আমার জীবণের শ্রেষ্ঠ সময়গুলো কেটেছে ক্যাডেট কলেজে! কথাগুলো শুনে অনেকেই ভ্রু কুঁচকাতে পারেন। কপালে চোখ তুলে বলতে পারেন বদ্ধ ওনিয়ম কানুনের বেড়াজালে আবদ্ধ একটি জীবণ কিভাবে সেরা হয়? তাদের জন্য বলছি, হয়! কারন নিয়ম থাকলেই তো ভাঙ্গার মজা। আর সেগুলোই তো মজার স্মৃতি!
শুধু যে একারনেই ওই দিনগুলো আমার জীবণের সেরা তা নয়। আসলে ক্যাডেট কলেজ আমাকে শিখিয়েছে যে কোন পরিবেশে সহজে খাপ খাইয়ে নেয়া।শিখিয়েছে যুক্তির পিঠে যুক্তি দাঁড় করিয়ে জীবণকে সহজতর করা। আর সবচেয়ে বেশী শিখিয়েছে বাজে সময়কে পিছণে ফেলে কিভাবে ঘুরে দাঁড়ানো যায় সেটা। এতোকিছুর পর কৃতজ্ঞ না থেকে কি পারা যায়?
ও হো বলাই তো হয়নি আমি ছিলাম ঝিনাইদহ ক্যাডেটে। 92-98 জীবণের 6টি বছর কিভাবে যে কেটে গেছে বুঝতেই পারিনি। খুব মিস করি সেইসব দিনগুলো! ক্যাডেট কলেজ কাউকে দেয় রেজালট আবার কাউকে করে তোলে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তাইতো জীবণের বন্ধুর পথে ওদের ঠেকে থাকতে হয় না।
যে সময়টাতে সবাই থাকে মায়ের আদরে আর বাবার শাষনে তখন ওদের থাকতে হয় বাবা-মাকে ছেড়ে দূরে। তাইতো ক্যাডেটদের নিজেদের প্রতি অনূভূতি অন্য আর দশটা প্রতিষ্ঠানের ছেলে মেয়েদের চেয়ে বেশী হয়।একজন আরেকজনের বিপদে এগিয়ে আসে। কারন ওরা যে ছিলো ক্যাডেট।
বাইরে ক্যাডেট কলেজের ভালো ফলাফল, নিয়মকানুন, র্যাগিং এসব নিয়ে অনেক মুখরোচক কথা প্রচলিত আছে। আমি সেসব নিয়ে কিছু বলবো না। সত্যমিথ্যার বির্তকে যাব না। যে যা ভাবে ভাবুক না। আমি শুধু বলবো- আই অ্যাম প্রাউড টু বি অ্যান এক্স ক্যাডেট!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


