somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যে মৃত্যু আমায় অপরাধী করে

১৫ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ১২:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যে দিন রাজনের মৃত্যুর খবরটা আসে, সারা দিন যারপর নাই ব্যাস্ত ছিলাম, ব্যাস্ত ট্র্যাফিকে টুক টাক লাইক দেয়া ছাড়া ফেইসবুকে অতটা সময় দেই নি, রাজনের নিউজ ফিডটা হয়তো ওভারলুক করে গেছি, তাছাড়া এই ধরনের বেশির ভাগ খবরই দেখি বিহার ঝারখন্ড কিংবা ভিয়েতনাম কিংবা সোকল্ড এশিয়ান (দুরপ্রাচ্যের)দেশগুলিতেই ঘটে, অত আগ্রহ নিয়ে তাই হয়তো দেখা হয়নি, রাত্তিরে খেলা জেতার মৌতাতে লাইক দাবানোর ফাঁকে খবরটা চোখে পরতেই, সব আনন্দই মাটি হয়ে গেল; সমস্ত অর্জন, সমস্ত প্রাপ্তি; সবই অর্থহীন হয়ে গেলো নিমেষেই!

এমন কি ঈদের আনন্দতেও জানি বার বার ছেলেটার কথা মনে পরবে। কয়েকটা দিন পরে সেও হয়তো টেট্রনের নতুন পাঞ্জাবি আর জিন্সের প্যান্ট পরে মেলায় যেত, বন্ধুদের সাতে ঘুরত কারণে অকারনে কেনা বাঁশিটায় ফুঁ দিতো, একদিনই হয়ত চটপটি কিংবা গোলা আইসক্রিম খেয়ে রঙ্গিন করতো মুখ। হিসাবের পয়সায় এগুলোও এদের জন্য বিলাসিতা, তবুও ঈদ বলে কথা! বহু দিন বাদে হয়তো পোলাউ মাংশের গন্ধে তাদের ঘরটা ভরে থাকতো স্নেহময় পিতা না খেয়ে তাকে নলীর হাড়টা খেতে দিতো, আয়েশ করে মজ্জাটা খেত হতবা। হায় এ কিছুই হওয়ার নয়! কি অনায়াস আনন্দে, হাসি ঠাট্টায় ছেলেটাকে ওরা মেরে ফেললো! কোন কিছুই আর তাকে স্পর্শ করতে পারবে না! এই পাঁকে আটকে থাকা অপমানুষদের বলয়ের বহু যোজন দূরে চলে গেছে আর তার পানি খাওয়ার আকুতিও আমাদের নাগরিক জানালায় নিউজফিড হয়ে উঁকি দিবে না! ভালো থাকো রাজ্‌ ভালো থাকো খুব! আল্লাহ তোমাকে শান্তি দিন!
যারা তাকে এভাবে পেটাল তাদের কি ছোট ভাই কিংবা সন্তান নেই? তাদের কি কোন ক্রিমিনাল রেকর্ড আছে? এটা তো হিট অফ দ্য মোমেন্ট মার্ডার কেইস নয়?তাহলে কিছু লোক এমন বেপরোয়া এমন হন্তারক কিভাবে হয়? আমি বুঝি না। এটা শুধু ব্যক্তি কয়েকের অপরাধ নয়। এ অবক্ষয়! এ সামাজিক অপরায়! আমরা সব্বাই অপরাধী! এক সময় স্লোগান দিতাম “ এ সমাজ পচা গলা; এ সমাজ ভাঙ্গতে হবে”, সত্যি এ সমাজ সমাজ নয় এ সমাজের “গলিত শব” বিশেষ। আমদের সামগ্রিক ভাবে বিষয়টা বিশ্লেষণ করতে হবে। কোথায় লুপহোল, কোথায় লক্ষিন্দরের লোহার বাসর ঘরের সেই ছোট্ট ছিদ্রটি?

তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম রাজন চোর কিংবা চুরির ব্যাপারে কিছু হয়তো জানে, তাহলে লোকরা ধরবে দুই চারটা চড় চাপাটি মারবে, নিঃসন্দেহে পরে হয়তো আটকে রেখে তার বাবাকে ডাকবে, পাড়ার মুরুব্বিদের ডাকবে, পুলিশকেও ডাকবে এমনটিই তো হয়, তাহলে কিসের নেশায় এরা এতটা হিংস্র উন্মত্ত হয়ে উঠল। নাহ কেউ তো নেশাগ্রস্ত ছিলেন না! তবে? এই ভয়াবহ লোকদের কোন রাজনৈতিক পরিচয় আমি জানি না, তারা পুলিশ কিংবা হাকিম নন যে আইন হাতে তুলে নিবেন, এর কন্সিকয়েন্স কি হবে সে সম্পর্কে তাদের কোনই ধারণা নেই? তাওতো মনে হয় না!

