেটাই ভালো ও ন্যায়, ইহুদি খ্রিস্টানরা যেটাকে মন্দ বা অন্যায় বলেছে সেটাই মন্দ বা অন্যায় এই ধারণার উপর ভিত্তি করে এই সভ্যতা গড়ে উঠেছে। যেমন- ইহুদি-খ্রিস্টান সভ্যতা বলেছে স্রষ্টা নয় - জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস, মানবজাতির অর্থনীতি হবে সুদভিত্তিক। পৃথিবীর অন্য সব জাতি সেটাকেই গ্রহণ করে নিয়েছে। এই ‘সভ্যতা’র অন্ধ অনুকরণে মানুষ যত অভ্যস্ত হচ্ছে পৃথিবী ততই অন্যায় অবিচারে পরিপূর্ণ হয়ে উঠছে। যে কোন দিনের সংবাদপত্র খুলুন, দেখবেন পৃথিবীময় অশান্তি, ক্রোধ, রক্তারক্তি, অন্যায়, অবিচার আর হাহাকারের বর্ণনা। রাষ্ট্রগত ভাবে যুদ্ধ, দলগত ভাবে হানাহানি, ব্যক্তিগতভাবে সংঘাত আর রক্তারক্তির হৃদয়বিদারী বর্ণনা। পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশে, প্রতি বছর খুন, যখম, ডাকাতি, ধর্ষণ, বোমাবাজি আর অপহরণের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বেড়ে চলেছে। এমন কি বেগুনাহ, নিষ্পাপ শিশুরা পর্যন্ত এই মানুষরূপী শয়তানদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। এক দিক দিয়ে মানুষ যেমন বিজ্ঞানের শিখরে উঠছে অন্য দিক দিয়ে ঠিক তেমনি ভাবে সে সব রকমের অন্যায়ের চূড়ান্তে গিয়ে পৌঁছুচ্ছে।
তাহলে মানুষ আজ যে সভ্যতার বড়াই কোরছে সত্যি কি এটা সভ্যতা? আমি বলবো, না, এটা সভ্যতা নয়। এটা আত্মাহীন বিবেকহীন একটা যান্ত্রিক প্রগতি মাত্র, যে প্রগতি মানুষকে যত যান্ত্রিকভাবে এগুচ্ছে, তত তাকে মানুষ হিসাবে টেনে নীচে নামাচ্ছে, অসভ্য বানাচ্ছে- তাকে কিছুতেই আর যাই হোক সভ্যতা বোলে আখ্যা দেয়া যায় না। এটাকে আমি বলব “যান্ত্রিকভাবে উন্নত অসভ্য জনগোষ্ঠী”।
এবার আসি গল্পটিতে ‘অসভ্য’ বলে কথিত জাতিটির প্রসঙ্গে। এই জাতিটি বর্তমান পৃথিবীতে অনুপস্থিত। ১৪০০ বছর আগে রসুলাল্লাহ অক্লান্ত পরিশ্রম করে উম্মতে মোহাম্মদী নামক যে জাতিটি গঠন করেছিলেন তারা অর্ধ্বেক পৃথিবীতে সর্বাত্মক সংগ্রাম করে, রক্তের বিনিময়ে যে সভ্যতা প্রতিষ্ঠা করেছিল সে সভ্যতার মানুষগুলি অমন সৎ মানুষে পরিণত হয়েছিল। প্রকৃত এসলামের সংস্পর্শে আসার ফলে অর্ধপৃথিবীর মানুষগুলি এমন হয়ে গিয়েছিল যে, অতি সংগোপনে, রাতের অন্ধকারেও আল্লাহর ভয়ে অন্যায়, মন্দ কাজ থেকে তাঁরা বিরত থাকত। ফলে আদালতে মাসের পর মাস ‘অপরাধ সংক্রান্ত’ কোন অভিযোগ আসত না। স্বর্ণের দোকান খোলা রেখে মানুষ অন্যত্র চলে যেত। রাতে ঘরের দরজা বন্ধ করার প্রয়োজন হত না। এটাকেই বলে ইসলামের স্বর্ণযুগ। সেই সভ্যতা কিভাবে লুপ্ত হল সেটা অন্য ইতিহাস। বর্তমান বাস্তবতা হল, এখন তারাও ইহুদি-খ্রিস্টান “যান্ত্রিকভাবে উন্নত অসভ্য জনগোষ্ঠী”কে পদে পদে অনুসরণ করছে। আর পাশ্চাত্য সভ্যতা এসলামকে ‘অসভ্য’ জীবনব্যবস্থা বলেই প্রচার করে।
কিন্তু ‘সভ্য’ অর্থ ভদ্র, শিষ্ট, মার্জিত, সুরুচিসম্পন্ন, ভালো (civilian – polite – courteous – mannerly) ইত্যাদি। ভালোটাকে গ্রহণ ও মন্দটাকে বর্জন করে ধীরে ধীরে গড়ে উঠে সভ্যতা (Civilization)। এই বিচারে বর্তমানে পাশ্চাত্য ও তাদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত সমাজ কতটুকু সভ্য এই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। যাদের সমাজে সমকামিতা ভীষণ জনপ্রিয়, যাদের সর্বগ্রাসী ব্যভিচার কোন নীতি নৈতিকতা ও সম্পর্কের বাধা মানে না, যাদের শতভাগ মানুষ মাদকাসক্ত, পশুর মত ভোগ করাই যাদের একমাত্র জীবনাচার তাদেরকে কিভাবে সভ্য বলা যায়?
তবে অত্যন্ত আনন্দের কথা হচ্ছে এসলামের সেই স্বর্ণযুগ আবার ফিরে আসবে অতি শিগগিরই। সেই অকল্পনীয় শান্তিময় সভ্যতার যাত্রা ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। যামানার এমাম জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নীর অনুসারীরা নিজেদের সর্বস্ব আল্লাহর রাস্তায় বিলিয়ে দিয়ে নিজেদের প্রাণটুকু নিয়ে যাবতীয় অন্যায়, অবিচার, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ, ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে আত্মনিয়োগ কোরেছে। তাদের প্রচারণায়, কর্মপ্রচেষ্টায় লক্ষ লক্ষ মানুষ বুঝতে সক্ষম হচ্ছে যে, তাদের জীবনে যে অশান্তির ঘোর অন্ধকার তার কারণ পশ্চিমা আত্মাহীন, স্রষ্টাহীন, বস্তুবাদী সভ্যতার জীবনব্যবস্থা গ্রহণ করে নেওয়া। নতুন সভ্যতার যে বীজ যামানার এমাম রোপণ কোরে গেছেন তা ক্রমে ক্রমে অঙ্কুরিত হয়ে চারাগাছ থেকে বৃক্ষে পরিণত হচ্ছে, এনশা’ল্লাহ অতি শীঘ্রই তা ফুলে-ফলে সুশোভিত হয়ে উঠবে। আবার হারিয়ে যাওয়া সেই সভ্যতা মহীরুহ হয়ে সমগ্র মানবজাতিকে শীতল ছায়া প্রদান করবে এনশা’ল্লাহ।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

দেখা হবে যুদ্ধ ফুরোলে সন্ধের মাহফিলে;
দেখা হবে ঠিক চেনা রাস্তার অচেনা-অন্ত্যমিলে।
ছড়াব আবার শস্যের দানা দেশ থেকে মহাদেশে
মানুষই জেতে, খুঁজে নেয় আলো অন্ধকারের শেষে...

তোমার গল্পে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

×