“স্রষ্টা মাত্র একজন, দ্বিতীয় কেউ নেই ।”
>বেদাঙ্গ উপনিষদ, অধ্যায় ৬, পরিচ্ছেদ ২, অনুচ্ছেদ ১
“তার কোন প্রভু নেই । তার কোন মালিক নেই । তার কোন বাবা মা নেই । তার চেয়ে বড় কেউ নেই ।”
>সেথাসূত্র উপনিষদ, অধ্যায়ঃ ৬, অনুঃ ৯
“স্রষ্ট্রা নিরাকার । তাকে কেউ চোখে দেখতে পায় না ।”
>সেথাসূত্র উপনিষদ, অধ্যায়ঃ ৬, অনুঃ ২০
“সর্বশক্তিমান ঈশ্বর নিরাকার এবং পবিত্র ।”
>যজুর্বেদ, অধ্যায়ঃ ৪০, অনুঃ ৮
“সত্য একটাই, স্রষ্টা একজনই । জ্ঞানীরা এক স্রষ্টাকে অনেক নামে ডেকে থাকে ।”
>ঋগবেদ, গ্রন্থঃ ১, অনুঃ ১৬৪, পরিঃ ৪৬
“ঈশ্বর মাত্র একজনই । দ্বিতীয় কেউ নেই । কেউ নেই, কেউ নেই, কখনও কেউ ছিলও না ।”
>ব্রহ্মসূত্র
“ঈশ্বর সর্বশক্তিমান । যাবতীয় পৃথিবীর সমূহের প্রভু ।”
>ভগবতগীতা, অধ্যায়ঃ ১০, অনুঃ ৩
“সৃষ্টিকর্তার সমতূল্য কেউ নেই । তাহার মত কিছুই নাই ।”
>যজুর্বেদ, অধ্যায়ঃ ৩২, অনুঃ ৩
আচ্ছা, আমার কথা বলি
পারিবারিক নামঃ তুষার কৃষ্ণ মন্ডল
ফেবু নিকঃ রোদেলা তুষার
মিগ৩৩: Cold_tushar
প্রিয় কিছু মানুষ ডাকেঃ তন্ময়
ঘুরে ফিরে ব্যক্তিটা সেই আমি
ঈশ্বর এক এবং অদ্বিতীয় । তিনি ব্রহ্মারূপে সমগ্র বিশ্বব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করেছেন, বিষ্ণুরূপে তাঁর সৃষ্টিকে লালন করছেন, শিবরূপে ধ্বংস করবেন এই সুন্দর পৃথিবী । সনাতন/হিন্দু ধর্মে সর্বমোট ৩৩ মিলিয়ন দেবদেবীর কথা বলা হয়েছে, কিন্তু স্রষ্টা একজন ।
উইকিতে পেলামঃ হিন্দুধর্মে একেশ্বরবাদ , বহুদেববাদ , সর্বেশ্বরময়বাদ , অদ্বৈতবাদ , নাস্তিক্যবাদ – সকল প্রকার বিশ্বাসের সমাহার দেখা যায় । তাই হিন্দুধর্মে ঈশ্বর ধারণাটি অত্যন্ত জটিল (হয়ত এজন্যই কেউ সহজেই দিকভ্রান্ত হয়) । এই ধারণা মূলত নির্দিষ্ট কোনো ঐতিহ্য অথবা দর্শনের উপর নির্ভরশীল । কখনও কখনও হিন্দুধর্মকে হেনোথেইস্টিক ধর্ম (বহু দেবতা অস্তিত্ব স্বীকার করার পাশাপাশি এক ঈশ্বরে বিশ্বাসী ধর্মব্যবস্থা) বলে উল্লেখ করা হয়। তবে এধরনের বর্গীকরণ অতিসরলীকরণের নামান্তর ।
বাংলাদেশ যতটা মুসলমানের, ততটা হিন্দুদের, ঠিক ততটাই খ্রিষ্টানদের । দেশের মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা করুন, নামাজ পড়ুন । নিশ্চয়ই তিঁনি আমাদের ডাকে সাড়া দেবেন ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


