"মানুষের নিজের শরীরের বাইরে যদি হৃৎপিন্ড কোথাও ধুক ধুক করে সেটা সন্তানের শরীর" - এরকম একটা কথা প্রচলিত আছে। মায়াময়ী প্রাপ্তির শরীরেও তো কারো হৃৎপিন্ড ধুক ধুক করছে। অসীম মমতায় কাছে টেনে ধরে আছে বাবা-মাকে।
প্রাপ্তি যে কিনা হাঁটতে শিখেই বুঝতে পারলো এই পৃথিবীতে তার দিন গুলো শেষ হয়ে আসছে, নিভে যাচ্ছে চোখের সামনের আলোগুলো এক এক করে। এই প্রাপ্তি, যে কিনা কেবল নিজের বাবা-মায়ের হৃৎপিন্ড নিয়েই মৃত্যুর সাথে লড়ে যাচ্ছে না, বরং এই পৃথিবীর বিভিন্ন কোনের হাজারো মানুষের চেতনায় নিজেকে আসীন করতে পেরেছে।
যদি তাই না হবে, তাহলে কেনো ঘুমের মধ্যে মায়াভরা মুখটা নিয়ে হাজির হবে, কেনো বলবে, "আমি যদি তোমার তনয়া হতাম, আংকেল", কেনইবা তার জন্যে চোখের কোন ভিজে উঠবে, কেন নিজের জীবনের বিনিময়ে তার সুন্দর হাসিটুকু কমনা করা হবে... কেনো?
আমরা কি করতে পারবো তার হিসেব না করে বরং চিন্তা করি, "কি করা লাগবে"। তার চিকিৎসার জন্যে, এতো মায়াময় হাসিটা পৃথিবীতে ধরে রাখতে খুব বেশি কিছুর প্রয়োজন নেই, যা আমরা যোগাতে পারবো না। "আমরা কেউ ছোট নই, সকলেই বড় মানুষ,সকলেই এক সাথে বড় মানুষ আমরা" - আমার চোখে খুব বড় মাপের মানুষ এই কথাটা বল্লেন। আসলেই তো, আমরা কি সম,িলিতভাবে পারবোনা, প্রাপ্তির প্রাপ্ত অধিকার টুকু ফিরিয়ে দিতে !
অবশ্যই পারবো। সেটা করার জন্য কিছু পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে, আশাকরি প্রাপ্তির মুখের দিকে তাকিয়ে, বাদানুবাদ ভুলে কাঁধে কাঁধ মেলাতে এগিয়ে আসবেন সবাই।
প্রাপ্তি যেনো আমাদের চোখের আড়াল হয়ে না যায় সেজন্য সবাই, দয়া করে পোস্টে প্রাপ্তির ছবিটুকু ব্যবহার করবেন সাথে প্রথম একটা প্যারা ওর জন্যে ছেড়ে দিবেন।
নাহ্, আপনাদের পোস্ট বন্ধ রাখার অনুরোধ করছিনা কিংবা করছিনা পোস্ট সামনের পাতা থেকে সরিয়ে নিতেও। শুধু একটু খেয়াল রাখবেন, পোস্টের শিরোনামের ছবিটা যেনো প্রাপ্তির হয় আর তাকে উদ্দেশ্য করে প্রথম প্যারাটা !
যদি অনুরোধটা অবাঞ্ছিত মনে হয়, তাহলে প্রাপ্তি হাসিভরা মুখটার দিকে একটু তাকান দয়াকরে, ভাবুন, যদি এই ফেরেশতা টা আপনার অতি আপনজন কেউ হতো !
ধন্যবাদ
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



