ফেসবুকে আমরা যে-পোস্ট গুলো 'পাবলিক' বা সবার জন্য উন্মুক্ত করে রাখি, সেগুলোর সুযোগ অনেকে কাজে লাগায় বাজেভাবে। ফেসবুক অবশ্য অপশন রেখেছে নিজেকে সেফ রাখার। প্রফাইল লক থেকে শুরু করে মন্তব্যের ঘরও লক রাখা যায় আজকাল। তবে সেটা অনেক সময়ই করা হয় না। উন্মুক্ত রাখার মানেই কী আপনি যা খুশি তা লিখে রেখে যাবেন! সারাদিনের ব্যস্ততায় নজরদারিতে না রাখার ফলে দিনের শেষে অযাচিত কারো মন্তব্যে নষ্ট হতে পারে আমার সুন্দর মুহূর্ত কিংবা দিন।

এ কেমন কথা? আপনার কি নিজের একটা দেয়াল নেই যা খুশি লেখার জন্য? কেন আপনি অন্যের দেয়ালে নিজের হতাশা ঢেলে আক্রমণ করেন? আমার ক্ষেত্রে এমনটা প্রায়ই হয় যে, আমি কোনো ছবি বা লেখা পোস্ট করার পর তা একেবারেই আর লক্ষ্য করি না। কেউ কিছু লিখলো কিনা, কে কী লিখলো, কিছু মানুষ কতোটা হিংসাত্মক, এসব নিয়ে এতো ভাবার ইচ্ছা হয় না। ইচ্ছাটা একেবারেই হয় না। তাই কারও কুরুচির পরিচয় বহন করা কোনো মন্তব্য চোখে পড়ে অনেক পরে। মাঝে মাঝে পড়েই না।
ফেসবুকে যে কোন পোস্টে যে কোন মন্তব্য করাটা আইন করে অপরাধের পর্যায়ে নেওয়া উচিত। তাদের শাস্তি দেয়া উচিত। একটু আধটু বিখ্যাত লোকদের ফেসবুক ঘাটলে তো আরও ভয়াবহ অবস্থা। সাকিব আল হাসান কিংবা মাশরাফি- কাউকে ছাড় দেয় না এই কমেন্টখোররা। তাদের নিয়ে সমস্যা এত হলে,ফলো করা বন্ধ করুন।
শিক্ষিত সমাজ নাকি ফেসবুক ব্যবহার করে। কিন্তু একটু ঘাটাঘাটি করলে সেখানে অশিক্ষতর সংখ্যাটাই বেশি চোখে পড়ে। শিক্ষা যে শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক তা নয়, শিক্ষিত করতে হবে আপনার মনকে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



