এই সময়টুকুই বুঝি এরকম ....... দিনের পড়ন্ত বেলায় এসে কান্ত প্রহরীরা যখন আমাকে নিরস্ত্র ফেলে ক্ষণিকের বিশ্রামে যায়, তখনি কারা যেন ছুটে আসে .....আমার চারদিকে ভর করে এক ঠাহুক অচিন ।।
আলো অন্ধকার দূর করে নাকি অন্ধকার সরলে আলো প্রজ্জলিত হয় ?
আলো ? তবে শিক্ষার আলো কেনো আমাদের মনের অন্ধকার দূর করতে পারে না ? কেনো ধর্মের বিশ্বাস সবসময় আমাদের আলোর পথে চালিত করতে পারে না ?
ধমর্ীয় লেবাস,সরলতার মূর্তি, শিক্ষার বড় বড় ডিগ্রীর ঝুলি সবি আমাদের স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার । নিজের লাভের ঝোলাটাতে আরও বেশী কিছু সুলভে ভরার পন্থা ছাড়া এগুলো দিয়ে নিজের মূল্যবোধকে,বিবেককে আর একটু ঝালাই করার কথা একজীবনে কেউ হয়ত চিন্তাও করে না । থাকা, খাওয়া আর পরার গন্ডীতেই সবার সকল সফলতা যেনো নিহিত ।
এমনি তর কালে কেউ কেউ তাদেরকে মানবতার দিক দিয়ে, ধর্মের দিক দিয়ে, শিক্ষার দিক দিয়ে, বিবেক-বিচারের দিক দিয়ে নেহায়েৎ ভালো একজন ধারক মনে করে ..........কিন্তু তাদেরকেও যদি আঘাত করো নিজ স্বার্থহানীতা দিয়ে ......তবে দেখবে তাদের বিচার-বোধের সাদা দেয়াল কালো হয়ে গেছে......চূড়চূড় করে ভেঙ্গে পড়ছে তাদের মানবিকতার দেয়াল । সহসাই কালো হয়ে যাওয়া এই দেয়াল আরো বেশী পঙ্কিল ।
আমার সামনে ধরে থাকা বই ঝাপসা হয়ে যায়......কম্পিউটারে খোলা উইন্ডোগুলো অকারণে লাফালাফি করতে থাকে......চিন্তা ভাবনা গুলো কেমন গুলিয়ে যায়..... কারো প্রতি যত্নে গড়া শুভ ধারনাগুলো মরে যায়.......চারদিকের কোলাহল স্থবির হয়ে যায় ....... আমার মাইটোকন্ড্রিয়ার সমস্ত শক্তি নিঃশেষ হয়ে যায় ...........
আমি তলিয়ে যেতে থাকি ...... বিপন্ন কারো কণ্ঠস্বর আমাকে আর ভাবিত করে না ..... আমার ঠিকানা হতাশার নিঃসীম চাদরে, অন্ধকারের গহীনে ...............
আমি না চাইলেও আমার হৃদয় চাহে .....সেই পুরনো ফোক গানের সুরে -
" মানুষের চেয়ে পশুভালো
বাঁচার থেকে মরণ ভালো
আমার মরণ কেনো হইলো না "
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




