somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দুধভাত পোস্ট - জলপাই রঙের চোখ রাঙানী খাইলেই ইহা পটল তুলিবে!

২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৫:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


এই চোপ শালা, এক্কেরে কথা কবি না কইলাম। কইলেই ভুড়ি গালাইয়া দিমু। জো কথা বোল গ্যায়া, সামঝো খাল্লাস হোগেয়া। মেরে আঙনেমে তুমহারা ক্যায়া কাম হ্যায়, নিজের পেছনে কে রে নিজে নিজে বাঁশ দ্যায়? কে কে পপ সাম্রাট আজম খানের চুপ, চুপ, চুপ - অনামিকা চুপ গানটা শুনতাছেন হাত উঠান।.... হ্যান্ডস আপ!!

আরে ধুরঃ মিয়া, এমনে উঠাইছেন ক্যা? আমি কি বন্দুক তাঁক করছি? অহ, বুঝছি, আরে মিয়া এইটা তো বোম্বা না। এইটা তো জলপাই! এইটা খায়, আবার মাঝে মইধ্যে মাথায় ও দ্যায় তৈল বানাইয়া। হাত নামান।

আরেহ, আবার কী হইলো? অমোন বাংলা 'দ-এর মতো বেঁকা হইয়া রইলেন ক্যা? সোজা হোন মিয়া। আপনেগোরে নিয়া আর পারি না। এত্ত আন-ইস্মার্ট আপনেরা। আমার জলপাই রঙের সু্যট দেইখ্যা ডরে কুতকুত করতাছেন। বঙ্গবাজার থনে কিনছি, সেকেন্ড হ্যান্ড। কেমুন হইছে মালডা কন দেহি!

মর জ্বালা, তোঁতলান ক্যালা? আমি কি আপনেরে কিছু কইছি? আরে কালা রঙ দেখলেই কি ক্রস ফায়ার ভাবতে হইবো? কালাগো অহন বেইল নাই। মাথায় সস্তা নাইরক্যাল তৈল দেওনের দিন ভুইল্যা যান। অখন থাইক্যা দামী অলিভয়েল দিবেন মাথায়। কোন হালায় কয় চুল উইঠ্যা যায়, দিমুনি ঠুশ কইরা?

আরেহ না, আপনে ডরাণ ক্যা, আপনেরে কিছু কইছি?

সয়াবিন তেলে পুঁটি মাছের ভাজি খাওন ভুইল্যা যান। অলিভয়েলে ভাইজ্যা খাইয়া দেখেন কীরম টেস্ট! ইয়াম্মী.....

আর হুনেন, এইসব (ড্যাশ)ছাল এন্টারনেট ফেন্টারনেট থোন গাট্টি বাইন্ধা ফালাইয়া। পত্রিকার কাগজ বানাইতে ট্যাহা লাগে না? দ্যাশে অহন উন্নয়ন আনতে হইবো, ট্যাহা জমাইতে হইবো, এন্টারনেটে বালগিং কইরা, পত্রিকায় আবঝাব লেহা দিয়া উণ্নয়নরে আটকানি ঠিক না। গান হুনেন ঠিকাছে। তয় কোনডা হুনবেন এইডা তো কইলাম ই।

চুপ, চুপ, চুপ - বাংলার মানুষ চুপ! এইডা হুনলে আপভি ভালা, হাম ভি ভালা, দ্যাশ ভি ভালা, বড় মামা ভি ভালা! অন্যথা হইলেই বয়াম ভরা জলপাইর আচার, বুইঝেন কইলাম!!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গর্ব (অণু গল্প)

লিখেছেন আবু সিদ, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৪০

একটা সরকারি প্রাইমারি স্কুল। ক্লাস শুরু হয়েছে বেশ আগে। স্কুলের মাঠে জন মানুষ নেই। কয়েকটা গাছ, দু'একটা পাখি আর চিরসবুজ ঘাস তাদের নিজের মতো আছে। একান্ত চুপচাপ একজন মানুষ শিক্ষক-রুমে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কালকেউটে

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৯



তুমি ও অতিথি পাখি কী সুন্দর মিলেমিশে একাকার!
আম ও দুধের অপূর্ব সংমিশ্র!
অতিথি পাখির কিছু কিছু বিসর্জন থাকলেও-
তুমি যা কিছু অর্জন করেছো তাতে নেই একরত্তি বিসর্জন!

অর্বাচীনের মতো ভেবেছিলাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায় নেওয়ার কেউ নেই ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫


বাংলাদেশের ব্যাংকিং সংকট নিয়ে যত আলোচনা হচ্ছে, যত টকশো হচ্ছে, যত বিশেষজ্ঞ মতামত দিচ্ছেন, তার কিছুই ব্যাংকের সামনে লাইনে দাঁড়ানো মানুষটার কাজে লাগছে না। তিনি জানতে চান একটাই কথা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্য ধর্মের মানুষদের মাঝেও 'উত্তম মানুষ' আছেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৪৭



পবিত্র কোরআনে অসম্ভব সুন্দর একটি আয়াত আছে। মহামহিম খোদাতায়ালা পুরো বিশ্বের মানুষদের দিকে একটি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে পবিত্র কোরআনে জিজ্ঞাসা করেছেন - "আর ঐ ব্যক্তি থেকে কে বেশি উত্তম... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুখু মিয়া

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৫৬



গভীর অন্ধকার রাত প্রবল গর্জন করে আকাশ ডাকছে, দুখু মিয়া আর তার মেয়ে ফুলবানু খুপড়ি মতো ছাপরা ঘরের জানালা দিয়ে তাকিয়ে আকাশ দেখেন। অন্ধকারে কিছুই দেখা যায় না তারপরও বাপে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×