ধর্ম কর্ম কতটুকু করি সে বিষয়টি উহ্য রেখেই বলছি ধর্ম বিষয়ক বাড়াবাড়ী কোনদিনই করিনি। এ বিষয়টিতে আমার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা একেবারে নবজাত শিশুর মত। সংগত কারনে ধর্মীয় বিষয় নিয়ে যখনি তর্ক দেখেছি পারতপক্ষে চেষ্টা করেছি সেখান থেকে দশ হাত দুরে থাকতে। আর এভাবে দশ হাত দুরে থাকতে থাকতে একসময় একশ হাত দুরে চলে গেছি।
ধর্ম থেকে দুরে সরে যাবার এ বোধ থেকেই সম্ভবত একটি প্রশ্ন কদিন থেকে ক্রমশ মাথা চারা দিয়ে উঠছে। ধর্ম আসলে কী করে?
সমাজ তো পরিশুদ্ধ হয় আইন, শৃংখলা, নিয়মাচার এগুলোর বেশী বেশী চর্চার মাধ্যমে। আমার জানামতে পৃথিবীর প্রতিটি ধর্মেই কোনোনা কোনভাবে বলার চেষ্টা করা হয়েছে। এটা কোরনা ওটা কর। এটা না করে ওটা করতে হবে। আর যেগুলো করতে বলা হয়েছে সেগুলো দিয়ে মানব জাতির অকল্যাণ সাধিত হবে এমন সম্ভাবনা আদৌ নেই।
মোদ্দাকথা ধর্মের মূল সুর হচ্ছে সামাজিক ব্যাভিচার আর অন্যায়গুলোকে যথাসম্ভব দুরে করে শালীন একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা আর সেখানে শৃংখলা ও নিয়মাচার প্রতিষ্ঠিত করা। তাহলে ধর্মীয় আচরণগুলো মানুষকে এতটা প্রতিহিংসা পরায়ন করে তুলছে কেন?
ধর্ম পালনের বোধটির সাথে যেহেতু বেহেশত দোজখ কিংবা স্বর্গ নরকের বিষয়টি সরাসরি সম্পর্কযুক্ত কাজেই পারলৌকিক এই উপহার কিংবা শাস্তি কেন আমাদেরকে প্রতিহিংসা পরায়নতার বেড়াজাল ছিড়ে বেড়িয়ে আসতে দিচ্ছে না।
নাকি আমরাই খুব কৌশলে ধর্মের এই মহান শিক্ষাটিকে অপব্যবহার করে একান্নবর্তী এই পৃথিবীটাকে প্রতিদিন টুকরো টুকরো করছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


