ঢাকার টিভি-চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালকরা এখন নতুন ব্যবসা শুরু করেছেন। একটি নাটক করতে নায়ক-নায়িকা তো বটেই সঙ্গে আরো একডজন নিয়ে তারা যান থাইল্যান্ড, চীন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, অষ্ট্রিয়া, ইতালী, ম্যাকাও, মরিশাস এমনকি যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে নাকি দারুন সব লোকেশন নাটক বা ছবির জন্য। এমনকি কন্ডেনস মিল্কের বিজ্ঞাপনের জন্যও নাকি রাশিয়া যেতে হয়। ........... কি অদ্ভূত বিষয়।
নাটক বা ছবিতে কিন্তু এসব লোকেশন দেখার সুযোগ নেই .. কারন এডিট করার পর ওগুলো কিছু থাকেনা। মাঝ খান থেকে যেটা হয়....... নায়িকারা বিদেশ থেকে ফেরার সময় হাজার হাজার ডলার নিয়ে আসেন (যেটা হয়তো প্রবাসী কোন যুবকের অনেক পরিশ্রমের অর্জন... মূহুর্তেই হারাতে হচ্ছে বিশেষ কোন কার্যসিদ্ধিতে তাই দিতে হচ্ছে নায়িকাকে)। আবার অনেক প্রবাসীর ঘর পর্যন্ত ভেঙ্গেছে এদের জন্য।
এ তো একটা দিক। থাইল্যান্ড গেলেন মোহাম্মদ হোসেন নামে এক লোকের ছবি করতে এক নায়িকা। ঢাকার বাজারে তো তার অভিনীত এডালট সিডি এভেইলএবল ছিলো গত বছর পর্যন্তও।
বাংলাদেশ থেকে টিভি... চলচ্চিত্রনায়িকা ও মডেল দের শুটিংয়ের নামে বিদেশে গিয়ে যেসব জানোয়ার প্রযোজক পরিচালক এগুলো করছেন এদের বিষয়ে সরকারের উচিত পদক্ষেপ নেয়া।
সুন্দর লোকেশনের অজুহাতে এরা বিদেশে গিয়ে এসব করে আবার বিপুল অর্থ ব্যয় করে অথচ আমাদের কক্সবাজার.. বান্দরবান.. চট্রগ্রাম.... কুয়াকাটা... সুন্দরবন......দিনাজপুর.... সহ বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে আছে অসাধারন সৌন্দর্যমন্ডিত স্থানগুলো --এর চেয়ে চমৎকার লোকেশন আর কি হতে পারে--- বেসরকারি উদ্যেগে গড়ে উঠা চমৎকার শুটিং স্পট গুলো তো রয়েছেই....তাই না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



