ভুল!
ভুলটা আগেও হয়েছে। হলো গতকালও। একই ভুল বারবার হচ্ছে বলেই প্রশ্নটা উঠছে, কেন যেন বারবারই পুরোনো নামে ডাকা হচ্ছে চট্টগ্রামের নতুন টেস্ট ভেনু্যটিকে? চট্টগ্রাম টেস্টের টসের সময় 'অ্যাঙ্কর' আতাহার আলী বেমালুম ভুলে গেলেন যে এটি এখন আর চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্টেডিয়াম নয়। স্বাধীণতা যুদ্ধের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের নামে নামকরন করা হয়েছে। বিদেশীরা ভুল করলেও তিনি কিভাবে ভুলটা করেন? তার উপর নির্বাচক হিসাবে ক্রিকেটের সঙ্গে আতাহার আলীর সংশ্লিষ্টতা তো অনেক দিনের। তার তো বিষয়টা অজানা থাকার কথা নয়।
নতুন পরিচয়!
এখন থেকে কমেন্ট্রিবঙ্ েআতাহার আলীকে আর একাকিত্ব বোধ করতে হবে না। কমেন্ট্রিবঙ্ েস্বদেশী মানুষ পাবেন। আনর্ত্দজাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন পরিচয় পেয়ে গেলেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ। পরীামূলকভাবে তিনি ঢুকে গেছেন ইএসপিএন-স্টারের কমেন্ট্রি দলে। এবং প্রথমবারের মতো একসঙ্গে দুই বাংলাদেশী জুটি বেঁধে কাল ধারাভাষ্য দিলেন। সকালের ফাইটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পেঁৗছে লাঞ্চের পরের সেশন থেকে ধারাভাষ্যকরে সদস্য হয়ে যান খালেদ মাহমুদ। ক্রিকেটার হিসাবে যেমন সফল ছিলেন দেখার বিষয় নতুন পরিচয়েও ততোটা সফল হন কিনা।
উইকেট নিয়ে রহস্য কাটছেই না
টেস্ট শুরুর আগের দিন কিউরেটর বদিউল আলম খোকন বলেছিলেন,'এর আগে হোম সিরিজের কোন উইকেটে এতো ঘাস রাখা হয়নি।' এটা শুনে যে কেউ মনে করতে পারেন উইকেটের পপাতটা তাহলে পেসারদের দিকেই থাকবে। পরে শোনা গেলো ওই ঘাস নাকি পেসারদের কোন কাজে আসবে না। উইকেটে যাতে দ্রুত ফাটল না ধরে সে জন্যই ঘাস রাখা।
প্রতিপ দলের দুই স্পিনার মুত্তিয়া মুরালিধরন এবং মালিঙ্গা বান্দারাকে কোন সুবিধা না দিতেই এমন ব্যবস্থা। আর গতকাল টেস্ট শুরুর প্রথম দিনেই দেখা গেলো উইকেটের আনইভেন বাউন্স। এবং প্রথম 10 ওভারের মধ্যেই অনেক বল নিচু থাকলো। শ্রীলঙ্কার উইকেটকিপার কুমার সাঙ্গাকারাকে সেগুলো গ্লাবসে নিতে হলো এক বাউন্সে। তাহলে উইকেট কি 'আন্ডারপ্রিপিয়ার্ড'? বাংলাদেশের নতুন টেস্ট ভেনু্যর 22 গজ নিয়ে রহস্য কাটছেই না!
দিনের শুরুতে আতাহার আলীর করা পিচ রিপের্াটেও কিন্তু বল নিচু হওয়ার সম্ভাবনার কথা ছিলো। তবে তিনি বলেছিলেন,'দিন এগুনোর সঙ্গে সঙ্গে কিছু বল নিচু হতে পারে।' কিন্তু বল নিচু হতে দিন এগুনো লাগেনি। উইকেটের এই অসমান বাউন্সের শিকার হয়েই তো শাহরিয়ার নাফিসকে প্লেডঅন হতে হয়।
এমনি উইকেট প্রথমদিন মোটামুটিভাবে ব্যাটসম্যানদের পইে ছিলো। হয়তো আগামী দুই দিনও তেমনি থাকবে। টস হারার পর সেটাই বলেছিলেন সফরকারী অধিনায়ক মাহেলা জয়াবর্ধনে,' টেস্টের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন ব্যাটিংয়ের জন্য সবচেয়ে ভালো হবে বলে মনে হয়।' পাশাপাশি এটাও জানিয়ে দেন টস জিতলে হাবিবুল বাশারের মতো তিনিও ব্যাটিংই নিতেন।
ধাভাষ্যকাররাও বেশ অবাক হলেন উইকেটের এমন অসমান বাউন্স দেখে। প্রথম দিনেই যদি এমন অবস্থা হয় তাহলে দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কি হবে? বাংলাদেশ আগে ব্যাটিং পাওয়ায় কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থায় আছে। কিন্তু সুবিধাটা পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে প্রথম ইনিংসে বড় স্কোর করতে হবে স্বাগতিক দলকে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


