১] জাতীয় সংসদে ৫% আসন না থাকলে কোণ দল একক ভাবে হরতাল আহবান করতে পারবে না।
২] এক বছরে সর্বাধিক ২ [দুই] বার হরতাল আহবান করা যাবে।
৩] সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৬টা এই সময়ের মধ্যে সকাল ১০ থেকে দুপুর ১২টা পুর্যন্তঃ মাত্র ২ ঘন্টা হরতাল কার্যকরী থাকবে।[ শুধু মাত্র প্রতিকী হরতাল । [প্রতিবাদ অর্থে]
৪] হরতালের পক্ষে বা বিপক্ষে কোণ প্রকার মিছিল রাজপথে বের করা যাবে না। [ জনসাধারনের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে]
৫] বিমানের যাত্রীহাসপাতালের রোগী হরতালের আওতামুক্ত থাকবে।
৬] ফার্মেসি জরুরি ঔষধ সরবরাহ কারী গাড়ী হরতালের আওতামুক্ত থাকতে হবে।
৭] জাতীয় টেলিভিশনে সরকারী দলের দুইজনএবং হরতাল আহবান কারী দলের দুই জন এমপি হরতালের বিপক্ষেপক্ষে আলোচনায় অংশ গ্রহন করবে।। যাতে করে জাতি জানতে পারে হরতাল ডাকা কতটা যুক্তিযুক্ত।
৮] হরতাল চলাকালীন সময়ে যদি কেউ সরকারীবেসরকারী সম্পত্তির ক্ষতি সাধন করে [প্রমান সাপেক্ষে] তাহার জাতীয় পরিচয় পত্র ২ বৎসরের জন্য সাসপেণ্ড এবং কৃত ক্ষতি পুরন দিতে বাধ্য থাকিবে।
৯] শুধু মাত্র বিভাগীয় শহড় গুলো হরতালের আওতাধীন থাকবে। [জেলা ও থানা শহড় গুলো হরতাল মুক্ত থাকবে।
বিঃদ্রঃ পুরোনো পোষ্ট আবার দিলাম।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



