অচল জাতীয়তাবাদের ফ্রেমে বাধা খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম! গণতান্ত্র চর্চায় বিএনপি আত্মবিশ্বাস নয়
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের আমিনীর শুনানীতে খালেদা এলো কেন মন্তব্যে আমি হতবাক। আর খুব শীঘ্রই খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম পরিস্কার করা হবে বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যে আমি মারাত্মক শঙ্কিত ও ব্যথিত।
খালেদা জিয়ার আমিনী যেমন সংবিধান ডাস্টবিনে ফেলার মতো রাষ্ট্রদ্রোহী মন্তব্য করেছেন ঠিক তেমনি খালেদা জিয়া সংবিধান ছুড়ে ফেলা আর মতো উগ্র মন্তব্য করেছেন। এ কথা অস্বীকার করার সুযোগ আছে কি? কাজেই আমিনীর শুনানিতে আলাদতে খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ আসতেই পারে। এঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালতকে পবিত্র মেনে আইন পেশায় নিয়োজিত এক শ্রেণীর আইনজীবীরা আদালতে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে উগ্রপক্ষপাতিত্বের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে। আদালত মানুষের শেষ আশ্রয় স্থল। আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস নিয়েই মানুষ আদালতের আশ্রয় গ্রহণ করে। আর আইনজীবীরা আদালতের পবিত্রতা রক্ষার সেচ্চাসেবক। রাজনৈতিকদলের দুর্নীতিবাজ, রাষ্ট্রদ্রোহী নেতা-কর্মীদের বিভিন্ন মামলাকে কেন্দ্র করে সার্থান্ধ আইনজীবীরা অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে আদালতের মান ক্ষুন্ন করছেন। অপরাধী যে রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন আমরা চাই সে শাস্তি পাক। রাজনীতিকরা এদেশের খেটে খাওয়া দু:খী মানুষের রক্ত ঝরা ঘামে অর্জিত অর্থ দুর্নীতি অনিয়মের মাধ্যমে আত্মসাত করবে, বিদেশে পাচার করবে আর তার জন্য আদালতে বিচারের সম্মুখিন হলে তা হবে রাজনৈতিক মামলা, আর সেই দলের আইনজীবীরা আন্দোলনের নামে আদালত ভাংচুর করবে এটা দেশবাসী মেনে নেবে না। এটা কোন ধরনের জাতীয়তাবাদ! কোন ধরনের দেশ প্রেম! কী ধরনের রাজনীতি চর্চা! গণতান্ত্রিক চেতনা! এদেশের সাধারণ মানুষের এখন একটি দাবী মূখ্য হয়ে উঠেছে আদালতকে শান্তিপূর্ণ করতে আইনজীবীদের রাজনৈতিক সংগঠন বাতিল এবং আদালত প্রাঙ্গনে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টিকারীদের শাস্তি নির্ধারণ করা। কারণ আদালত যুক্তি-তর্ক ও প্রমাণ সাপেক্ষে শাস্তি বা মুক্তি নিধরণ করে। সেখোনে হাতাহাতি-মিছিল উগ্র কণ্ঠ, নগ্ন হামলার কোনো সুযোগ থাকা মারাত্মক ক্ষতিকর। দেশে হচ্ছে টা কী? রাজনীতিকরা যার যা মুখে আসছে বলে যাচ্ছে! তারা যে জনগণের প্রতিনিধি একথা ভুলেই যেতে বসেছে।
এদিকে গত ৩ জুলাই বিএনপি নেতারা বলেছেন- খুব শ্রীঘই বিরোধী দলীয় নেতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেশ প্রেম পরিস্কার করা হবে। যিনি একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী তার দেশপ্রেম খুব শ্রীঘই প্রমাণ করা হবে! একথা খালেদা জিয়ার দেশকে প্রশ্ন বিদ্ধ করেছে? বিএনপি খালেদা জিয়া দেশ প্রেমিক একথা বলবার সাহস রাখে না। তারা সাহস করে বলতে পারেনি তাদের নেত্রী দেশ প্রেমিক। বিএনপি নেতাদের এ মন্তব্য আমাকে শঙ্কিত করেছে। তাহলে কী বিএনপি গণতন্ত্র চর্চা করে না! তারা কী সাধারণ মানুষকে মিথ্যা জাতীয়তাবাদের ছকে বেধে রেখেছে? গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ আর রাজনীতি সবকিছুই নির্ভর করে দেশপ্রেমের ওপর। অথচ যারা প্রতিনিয়ত বক্তব্য, মন্তব্যে এ তিনটি গুণই দাবী করে সেই বিএনপি তাদের নেত্রীকে দেশ প্রেমিক দাবী করতে সাহস পায় না। তাদের নেত্রীর দেশ প্রেম পরিস্কার করতে জল্পনা কল্পনা প্রয়োজন এটা খুবই দু:খের বিষয়। এদেশের একজন নাগরিক হিসেবে আমি খুবই ব্যথিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


