ট্রাইব্যুনালের বিরুদ্ধে কথা বললেই ব্যবস্থা!!
তেমনি এই আইনটির বিরুদ্ধে কথা বললেও একই অপরাধ হতে বাধ্য-
গত বৃহস্পতিবার সংসদে গৃহীত সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবটি ছিল, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য যারা বাধাগ্রস্ত করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিধিবিধান করা হোক।’
০ আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, যাঁরা অকারণে ট্রাইব্যুনালের বিরোধিতা করবেন, তাঁদের বিচার করা হবে। কোনো কারণ ছাড়া ‘বিচার মানি না’, ‘ট্রাইব্যুনাল মানি না’—এ ধরনের বক্তব্য বিচারকে বাধাগ্রস্ত করার শামিল।
০ গত বৃহস্পতিবার হঠাৎ সংসদে সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। ক্ষমতাসীন মহাজোটের সব সাংসদ সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন।
০ আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের অনুরোধ করলে নোটিশদাতা সরকারদলীয় সাংসদ বেনজীর আহমদ তা প্রত্যাহার করে নেন
০ কিন্তু ডেপুটি স্পিকার বিষয়টি ভোটে দিলে অল্প কয়েকজন সাংসদ প্রস্তাব প্রত্যাহারের পক্ষে মৃদুস্বরে ‘হ্যাঁ’ উচ্চারণ করেন। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদে ফেটে পড়েন অন্য সদস্যরা। শেষ পর্যন্ত প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হয়। প্রথমে বিরোধিতাকারী আইন প্রতিমন্ত্রীও সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন।
০ আইনটি পাস হবার পর এসম্পর্কে জানতে চাইলে বিশিষ্ট আইনজীবী শাহ্দীন মালিক বলেন, বিচার বাধাগ্রস্তকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিদ্যমান আইন আছে। ফৌজদারি ও আদালত অবমাননা আইনে বিচার সম্ভব। সরকার যেসব বিষয়কে বাধাগ্রস্ত বলছে, তা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে। এ নিয়ে নতুন করে আইন করা হলে তা হবে নিজের পায়ে কুড়াল মারার মতো। এতে বিচারপ্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতা কমবে, এটা কারও কাম্য হতে পারে না।
উপরের এই সংবাদটি আমি তুলে ধরলাম প্রথম আলো থেকে!!!
দেখুন এই খানে ক্লিক করে Click This Link
০ আইন মন্ত্রীর ভাষায় তাহলে কী এরাও দায়ী হচ্ছেন!!
১। প্রথম আলো- এই আইনের প্রায় বিপক্ষে এই প্রতিবেদনটি করার জন্য
২। জনাব শাহদিন মালিক- আইনটি পাস হবার পর এ সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করার জন্য
৩। আইন প্রতিমন্ত্রী- এই আইনটিকে সংসদে উত্থাপনে বাধা প্রদান করার জন্য [অনেকটা রাজাকারদের মতো, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলনে বাধা দিয়েছিলো]
৪। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার ও মওদুদ আহমদ- এই আইনের বিপক্ষে সরাসরি বিরূপ মন্তব্যের জন্য, এবং আরো অনেকে যারা মনের মধ্যে এই আইনের বিপক্ষে কঠিনভাবে মত দিয়েছেন, খোদ খালেদা জিয়া....
৫। জামায়াতের সকল সদস্য- কারণ, এরাইতো সকল সর্বনাশের মূল।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