তাহলে!

সমাজে যখন ন্যায়বিচার থাকে না, আইন শুধু শক্তিমানের খেলার পুতুল হয়ে যায়, সমাজে তখন এমনই পচঁন ধরে। দুর্বৃত্তরা যখন দেখে দুষ্টু লোকেরা আইনকে তোয়াক্কা না করে সমাজে বুক ফুলিয়ে ঘুরছে, কেউ তাকে ফুলের টোকাটি পর্যন্ত দিতে পারছে না, রাজনৈতিক আশ্রয় প্রশ্রয় পাচ্ছে, প্রকাশ্যে ছুড়ি চাপাতি, দিয়ে ফালা ফালা করে ফেলছে, কেউ দেখবার নেই বলবার নেই, তাদের কোন সাজা কিংবা গ্রেফতারের খবর পর্যন্ত নেই; তাহলে আমাকে কে পাবে! কে ধরবে? গত কয়েক বছরের নানা হত্যা কাণ্ডের অধিকাংশেরই কোন সুরাহা হয়নি বিচার বহির্ভূত অজস্র হত্যাকাণ্ড আর লাগামহীন মিডিয়াবাজি আমদের কোন নরকে নিয়ে ফেলছে কে জানে? এ হত্যা কাণ্ডের সাথে না জড়িত সরকার, না তার দল, না তার পেটোয়া বাহিনী, এমন কি তাঁদের বুদ্ধিজীবী ট্যাগ ওয়ালারাও কেউ দৃশ্যে নেই, কিন্তু ইনারা কি এই দায় এড়াতে পারবেন? পুলিশ ব্যস্ত পলিটিক্স নিয়ে, সরকার তার গদি নিয়ে ব্যস্ত, বুদ্ধিজীবীরা চাটুকারিতা আর চেতনার ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত, এরই ফাঁকে নিঃশব্দে এগিয়ে আসছে সুতা নালী সাপ ঢুকে যাচ্ছে লোহার বাসর ঘরে, তছনছ করে দিচ্ছে সব। এ পতন ঠেকাবে কে? ক্রমস আমারা ডুবছি, সুস্থ্য সংস্কৃতি নেই, মুক্তবুদ্ধির চর্চা নেই, সামাজিক জীবন নেই, নেই নিজেকে প্রমাণ করার কোন সুযোগ, তাই ক্রমশ আমরা হয়ে উঠছি অসহিষ্ণু, আমাদের ক্রোধই একমাত্র রিপু যা আমরা জাহির করে নিজেকে বড় প্রমাণ করতে চাই। রিকশায় উঠা থেকে শুরু করে হাটে বাজারে, দপ্তর কিংবা বিদ্যালয়ে আমরা শুধুই নিজের ক্রোধটাকেই সামনে রাখি, আমাদের কথা বার্তা সব কিছুই এক অন্ধ রাগের এক্সপ্রেশন। নিরীহ রিকশাওয়ালা পাঁচ টাকা বেশি চাইলেই বাপের বয়সী রিকশাওয়ালা কে ধমকে উঠি “ ঢাকায় নতুন আইস, ফাইজলামি পাইস...ব্লা ব্লা ব্লা”, কারো সাথে বচসা হলেই শুনি “আমারে চিনো? কি করতে পারি তুমি জানো?” ধুর ফুলিয়ে লেগে যায়! এ এক ক্যান্সার, ক্রমশ আরোগ্যের অতীত হয়ে উঠছে। কেননা আমরা সব্বাই হিনমন্নতায় ভুগি, আমার এনিমেল ইন্সটিংট বলে নিজেকে প্রমাণ কর, তুমি যে আর দশজনের চেয়ে আলাদা প্রমাণ কর, কিন্তু এই সমাজে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ কই? একটা সুস্থ সমাজে কেউ পড়া লিখায় ভালো, কেউ ভালো খেলে, কেউবা ভালো কবিতা লিখে, এই সমাজে সুকোমল প্রবৃত্তি গুলি সুযোগের অভাবে শৈশবেই ঝরে যায়। এক পড়াশুনাই সব কিছুর মাপ কাঠি হয়ে দাঁড়ায় তাতেও তো আজ কাল মুড়ি মুরকির একদর, তাই সবাই নিজেকে, প্রমাণ করার জন্য নিজের উগ্রতাটাকেই বেছে নেই, আর সারাদিন খেপচুরিয়াস হয়ে ঘুরে বেড়াই। কি করব আর?

