শীতকাল, ওয়াজের মৌসুম। আমাদের দেশের মতো ব্লগেও ওয়াজের ধুম পড়ে গেছে দেখছি। দেখে বেশ ভালোই লাগছে, বাংলার প্রান্তর ছেড়ে 'ওয়াজ' পরিব্রাজন করতে করতে লোকজন কে ওয়াশ করার নিমিত্তে ইউরোপ-আমেরিকায় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে গেছে। এই অবস্থায় ওয়াজ নিয়ে একটা গল্পের কথা মনে পড়ে গেলো, যা না বল্লেই না!
এক পোলার শখ হইলো মাদ্্রাসায় পড়ার। বাপ মোটেও রাজী না। মা'কে পটিয়ে পাটিয়ে গেলো পড়তে। পড়া শেষ করে আসলো দেওবন্দ থেকে। এখন ফিরেই পোলার চলন বলন খুব একটা সুবিধের ঠেকেনা বাপের কাছে। ঘুমের মাঝে কী সব বলে আবঝাব। এতোগুলা বছর মেয়ে মানুষের সানি্নধ্য না পেয়ে যারে দেখে তার দিকেই ক্যামনে জানি তাকায় পোলা। বাপ আবার চোরা চোখে দেখে সেটা। কিছু বলতে পারে না, কারণ বউরে ব্যাটা আবার ডরায়।
একবার গ্রামে ওয়াজ হবে। অনেক নামী দামি ওলামায়ে কেরামগন হাজির হয়েছেন ওয়াজ ফরমাইবার জন্য। তাদের আয়েশে চারটা ডালভাত খাওয়ার জন্য প্রাণ দিতে হলো কয়েক জোড়া ছাগল। গরু খেলে নাকি হুজুরদের গায়ে ফুসকুরী ওঠে!
যাইহোক, এক হুজুরের অনুরোধে উক্ত পোলা উঠলো ওয়াজ ফরমাইতে। বাপও গেছে পোলা কি বয়ান করে তা শুনতে। নাইলে তো ভাত পাইবো না ঘরে। পোলা শুরু করলো...
"আল্লাহুম্মা নাহমাদুহু .... ওয়াসাল্লিআলাইহি, ওয়া রাসূলিহি...." আর বাপ আস্তে আস্তে ক্ষেপে-
পোলা যেইনা বললো "আম্মাবাদ...." বাপ অমনি খাড়ায়া কয়। অই তুই নাম...। নামতে কইছি নাম। তর ওয়াজ করোন লাগবো না। তরে আমি অনেক দিন ধইরা দেখতাছি, কিছু কই নাই। যেই মা'য় তোরে এতো কষ্ট কইরা আমার লগে কাইজ্যা কইরা মাদ্্রাসায় পড়াইয়া আনলো তারে আজকে বাদ কইরা দিলি তুই? নাম কইতাছি....
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



