বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা; অন্ধকারের দিকে যাত্রা...!!!
শিক্ষার বাজার আজ দখল করে আছে কোচিং সেন্টার আর শিক্ষক নামধারী ব্যবাসায়ীরা। সরকারি বিজি প্রেস থেকে যখন প্রশ্ন বাইরে বের হয়ে যায় তখন স্কুল কলেজে কি অবস্থা তা বলাই বাহুল্য। আর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তো তেল মারাই সর্বশেষ কথা। কিন্তু তা হলে শিক্ষার বাস্তবিক চিত্রটি কি? বাংলাদেশ কি সত্যিই পিছিয়ে আছে? না কিছুটা এগিয়েতছে?
বাংলাদেশের শিক্ষা বোর্ডের দুর্নীতির দিকে একটু তাকাই। দেখা যাবে সার্টিফিকেট বিক্রি আর রেজিস্ট্রেশন ব্যাবসা চূরান্ত আকার ধারণ করেছে। টাকা দিলে বাঘের দুধ ও মেলে তা শিক্ষা বোর্ডে গেলে আপনি সহজেই বুঝে যাবেন। গ্রামের স্কুল গুলোর দিকে তাকান তা হলে দেখবেন গ্রামাঞ্চলে শিক্ষাথীদের জন্য যে বই বরাদ্দ দেয়া হয় তা তারা চোখেও দেখে না। কারণ নৈতিকতার মুর্ত প্রতীক শিক্ষক সহজেই এই অনৈতিক কাজ গুলো করছেন। আর গাইডবই কোম্পানির কাছ থেকে পার্সেন্টেজ খেয়ে ছাত্রদের জন্য প্রেসকাইব করছেন আজেবাজে প্রকাশনীর নিন্ম মানের পাঠ্য পুস্তক। প্রথমিক এবং মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য যে শিক্ষক নিয়োগ করা হয় তার বিবিরণ না দেয়ায় ভালো। কারণ এইখানের দুলক্ষ টাকা খরচ করলেই পাওয়া যায় একটা চাকুরি। যার গোড়াতেই গলদ তার পরবর্তী কাজ আর কতটুকুই বা উন্নত মানের হবে তা তো না বলে দিলেই চলে। আর ঢাকা শহরে একটা নামকরা স্কুলে বা কলেজে চাক্রি নিতে পারলে মাশাল্লাহ ভালোই কামাই করা যায়। ভিকারুন্নিসা , আইডিয়াল , ঢাকা কলেজের একজন শিক্ষক কত টাকা কামাই করেন ক্লাসে পরিয়ে আর ক্ত কামাই করেন টিউশনি করে তা জানা দরকার। আর এই সব সাইনবোর্ড বিহীন টিউশনি গুলোকে ১০০% ট্যাক্সের আওতায় আন্তে পারলে হয়তো এই শিক্ষকদের দৌরাত্তা কিছুটা কমতে পারে।
আর শুধু ছাত্র শিক্ষকদের দোষ দিয়ে লাভ নেই সরকার গত ১৫ বছর ধরে শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া দিচ্ছে ১০০ টাকা! যা দিয়ে বস্তিতেও এক্টা ঘড় পাওয়া যায় না। সকল জায়গায় ছাত্রদের পোষাক নিয়ে কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু ভার্সিটি গুলোতে ঊড়না ছাড়া মেয়েদের যাতায়ত। প্রায় বুক খোলা জামা আর হাটু পর্যন্ত উচূঁ পাজামা কে স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে যা শিক্ষকদের ও নৈতিক স্খলন ঘটাচ্ছে।
সরকারের উচিৎ শিক্ষাক্ষেত্রে একটু নজর দেয়া আর আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য অনুসারে সকল ইনিস্টিটিউশানে ড্রেসকোড নির্ধারিত করে দেয়া।আমি বোরকার কথা বলছি না। আমি শালীন পোশাক আর নৈতিক শিক্ষার কথা বলছি। কারণ প্রমথ চৌধুরী কবে শিক্ষা নিয়ে তার আক্ষেপ প্রকাশ করে গিয়েছেন সেই আক্ষেপ আজো দূর হয় নাই। এখনো ইনিস্টিটিউশন গুলোতে নতুন চিন্তার বিকাশ ঘটানো হয় না। একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে গেলে আমাদের আজ নতুন সিদ্ধান্ত নিতেই হবে।
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।