আমাদের সমাজে যারা অভিভাবক বিরল দু’একজন ছাড়া কেউই কিন্তু সামাজিক জীবন উন্নয়নে কাজ করছেন না! শিক্ষকরা ব্যস্ত টিউশানি নিয়ে, মধ্যবিত্ত বাবাদের সংসারের জওয়াল টানতে টানতে জের বার হবার যোগার! সপ্তাহে এক আদ্দিন আক্ষরিক অর্থে পেটমোটা বাচ্চাটাকে নিয়ে গলদঘর্ম হয়ে একটু ভালো মন্দ খাওয়া। মায়েদের শুধু একটা শিক্ষা দিতেই দেখি “ থ্যাঙ্ক ইয়ু বল আঙ্কেল কে”, এর বাইরে আর কিছুই নয়, বললে হয়তো বিশ্বাস হবে না আমার পরিচিত একজন খুব গর্ব করে বলছিলেন একদিন, “আরে ভাই আমার পোলা তো বিরাট স্মার্ট, ওই দিন ডাক্তার টিকা দিতে আসছে, ডাক্তাররে কয় কিনা একটা থাপ্পড় মারব, কোন ডর ভয় নাই!” বোঝো এবার কি গর্ব পিতার। কোথায় সময় বাচ্চাদের মরাল এডুকেশনের। সময় কোথায় দু’পাতা বই পড়ার, জানার কিংবা শিখার। ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে, কিন্তু তা তো আর দৃষ্টান্ত হতে পারে না।

জাতির জাগ্রত বিবেকরা দুই দলের আলো হাওয়ায় থাকতে চেয়ে, তাঁদের কৃপা দৃষ্টি পেতে চেয়ে, হালুয়া রুটি কি পদক কি সফর পাবার আশায় শুধু পলিটিক্স নিয়েই জাবর কেটে যাচ্ছেন।কেউ যে একটু বলবেন কি লিখবেন কে আছেন, রকুজ্জামান দাদা ভাইরা আর নেই, নেই কচিকাচার মেলা, কিংবা চাঁদের হাট, নেই সেই সবল ময়ূখ খেলাঘর কি মুকুল ফউজ। আজ শিশুদের পিতা টিভি, মাতা টিভি, বন্ধু টিভি, মানে ফ্রেন্ড ফিলসফার, গাইড সবই টিভি আর আমাদের চোখের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে আমাদের শিশুরা, আমরা ভায়ওল্যান্ট হয়ে যাচ্ছি, বেয়াদব হয়ে যাচ্ছি, আমি আপনি সবাই। অসহিষ্ণুতা, আক্রোশ, হামবড়া ভাব অহংকার ক্রমেই সব সীমারেখা গুলোকে মুছে দিচ্ছে, কি সংসারে কি বাজারে কি হাটে কি দপ্তরে।

বাস্তব হচ্ছে, রাজনের মত অনেকই মরছে কিন্তু আমাদের টনক নড়ছে না! চাক্ষুষ না হোলে বাঙ্গালী আবার কিছুই দেখে না, নিজের ঘাড়ে যখন পড়ে তখনি আমদের টনক নড়ে। খবর যখন তৃতীয় পুরুষ ছেড়ে উত্তম পুরুষে ঠেকবে তখন আমরা জাগবো। তখন সকাল হবে। তার আগ পর্যন্ত কত রবি জ্বলেরে বলে কাঁথা মুরি দিয়ে সংসারের সোনালি জালে আটকে থাকব। কেন তকি মরল তার কি বিচার তার পিতা পেয়েছেন? মেঘ এখনও কি বিচার এর আশা নিয়ে বসে আছে জানার ধারে, আকাশের তারাদের মাঝে পিতা কে খোঁজে রাস্তার ভিড়ে মা কে খোঁজে? তাজরিন, কিংবা রানা প্লাজা কি ক্যপিটাল পানিশমেন্টের দাবি রাখেনা? মৃত্যুর মিছিলে কত নাম, বিচারহীন সমাজে আমি যে কাল এমন মৃত্যুর সম্মুখীন হব না কে জানে? আপনি হবেন না আপনি জানেন?

কেউ কেউ বলছেন এতে রাজনীতি নেই, সরকারকে ধন্যবাদ জেদ্দায় এই নরপশুটাকে গ্রেপ্তার করবার জন্য। জনৈক রাজনৈতিক ক্লাউন বলছেন “ খালেদা জিয়াই দায়ী”, কি কিম্ভুতকিমাকার, কি অশ্লীল! এসব কোট করতেও ঘেন্না হয়! আদতে রাজনীতি, অর্থনীতি আর ধর্মের বাইরে কিছুই নেই। সরকার কোন ব্যক্তি নন, যে পুলিস্য!খুনিটাকে ইমিগ্রেশন পার করে দিলেন তিনিও সরকার এর অংশ, যে এস, আই রাজনের বাবাকে ঘাড় ধাক্কা দিলেন তিনিও সরকার এর এই অংশ। আরব ভুমিতে সেই বীর বাঙ্গালী পুলিশ কিংবা সরকার যন্ত্রের কোন অংশই কিন্তু ব্যাটাকে ধরেনি, ধরেছেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা যারা এত্তদুরে থেকেও শ্বাসে প্রশ্বাসে বাংলাদেশেরই জল হাওয়া গ্রহন করেন, হৃদয়ে এই দেশ কে ধারন করেন সেই সব “ফহিন্নির ঘরের ফহিন্নিরা”।

