তোমায় লেখা শেষ চিঠিটিতে আজ আবার নতুন করে পংক্তি দিলাম,তুমি সময় করে তাতে আগুন জ্বালিয়ো, আমি স্বেচ্ছায় সয়ে নেবো তোমার অবহেলার দ্বিরুক্তি।মৌসুমি পাতার অন্তর্ভেদী শিরদাঁড়া এখনও জীবন্ত, তাই যতই বিদীর্ণ হোক ফনিমনশার কাঁটায়,কোথাও না কোথাও অনুভুতির রেশ থেকেই যায়।আমি বিক্ষত হই আর তুমি অঙ্কুরিত হউ, বেড়ে ওঠো প্রানবন্ত সুখে।যখনি মুখোমুখি হয়েছি, তাবতকালের অভিযোগ তোমার চোখের নিশঙ্ক চাহনিতে।তবুও মন মিনতির জ্বালায় অবসাদ আর ক্লান্তি অধ্যুষিত ণৃদেহ, যতবার ভুলে যেতে ছেয়েছি ঠিক ততবারই বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছি মনের আঁধারে।তুমি কেন বোঝনি? অরন্যের আঁচলে ভর করে কখনও মহাকালের সুঘ্রান আসেনি।শত শত কাঁটাবন পেরিয়ে আমি অশথ গাছের নিচে গিয়ে থেমেছি তোমাকে সুগন্ধি সুখ এনে দেব বলে।নির্জনতার কোনও রং থাকেনা তাই সাদা কালোয় মেঘ বুনেছি যদি ঝরনার জ্বলে ভেসে যায় জমাট বাঁধা নিষুতি ঘৃণাগুলি।আমি শিহরিত হই,বিচলিত হই টনটনে বুকে যন্ত্রণার হলকা বাতাস,নিরাশাগুলো সব দলা পাকিয়ে পাললিক প্রেম অঞ্জলি দেয় এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে।চারপাশটা ভীষণ ফাঁকা,জীবাশ্মগুলো কোথাও তার অস্তিত্তে গোঙানির বান ডাকেনি,ঝিঝি পোকা ডানার ভাঁজে অলৌকিক বাদ্যযন্ত্রে জীবনের সুখ বুনেই চলেছে।মুহূর্তগুলো তোমার ছায়াস্পরশে লৌকিক সুখের ঢেউ তুলে আমাকে সময়ের পথে নিরেট পাথর বানিয়ে রেখেছে, সে পথে দাড়িয়েই আমি হাসি, প্রান খুলে হাসি আর তোমার পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়া দেখি।চলে যাওয়াটা কষ্টের, একেবারে না থাকাটা অনুভুতিহীন।কিন্তু চলে গিয়ে ফিরে ফিরে আশাটা নীল হলুদ বিষের মতো, প্রতি মুহূর্তে জন্ত্রনা দেয় শুধু।কখনও হলদেটে কখনও নীল।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



