বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি রোববার থেকে চালু হবে বলে জানিয়েছে খনি কর্তৃপক্ষ।
খনন পদ্ধতি নিয়ে চীনা ঠিকাদার ও ব্রিটিশ পরামর্শকের মধ্যে মতানৈক্যের অবসানের পর কয়লা খনিটি চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির (বিসিএমসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান শনিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "বাংলাদেশি শ্রমিকরা শুক্রবার খনিতে যোগ দিয়েছে।"
বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যান হোসেন মনসুর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "খনি কর্তৃপক্ষ ও পেট্রোবাংলার চেষ্টার পর খনন কাজে বিস্ফোরক ব্যবহারের অনুমোদন দেয় ব্রিটিশ পরামর্শক।"
বিস্ফোরক ব্যবহার করে খনির ১১০৮ নম্বর কূপের পাথর সরানো হয়েছে। গত ১১ মে এই কূপের ৩ নম্বর ফেইসে ছাদ ধসে পড়ে এক শ্রমিক নিহত ও অপর ২০ জন আহত হয়।
ওই দুর্ঘটনার পর থেকে শ্রমিকদের একটি বড় অংশেরই খনিতে কোনো কাজ নেই। তবে কিছু শ্রমিককে খনির ভেতরে জরুরি কার্যক্রম চালু রাখার জন্য নিয়োজিত রাখা হয়।
চাকরিরত শ্রমিকদের সঙ্গে গত ৩০ জুন ছুটিতে থাকা শ্রমিকদের সংঘর্ষের পর খনি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি শ্রমিকদের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করে।
উৎপাদন শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতি মাসে ওই শ্রমিকদের অর্ধেক মজুরি দেওয়ার ব্যাপারেও সম্মত হয় কর্তৃপক্ষ।
১৯৮৫ সালে জিওলজিক্যাল সার্ভে অব বাংলাদেশের জরিপে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি আবিষ্কৃত হয়। প্রায় ৫ দশমিক ২৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই খনিতে আনুমানিক ৩৯০ মিলিয়ন মেট্রিক টন কয়লা মজুদ রয়েছে।
২০০৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলন করা হচ্ছে। কয়লা আহরণে এ খনিতে এ পর্যন্ত ৩৫টি গভীর সুড়ঙ্গ খনন করা হয়।
বর্তমানে খনিতে এক হাজারের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক কর্মরত।
View this link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


