somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রশাসনের নির্বিকার অব্যবস্থাপনায় আবারো পদ্মায় লঞ্চ ডুবি। আবারো পদ্মাপাড়ে লাশের মিছিল!!!

০৫ ই আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশে প্রতি বছর নৌপথে লঞ্চ ডুবি হবে, হাজার হাজার নিরীহ সাধারণ মানুষ মারা যাবে, এটাই এখন প্রচলিত রেওয়াজে পরিনত হয়েছে। লঞ্চ ডুবি নিয়ে ঘটনার পর কয়েকদিন মিডিয়া একটু উচ্চবাচ্য করবে। তারপর অন্য কোনো বড় ঘটনা বা অঘটন ঘটলে, মিডিয়াও লঞ্চ ডুবির খবরকে পাশ কাটিয়ে নতুন খবরের পেছনে ছুটবে। আর মানুষ এক সময় ভুলে যাবে লঞ্চ ডুবির সেই ভয়াল খবরের আহাজারি। কিন্তু লঞ্চ ডুবির পর বাংলাদেশের শাসকদের যেনোবা একটাই মাত্র কাজ, সেটি হল- এক বা ততোধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা, তাদের কিছু সময় সীমা বেধে দেওয়া। কিন্তু কী কারণে লঞ্চ ডুবি হল, কোথায় গলদটা, সেই অনুসন্ধানে খোদ সরকার বাহাদুরের কখনোই যেনো কোনো আগ্রহ নেই। অন্তত ইতিহাস এখন পর্যন্ত সেই সাক্ষ্যই দেয়। এর প্রধান কারণ কি? কারণ হল, লঞ্চ ডুবলে সাধারণভাবেই ধরে নেওয়া যায়, যে কিছু হাভাতের দল, কিছু না খাওয়া মানুষ, কিছু গরিব মানুষ, কিছু ছাপোষা কেরানির আন্ডাবাচ্চারা হয়তো ডুবেছে। ওরা ডুবে মরলে বা কি, ওরা জীবিত থাকলে বা কি! ওরা তো রাষ্ট্রের কোনো উপকারে আসে না। ওরা তো আর ধনির দুলাল নয়, ওদের দিয়ে তো আর রাষ্ট্রের বড় বড় কাজকাম করানো যেতো না। সুতরাং, উদ্ধারকাজ ঢিলেঢালাভাবে করলেই তো হল। গরিব মানুষ মরছে, তো কিছু শোকবার্তা দিলেই হল। নিয়ম-নীতি যা যা বহাল আছে, ভবিষ্যতেও গরিবদের জন্য ওই একই নীতি বহাল থাকবে। তোরা খালি কয়দিন একটু কান্নাকাটি কর... তারপর দেখবি দুনিয়া আবার ঠিক হয়া গ্যাছে গা।
গতকাল মাওয়াঘাট থেকে মাত্র ৬০০ গজ দূর থেকে প্রমত্ত পদ্মায় ডুবে যায় এমএল পিনাক-৬ লঞ্চটি। এই লঞ্চটির ধারণ ক্ষমতা ছিল মাত্র ৮৫ জনের। কিন্তু লঞ্চটি যাত্রী নিয়েছিল তিনশো'রও অধিক। দূরত্ব মাত্র ১৬ কিলোমিটার। মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ঘাট। ওপার গেলেই তো ফুলসুরাত পারায়া গোলাম গা। লঞ্চটি ডুবল কখন? গতকাল সোমবার সকাল ১১টার দিকে। আর উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তুম অকুস্থলে পৌঁছাল কখন? রাত সাড়ে আটটায়। কয় ঘণ্টা পর? মাত্র সাড়ে নয় ঘণ্টা পর। উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তুম কোথায় ছিল? বরিশাল। সেখান থেকে মাওয়া আসতে রুস্তুমের একটু সময় তো লাগবেই ভাই। উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তুম দিয়ে কি উত্তাল পদ্মায় উদ্ধার অভিযান চালানো সম্ভব হয়েছিল? না। না কেন? কারণ, রুস্তুমের মাওয়া পৌঁছাতেই রাত হয়ে গেছিল। তারপর রুস্তুম পৌঁছে সেখানে কি করল? কি করবে, নোঙ্গর গেড়ে পরদিন সকালের জন্য অপেক্ষা করেছিল। ও আচ্ছা, তাই বলুন। তা রুস্তুমে কি আধুনিক যন্ত্রপাতি কিছু আছে? নারে ভাই, রুস্তুমে আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকলে তো রাতেই কিছু কইরালাইতো। জানেন না, আমাদের উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা আর রুস্তুম হইল গিয়া আমাদের সেই প্রাচীন দিনের একমাত্র উদ্ধারকারী জাহাজ। তো এখনো যে রুস্তুম খবর পাইয়া ঘটনা স্থলে রওনা দিবার পারছে, হের জন্য তো রুস্তুমরে একটা ধন্যবাদ দেওন লাগে।
