
বড্ড বিষণ্ণ লাগে আজকাল।শুধু আজকাল বললে ভুল হবে।ঠিক কবে থেকে বিষণ্ণতাকে ক্যান্সারের মত বয়ে বেড়াচ্ছি মনে নেই।ঘুণপোকাটা
সব খাচ্ছে।হৃদপিণ্ডটা খেয়েছে,ফুসফুস খেয়েছে আর এখন খাচ্ছে মগজ।এই শহুরে নেক্রপলিসে বাস করা অনেকেই ঘুণপোকা বয়ে বেড়ায় শুনেছি।আমি কিছুটা টের পাই।বুঝতে চেষ্টা করি ওর ভেতরের ঘুণপোকাটা কেমন,কতটুকু খেয়েছে ওকে। একবার জগন্নাথের সামনে কাঠফাটা রোদে একটা মেয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিল।সুন্দরী।একা।একা কেন? ভার্সিটির এইরকম সুন্দরী মেয়ের চারপাশে দু চারটা ছেলেবন্ধু না থাকাটা বেমানান। এমনকি একটা ছাতা পর্যন্ত আনে নি মেয়েটা। হাতের ময়লা টিস্যু দিয়ে বারবার ঘাম মুছছে। একটা পানির বোতল ও কি নেই? বড্ড পিপাসা পেয়েছে বোধহয়।মাত্র ডোক গিলল দেখলাম।এমন মেয়ে হয় নাকি? ব্যাগে একটা পানির বোতল থাকবে না? আমার কেন জানি প্রচণ্ড মায়া লাগতে শুরু করল।কেন, কই থেকে এত মায়া আসল আমার জানা নেই।কেন জানি মনে হচ্ছিল কোথাও কোন এক জায়গায় আমরা হয়তো এক।আমি রাস্তার ওপর পাশে টং দোকানে বসে ঘোরলাগা চোখে মেয়েটিকে দেখছি। আমার ইচ্ছে করছে সহস্রধারা ঝর্ণা থেকে পানি এনে ওকে দেই, বা পকেটে থাকা রুমালটা বের করে ওর ঘাম মুছে দেই, আমার কাঁধের ব্যাগটা ওর মাথার উপর তুলে ধরে রাখি সাথে বলি আমি আছি তোমার পাশে।তুমি একা নও...!
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


