এই চোপ শালা, এক্কেরে কথা কবি না কইলাম। কইলেই ভুড়ি গালাইয়া দিমু। জো কথা বোল গ্যায়া, সামঝো খাল্লাস হোগেয়া। মেরে আঙনেমে তুমহারা ক্যায়া কাম হ্যায়, নিজের পেছনে কে রে নিজে নিজে বাঁশ দ্যায়? কে কে পপ সাম্রাট আজম খানের চুপ, চুপ, চুপ - অনামিকা চুপ গানটা শুনতাছেন হাত উঠান।.... হ্যান্ডস আপ!!
আরে ধুরঃ মিয়া, এমনে উঠাইছেন ক্যা? আমি কি বন্দুক তাঁক করছি? অহ, বুঝছি, আরে মিয়া এইটা তো বোম্বা না। এইটা তো জলপাই! এইটা খায়, আবার মাঝে মইধ্যে মাথায় ও দ্যায় তৈল বানাইয়া। হাত নামান।
আরেহ, আবার কী হইলো? অমোন বাংলা 'দ-এর মতো বেঁকা হইয়া রইলেন ক্যা? সোজা হোন মিয়া। আপনেগোরে নিয়া আর পারি না। এত্ত আন-ইস্মার্ট আপনেরা। আমার জলপাই রঙের সু্যট দেইখ্যা ডরে কুতকুত করতাছেন। বঙ্গবাজার থনে কিনছি, সেকেন্ড হ্যান্ড। কেমুন হইছে মালডা কন দেহি!
মর জ্বালা, তোঁতলান ক্যালা? আমি কি আপনেরে কিছু কইছি? আরে কালা রঙ দেখলেই কি ক্রস ফায়ার ভাবতে হইবো? কালাগো অহন বেইল নাই। মাথায় সস্তা নাইরক্যাল তৈল দেওনের দিন ভুইল্যা যান। অখন থাইক্যা দামী অলিভয়েল দিবেন মাথায়। কোন হালায় কয় চুল উইঠ্যা যায়, দিমুনি ঠুশ কইরা?
আরেহ না, আপনে ডরাণ ক্যা, আপনেরে কিছু কইছি?
সয়াবিন তেলে পুঁটি মাছের ভাজি খাওন ভুইল্যা যান। অলিভয়েলে ভাইজ্যা খাইয়া দেখেন কীরম টেস্ট! ইয়াম্মী.....
আর হুনেন, এইসব (ড্যাশ)ছাল এন্টারনেট ফেন্টারনেট থোন গাট্টি বাইন্ধা ফালাইয়া। পত্রিকার কাগজ বানাইতে ট্যাহা লাগে না? দ্যাশে অহন উন্নয়ন আনতে হইবো, ট্যাহা জমাইতে হইবো, এন্টারনেটে বালগিং কইরা, পত্রিকায় আবঝাব লেহা দিয়া উণ্নয়নরে আটকানি ঠিক না। গান হুনেন ঠিকাছে। তয় কোনডা হুনবেন এইডা তো কইলাম ই।
চুপ, চুপ, চুপ - বাংলার মানুষ চুপ! এইডা হুনলে আপভি ভালা, হাম ভি ভালা, দ্যাশ ভি ভালা, বড় মামা ভি ভালা! অন্যথা হইলেই বয়াম ভরা জলপাইর আচার, বুইঝেন কইলাম!!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