ভাই, আপনাগো কি আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধার করার মত কোনো উদ্ধারকারী জাহাজ নাই? কে কইছে নাই, আছে তো। দুই খান জাহাজ আছে, তয় ভাই একখানের নাম মনে নাই। আরেক খানের নাম কইতাছি, হের নাম নির্ভিক। তো ভাই, নির্ভিক মহাশয় কোথায় ছিলেন? উনি নারায়নগঞ্জে আছিলেন। কেন, উনি নারায়নগঞ্জে ছিলেন কেন? আপনে বুঝি জানেন না শীতলক্ষায় আলোচিত যে সাত খুনের লাশ পাওয়া গেল, হেইগুলা তো নির্ভিক মহাশয়ের কারণে দ্রুত আবিস্কার হইছিল। ও আচ্ছা, তো হের পর উনি ওইখানেই বইসা বইসা এতোদিন ডিম পাড়ছে? হে কথা মুই কইতে পারতাম না। হে কথা উপরের লোকজন জানে।
হুলনাম, তোমাগো মাওয়া ঘাটে নাকি সব সময় অন্তত একখান আধুনিক উদ্ধারকারী জাহাজ থাকার কথা। তো নির্ভিক কেন মাওয়া ঘাটে থাকলো না। এমনিতে ঈদের সময় পদ্মায় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, হেই কথা কি আমনের স্মার্ট মন্ত্রী খান বাহাদুর জনাব শাহজাহান খান সাহেব জানতেন না? হেই কথা মুই কেমনে কমু ভাই? হেয় তো মন্ত্রী মানুষ। অন্য সবাইগো মত হেয় তো ঈদ করতে ব্যস্ত ছিল। এই সামান্য ব্যাপারডা আমনে বোঝেন না।
তো আপনাগো আধুনিক উদ্ধারকারী জাহাজ এমভি দুর্ভিক মহাশয় মাওয়া ঘাটে নারায়নগঞ্জ থেকে কখন পৌঁছালেন? আজ সকালে হেয় পৌঁছাইছে। পৌঁছাই মাত্র পুরাদমে উদ্ধারকাজ শুরু করছে নির্ভিক মহাশয়।
হুনলাম আরেকখান উদ্ধার জাহাজ চট্টগ্রাম থাইকা রওনা হইছে, ওনারা মাওয়া আইতে কতক্ষণ লাগবে? আবহাওয়া যদি ভালো থাকে আইজ সূর্য থাকতে আইয়া পড়তে পারে। ও আচ্ছা...
তো এমএল পিনাক-৬ লঞ্চটি ডোবার পর কয় জন মানুষ জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হল? জীবিত অন্তত ৭০ থেকে ৮০ জনকে উদ্ধার করা গেছে। তাইলে লঞ্চে যাত্রী যদি ৩০০-এর বেশি হয়, তাইলে ২২০ জনেরও বেশি মানুষের ভাগ্যে কি ঘটল, তা এখনো জানা গেল না, তাইতো? হ, হিসাবে তো হেইরম-ই মনে হয়।
ভাই, এমএল পিনাক-৬ এর ধারণক্ষমতা তো মাত্র ৮৫ জন। হেয় ৩০০-এর বেশি যাত্রী কেন নিল? আরে ভাই, ঈদের সময় না, দুই চাইরডা পয়সা কামাই করব না। এইডা বোঝেন না??
তো এমএল পিনাক-৬ লঞ্চের কি চলাচলের অনুমোদন ছিল? নারে ভাই, ঈদের সময় কি কোনো অনুমোদন লাগেনি? ঈদের সময় লঞ্চে খালি ঠিকমত স্টার্ট লইলেই হইল। জানেন না, ঈদের সময় সব পুরান অচল লঞ্চ রঙ কইরা চলাচলের উপযোগী করা হয়। কিন্তু ভাই নিয়ম বলে ইংরেজিতে একটা কথা আছে। এই যে ধরেন, নদীতে যদি ২ নাম্বার সতর্ক সংকেত থাকে, তখন কোন কোন লঞ্চ বা কি মানের লঞ্চ চলাচল করতে পারবে, হেইগুলা কি এমএল পিনাক-৬ লঞ্চের বেলায় খাটছে? আরে ভাই আপনি পাগল নি? নদীতে যদি ২ নাম্বার সিগন্যাল থাকে, তাইলে ৬৫ ফুটের কম লম্বা লঞ্চের চলাচল করা নিষেদ। কিন্তু এমএল পিনাক-৬ লঞ্চের দৈর্ঘ কত রে ভাই? ৫২ ফুট। তাইলে ওই হালায় কোন সাহসে পদ্মা পাড়ি দিল? ক্যান, কেওড়াকান্দি ঘাট থেকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল কর্তৃপক্ষ আর সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা পারমিশান দিছে। হেরা চেক কইরা পাস দিলেই তো লঞ্চ ঘাট ছাড়ে।