এ লেখা শেষ হবার নয়, যত ক্রোধ যত ঘৃণা জমে আছে শেষ হবার নয়, এদেশে যারাই ক্ষমতার বাইরে তারাই সংখ্যালঘু, হিন্দু হউক বৌদ্ধ হউক খৃষ্টান হউক কিংবা মুসলিম ক্ষমতার ছায়াতলে নেই তো আমরা কেউ নই, কেউ আমাদের নয়, কি রাষ্ট্র কি আইন!সমাজে যদি আজ আইনের শাসন থাকতো যদি সামাজিক ন্যায়বিচার শুধু সংবিধানে না থেকে সশরীরে উপস্থিত থাকত, নিদেন পক্ষে দু’এক টা দৃষ্টান্ত মূলক সাজা থাকত, তাহলে রাজনদের মরতে হত না, মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হত না।

ফেইস বুক ভরে গেছে এদের “ফাঁসি চাই”, “খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মার”, “আগুন দাও”, “প্রকাশ্যে সাজা দেখতে চাই”, ইত্যাদি কোন চুরি ছুপি নয়! মাশাআল্লাহ! কি আশ্চর্য! আল্লাহ সুবাহানাল্লাতালাহের আইনও তো তাই বলে, এদের প্রকাশ্যে ছিরচ্ছেদ করা হউক নতুবা ব্লাড-মানির বিনিময়ে নিহতের আত্মীয়রা ক্ষমা করতে পারেন রাষ্ট্রের এখানে কিচ্ছু বলবার নেই।এ আল-কুরআনুল কারিমের আইন। আল্লাহ যা জানেন আমরা তা জানিনা তাইতো তিনি আমাদের পথ দেখিয়েছেন, আমরা তা দেখিনা। নাস্তিকতার তুমুল জোয়ারে আজকে আমি জামাতি, রাজাকার ট্যাগ খেয়ে যেতে পারি আমি থোড়াই কেয়ার করি, যা সত্য, তা বলবই। আমরা যদ্দিন না শুধরাই ততদিন আমাদের আয়নায় আমরা কিন্তু এই “কামরুল”-এর প্রতিবিম্ব হয়ে থাকবো।

তবু আশায় বুক বাঁধি, তবুও আশা নিয়ে ঘর করি, সুদিন আসবেই, তাকে আসতেই হবে! ইনশাআল্লাহ!
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ১২:৩৪
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিয়োগের রূপকথা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩



মা বরাবরই পাতে ভাত কম নিতো , বলতো- ভাতে না-কি  বাত বাড়ে।
বিশেষ বিশেষ দিনে বাড়ি পোষা মোরগের ঝোল কিংবা রুই মাছের তরকারীর সবটুকু  আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দৃষ্টিকটু পোশাক ও দৃষ্টিকটু আচরণ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



আপডেট - হাফপেন্ট আন্দোলন: ৩০/০৯/২০২৬
হাফপেন্ট পরে মেট্রো ট্রেন ও বাসে চলাচল বাংলাদেশের একটি নাগরিক চাহিদা হতে পারে। যেহেতু সমস্যা মেট্রোতে হয়েছে, আমি ধারণা করেছি বাংলাদেশে ফেসবুকে “হাফপেন্ট আন্দোলন” হওয়ার সম্ভবনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কঠিনতম সব চ্যালেঞ্জের মুখে বিএনপির ভবিষ্যৎ কি অন্ধকার??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১০



বিএনপির সামনে অনেক কঠিন সব চ্যালেঞ্জ...

তাদের মোকাবেলা করতে হচ্ছে দ্বিমুখী বিরোধী-দলীয় রাজনীতি বা কর্মকাণ্ড (যেটা কিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আগে কখনো দেখা যায়নি)।

জামাত-এনসিপি যতই লীগের ফিরে আসার বিরুদ্ধে বিএনপির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার নানা মরহুম শাহাবুদদীন মাহমুদ জায়গীরদার

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:২৫



আমার আম্মার সেঝ চাচা’র লেখা ‘My life is not mine’ বইটি পড়ছি। বইটিতে ‘মাইজম ভাই’ নামের একটি অধ্যায় আছে। এতে সেঝ নানা আমার নানার বিভিন্ন সত্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬




প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।


গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×