তো ভাই, এই যে ৭০ থেকে ৮০ জনরে জীবিত উদ্ধার করলেন, এইডা কারা করলো? আপনেগো আধুনিক উদ্ধারকারী জাহাজ নির্ভিক মহাশয় নাকি রুস্তুম মহাশয়? আরে ধুরো ভাই, হেরা আইতে আইতে তো একদিন আর অর্ধেক দিন লাগাইলো। মাওয়া ঘাটে ২৫/৩০টা স্পিডবোট আছিল, হেরা দৌড় পাইরা গিয়া জাগো জাগো পারছে উদ্ধার করছে। আর স্রোতের বেগ জানেন মিঞা? হগ্গোল ঠেইল্লা লইয়া যায়। টেহোন যায় না। হেরাো ঘাটে না থাকলে তো কেউ আর বাঁচতো না।
তাইলে উদ্ধার করছে আসলে ঘাটের কাছাকাছি যারা ছিল হেরাই? হ ভাই, সরকারের উদ্ধারকারী জাহাজ সব সময় আসে লাশ উদ্ধার করতে। হেরা কখনো জীবিত মানুষ উদ্ধার করতে আহে না। বুঝছি, এইবার তোমার কথা বুঝছি।
আচ্ছা ভাই, মানুষ মরতে কতক্ষণ লাগে? এই ধরেন গিয়া দুই তিন মিনিট। এক সেকেন্ডের নাই ভরসা। আর আপনে ওই পদ্মার যৌবনের সময় স্রোতের ঠেলা দেখছেন, মিঞা? দেখলেই ধর ধাইকা পরান এমনিতেই পালায়।
ভাই, আপনারা নাকি নদীমার্তৃক দেশ? হ, বাংলাদেশ একটি নদীমার্তৃক দেশ এই কথা পৃথিবীর সক্কল মাইনষেই জানে। এইডা আবার নতুন কি জিগান? আপনের মাথা ঠিক আছেনি? না, কইতে চাইছিলাম কি, তাইলে আপনেগো দেশে প্রতি বছরই লঞ্চ ডোবে, প্রতি বছরই হাজার মানুষ লঞ্চ ডুবিতে মারা যায়। এইডা নিয়া আপনারা কেন একটা সমন্বিত ব্যবস্থাপনা মানে ম্যানেজমেন্ট নাইকা? আপনারা তো যুদ্ধজাহাজ কেনেন কোটি কোটি টাকা খরচ কইরা। যা আপনাগো কোনো পূজায় আজ পর্যন্ত লাগে নাই। ভবিষ্যতে লাগবে কিনা জানেন না। কিন্তু উদ্ধারকারী আধুনিক জাহাজ যদি আপনাগো মিনিমাম তিনশো ডা থাকে, কোনো দোষ আছে? আপনাগো তো যুদ্ধ জ্হাজ দরকার নাই, আপনাগো দরকার উদ্ধারকারী আধুনিক জাহাজ। প্রত্যেক ঘাটে ঘাটে মিনিমাম একটা কইরা থাকোন দরকার। যাতে দুর্ঘটনা ঘটলেই তরিৎ অ্যাকশানে যাওয়া যায়। আপনারা তা না কিন্না কেনেন যুদ্ধ জাহাজ, আপনাগো তো মাথাই নষ্টরে ভাই।
আপনারা কেনেন আধুনিক জঙ্গি বিমান। আপনাগো দরকার উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার। কিন্তু আনপারা জঙ্গি বিমান কিন্না বইসা আছেন। যা কোনো দিন কোনো পূজায় লাগবে না। কারণ, আপনারা তো স্বাধীন দেশ। পাকিস্তানরে যুদ্ধে হারিয়ে আপনারা স্বাধীন হইছেন।
ভাই, আপনার কথাবার্তা কিন্তু বেলাইনে যাইতাছে। আমনে বুঝি জানেন না, সরকার গতকাল জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার খসড়া অনুমোদন করছে। এইডা আবার কি ভাই? এইডা আইন। আপনারা টিভিতে টকশোতে গিয়া সরকারের বিরুদ্ধে কথা পারেন, পত্রিকায় সরকারের বিরুদ্ধে কথা কন, এইডা যাতে না কইতে পারেন, সেজন্য এই আইন হচ্ছে।
ধুরো ভাই, আপনে এইডা আগে কইবেন না। তাইলে কি আর আমি পদ্মায় লঞ্চ ডুবি লইয়া এতো প‌্যাঁচাল পারি। বরং দুই কথায় শোক জানিয়ে শোকার্ত পরিবারের উদ্দেশ্যে দুই কথা কইয়া ক্ষ্যামা দিতাম। ভাই, আইনের কথা বার্তা একটু আগে জানাইবেন। নইলে বোঝেন তো, দিনকাল কেমন খারাপ। বহেন, আপনে বইয়া বইয়া টিভি দেখেন, আমি গেলাম গিয়া....
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোথায় পাই পাগলের শ্বশুর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮


পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।

মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×